Showing posts with label কুরআন. Show all posts
Showing posts with label কুরআন. Show all posts

Thursday, February 27, 2020

৮৩ টি উপদেশবাণীঃ কুরআন থেকে






৮৩ টি উপদেশবাণীঃ
কুরআন থেকে











১। তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না। [সূরা বাকারা ২:৪২]

২। সৎকার্য নিজে সম্পাদন করার পর অন্যদের করতে বলো। [সূরা বাকারা ২:৪৪]

৩। পৃথিবীতে বিবাদ-বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করো না। [সূরা বাকারা ২:৬০]

৪। কারো মসজিদ যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করো না। [সূরা বাকারা ২:১১৪]

৫। সে হুকুমের আনুগত্য কর যা আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন। [সূরা বাকারা ২:১৭০]

৬। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করো না। [সূরা বাকারা ২:১৭৭]

৭। ঘুষে লিপ্ত হয়ো না। [সূরা বাকারা ২:১৮৮]

৮। যারা তোমাদের সঙ্গে লড়াই করবে, তাদের সঙ্গে তোমরা লড়াই করো। [সূরা বাকারা ২:১৯০]

৯। লড়াইয়ের বিধি মেনে চলো। [সূরা বাকারা ২:১৯১]


১০। অনাথদের রক্ষণাবেক্ষণ করো। [সূরা বাকারা ২:২২০]


১১। রজঃস্রাব কালে যৌনসঙ্গম করো না। [সূরা বাকারা ২:২২২]


১২। শিশুকে পূর্ণ দুই বছর দুগ্ধপান করাও। [সূরা বাকারা ২:২৩৩]


১৩। সৎগুণ দেখে শাসক নির্বাচন করো। [সূরা বাকারা ২:২৪৭]

১৪। দ্বীনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই। [সূরা বাকারা ২:২৫৬]

১৫। প্রতিদান কামনা করে দাতব্য বিনষ্ট করো না। [সূরা বাকারা ২:২৬৪]

১৬। প্রয়োজনে তাদের সহযোগিতা করো। [সূরা বাকারা ২:২৭৩]


১৭। সুদ ভক্ষণ করো না। [সূরা বাকারা ২:২৭৫]


১৮। যদি ঋণী অভাবগ্রস্ত হয়তবে তাকে সচ্ছলতা আসা পর্যন্ত সময় দাও। [সূরা বাকারা ২:২৮০]

১৯। ঋণের বিষয় লিখে রাখো। [সূরা বাকারা ২:২৮২]


২০। আমানত রক্ষা করো। [সূরা বাকারা ২:২৮৩]


২১। গোপন তত্ত্ব অনুসন্ধান করো না এবং পরনিন্দা করো না। [সূরা বাকারা ২:২৮৩]


২২। সমস্ত নবির প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করো। [সূরা বাকারা ২:২৮৫]


২৩। সাধ্যের বাইরে কারো উপর বোঝা চাপিয়ে দিও না। [সূরা বাকারা ২:২৮৬]


২৪। তোমরা পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ো না। [সূরা আল-ইমরান ৩:১০৩]


২৫। ক্রোধ সংবরণ করো। [সূরা আল-ইমরান ৩:১৩৪]


২৬। রূঢ় ভাষা ব্যবহার করো না। [সূরা আল-ইমরান ৩:১৫৯]


২৭। এই বিশ্বের বিস্ময় ও সৃষ্টি নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা করো। [সূরা আল-ইমরান ৩:১৯১]

২৮। পুরুষ ও নারী উভয়ই তাদের কৃতকর্মের সমান প্রতিদান পাবে। [সূরা
আল-ইমরান ৩:১৯৫]

২৯। মৃতের সম্পদ তার পরিবারের সদস্যসের মাঝে বন্টন করতে হবে। [সূরা নিসা ৪:৭]

৩০। উত্তরাধিকারের অধিকার নারীদেরও আছে। [সূরা নিসা ৪:৭]

৩১। অনাথদের সম্পদ আত্মসাৎ করো না। [সূরা নিসা ৪১০]

৩২। যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক তাদের বিবাহ করো না। [সূরা নিসা ৪:২৩]

৩৩। অন্যায়ভাবে কারো সম্পদ ভক্ষণ করো না। [সূরা নিসা ৪:২৯]

৩৪। পরিবারের উপর কর্তৃত্ব চালাবে পুরুষ। [সূরা নিসা ৪:৩৪]

৩৫। অন্যদের জন্য সদাচারী হও। [সূরা নিসা ৪:৩৬]

৩৬। কার্পণ্য করো না। [সূরা নিসা ৪:৩৭]

৩৭। বিদ্বেষী হয়ো না। [সূরা নিসা ৪:৫৪]

৩৮। মানুষের সাথে ন্যায়বিচার করো। [সূরা নিসা ৪:৫৮]

৩৯। একে অপরকে হত্যা করো না। [সূরা নিসা ৪:৯২]

৪০। বিশ্বাসঘাতকদের পক্ষ নিয়ে বিতর্ক করো না। [সূরা নিসা ৪:১০৫]

৪১। ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকো। [সূরা নিসা ৪:১৩৫]

৪২। সৎকার্যে পরস্পরকে সহযোগিতা করো। [সূরা মায়িদা ৫:২]

৪৩। সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। [সূরা মায়িদা ৫:২]

৪৪। মৃত পশু, রক্ত ও শূয়োরের মাংসা নিষিদ্ধ। [সূরা মায়িদা ৫:৩]

৪৫। সৎপরায়ণ হও। [সূরা মায়িদা ৫:৮]

৪৬। অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাও। [সূরা মায়িদা ৫:৩৮]

৪৭। পাপ ও অবৈধ জিনিসের বিরুদ্ধে শ্রম ব্যয় করো। [সূরা মায়িদা ৫:৬৩]

৪৮। মাদক দ্রব্য ও আলকোহল বর্জন করো। [সূরা মায়িদা ৫:৯০]

৪৯। জুয়া খেলো না। [সূরা মায়িদা ৫:৯০]

৫০। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপাস্যদের গালমন্দ করো না। [সূরা মায়িদা ৫:১০৮]

৫১। আধিক্য সত্যের মানদণ্ড নয়। [সূরা আন’আম ৬:১১৬]

৫২। মানুষকে প্রতারণা দেওয়ার জন্য ওজনে কম দিও না। [সূরা আন’আম ৬:১৫২]

৫৩। অহংকার করো না। [সূরা আ’রাফ ৭:১৩]

৫৪। পানাহার করো, কিন্তু অপচয় করো না। [সূরা আ’রাফ ৭:৩১]

৫৫। সালাতে উত্তম পোশাক পরিধান করো। [সূরা আ’রাফ ৭:৩১]

৫৬। অন্যদের ত্রুটিবিচ্যুতি ক্ষমা করো। [সূরা আ’রাফ ৭:১৯৯]

৫৭। যুদ্ধে পশ্চাদমুখী হয়ো না। [সূরা আনফাল ৮:১৫]

৫৮। যারা নিরাপত্তা কামনা করছে তাদের সহযোগিতা করো ও নিরাপত্তা দাও। [সূরা তওবা ৯:৬]


৫৯। পবিত্র থেকো। [সূরা তওবা ৯:১০৮]

৬০। আল্লাহ্ তাআলার অনুগ্রহ হতে নিরাশ হয়ো না। [সূরা ইউসুফ ১২:৮৭]

৬১। যারা অজ্ঞতাবশত ভুলত্রুটি করে আল্লাহ্ তাআলা তাদেরকে ক্ষমা করবেন। [সূরা নাহল ১৬:১১৯]


৬২। প্রজ্ঞা ও উত্তম নির্দেশনা দ্বারা আল্লাহ্ তাআলার প্রতি আহ্বাব করা উচিত। [সূরা নাহল ১৬:১১৯]


৬৩। কেউ কারো পাপের বোঝা বহন করবে না। [সূরা ইসরা ১৭:১৫]

৬৪। পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো। [সূরা ইসরা ১৭:২৩]

৬৫। পিতামাতাকে অশ্রদ্ধা করে কোনো কথা বলো না। [সূরা ইসরা ১৭:২৩]

৬৬। অর্থ অপচয় করো না। [সূরা ইসরা ১৭:২৯]
৬৭। দারিদ্রের আশঙ্কায় সন্তানসন্ততিকে হত্যা করো না। [সূরা ইসরা ১৭:৩১]
৬৮। অবৈধ যৌনাচারে লিপ্ত হয়ো না। [সূরা ইসরা ১৭:৩২]     

৬৯। যে বিষয়ে জ্ঞান নেই তার অনুবর্তী হয়ো না। [সূরা ইসরা ১৭:৩৬]

৭০। শান্তভাবে কথা বলো। [সূরা ত্বা-হা ২০:৪৪]

৭১। অনর্থ জিনিস থেকে দূরে থেকো। [সূরা মু’মিনুন ২৩:৩]

৭২। অনুমতি ছাড়া কারো গৃহে প্রবেশ করো না। [সূরা নূর ২৪:২৭]

৭৩। যারা শুধু আল্লাহ্ তাআলার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেন তিনি তাদেরকে নিরাপত্তা দেন। [সূরা নূর ২৪:৫৫]

৭৪। বিনা অনুমতিতে পিতামাতার ব্যক্তিগত ঘরে প্রবেশ করো না। [সূরা নূর ২৪:৫৮]

৭৫। বিনয় সহকারে ভূপৃষ্ঠে বিচরণ করো। [সূরা ফুরকান ২৫:৬৩]

৭৬। এই পৃথিবীতে তুমি তোমার অংশকে উপেক্ষা করো না। [সূরা কাসাস ২৮:৭৭]

৭৭। আল্লাহর সাথে অন্য কোনো বাতিল উপাস্যকে ডেকো না। [সূরা কাসাস ২৮:৮৮]

৭৮। সমকামিতায় লিপ্ত হয়ো না। [সূরা আন্কাবুত ২৯:২৯]

৭৯। সৎকার্যের আদেশ করো এবং অসৎকার্য হতে নিষেধ করো। [সূরা লোকমান ৩১:১৭]

৮০। দম্ভভরে ভুপৃষ্ঠে বিচরণ করো না। [সূরা লোকমান ৩১:১৮]

৮১। কণ্ঠস্বর অবনমিত রেখো। [সূরা লোকমান ৩১:১৯]

৮২। নারীরা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন করে না বেড়ায়। [সূরা আহযাব ৩৩:৩৩]

৮৩। আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ হতে নিরাশ হয়ো না। [সূরা যুমার ৩৯:৫৩]

Sunday, September 9, 2018

কুরআনের মুসহাফে লেগে থাকা পবিত্র ধুলো লাগাই মোর সফেদ জামায় - মুহাম্মাদ আতিক উল্লাহ



মাওলানা আবু তাহের মিছবাহ ( আদীব হুজুর ) নিয়মিত রামাদানের শেষ দশকে ই‘তিকাফে বসেন। অনেক আগে থেকে হুজুরের এই আমল জারি আছে। হুজুর সবকিছু থেকে একসূ-একাগ্র হয়ে ইবাদত-বন্দেগি আর লেখালেখিতে নিমগ্ন থাকেন। সারারাত জেগে একটানা লিখে যেতে থাকেন। মসজিদের এক কোণে। নিরবে।

ফাঁকে ফাঁকে কুরআন কারীম তিলাওয়ারত চলতে থাকে। কখনোবা দীর্ঘ মুনাজাত। সাধারণত আসরের পরই কুরআন তিলাওয়াত করতেন। হুজুরের কুরআন তিলাওয়াতের আলাদা একটা ধাঁচ আছে। সুর আছে। শুনলেই বোঝা যায় বড়ই আন্তরিক এই তিলাওয়াত। বুঝে বুঝেই তিলাওয়াত করছেন। কোনদিকে না তাকিয়ে। এক মনে এক ধ্যানে।

হুজুর আবার সব কুরআন থেকে তিলাওয়াত করতে অভ্যস্ত নন। হুজুরের নির্দিষ্ট একটা কুরআন কারীম আছে। একবার ওটা কিভাবে যেন পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজি করে জানা গেল এই বিশেষ ধরনে ছাপা হওয়া একটা কুরআন কারীম এক জায়গায় আছে।


সেখান থেকে অনুমতি নিয়ে কুরআন কারীমটা ফটোকপি করে নিয়ে আসলাম। হুজুরের মুখে আকাশের চাঁদ পাওয়ার হাসি ফুটল। স্মিতহাস্যেই বললেন:
সারা ছেলেবেলা এই কুরআন কারীমের সাথে চোখ অভ্যস্ত হয়ে গেছে। মাথার ভেতরে নির্দিষ্ট একটা নকশার ছাপ বসে গেছে। ভিন্ন আঙ্গিকের ছাপা সেটা যত সৃদ্যশ্য আর মনোরমই হোক, চোখে সয় না।


শিক্ষা তিন:
রামাদানের শেষ দশক। একদিন মসজিদে হুজুরের পেছনের কাতারে বসে বসে কুরআন তিলাওয়াত করছি। একচোখ হুজুরের দিকে। কখন কী প্রয়োজন হয়। হুজুরের নড়াচড়া দেখে বুঝলাম এবার তিলাওয়াত করবেন। ছুটে গিয়ে কুরআন কারীম এনে দিলাম। ঢাকা শহর ধুলোর শহর। সামান্য আগে মুছে রাখলেও ধূলির আস্তর জমে যায়।


আমি কুরআন কারীমখানা হাতে নিয়ে ধুলো মোছার জন্য রুমাল খুঁজছিলাম। হুজুর মুচকি হেসে আমার হাত থেকে কুরআন কারীমখানা নিয়ে, পরিহিত ধবধবে শাদা জামায়, বুকের কাছে লাগালেন। আদর করে, ইহতিরামের সাথে ধুলোগুলো মুছে ফেললেন। শাদা জামায়, বুকের কাছখানটিতে কালো হয়ে গেল সেদিকে ভ্রক্ষেপ নেই।


আমি শিখলাম কুরআন কারীমের গায়ে ধুলোগুলোও সম্মানের যোগ্য। বুকে মাখার যোগ্য। আহ!
এই ফাঁকে আরেকটা কথা বলে রাখি। আমার হযরত, প্রফেসর হামীদুর রাহমান সাহিব বলেছেন, মাওলানা আবরারুল হক সাহিব ইরশাদ করেছেন:
আমরা কুরআন কারীমের জুঝদান ধোয়ার পর পানিগুলো নর্দমায় বা আবর্জনায় ফেলি। এতে কুরআন কারীমের সাথে বে-আদবি হয়। আমরা জুঝদান ধোয়া পানিগুলো পবিত্র স্থানে বা গাছের গোড়ায় ঢালব। নাপাক জায়গায় ফেলব না। ইনশাআল্লাহ কুরআন কারীম কিয়ামতের দিন আমাদের জন্য সুপারিশ করবে।

- শাইখ আতিকুল্লাহ সাহেব

Monday, September 3, 2018

খলীফা মামুন ও এক ইহুদী পাদ্রী




প্রসিদ্ধ আব্বাসি খলিফা মামুন তখনো খেলাফত পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত হননি। তিনি মাঝে মাঝে ইলমী মজলিস বসাতেন। সেখানে বিভিন্ন দীনী বিষয় নিয়ে আলোচনা-মুযাকারা হতো।
একদিন মজলিস চলছিল। এমন সময় হাজির হলো এক ইহুদি জ্ঞানী মানুষ। দেখতে শুনতে অতুলনীয়। বাক-কুশলতায় অসাধারণ। এক মজলিসেই সবাইকে মুগ্ধ করলো ইহুদি পাদ্রীটি।
.
ভাবী খলিফা মামুন বললেন, আপনি মুসলমান হয়ে যান। আপনার যাবতীয় সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা আমি করবো। আপনি শুধু রাজি হয়ে যান।
ইহুদি পাদ্রী বললেন, আমি আমার পিতৃপুরুষের ধর্মের উপর থাকতে চাই। দয়া করে এ নিয়ে চাপাচাপি করবেন না।
এ বলে তিনি মজলিস থেকে বিদায় নিলেন।
.
এক বছর পর যখন মামুন খলিফা হয়েছেন, আবারো এমন একটি দীনী মজলিসে সেই ইহুদি পাদ্রীকে দেখা গেলো। পুরোদস্তুর মুসলিম। ফিকহ ফতোয়ার উপর তাত্বিক জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করলেন।
মজলিস শেষ হলে খলিফা মামূন তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনিই সেই ইহুদি ধর্মজ্ঞানী নন, যিনি একবছর পূর্বে এই মজলিসে এসেছিলেন!!
তো কী কারণে মুসলিম হলেন? অথচ সেদিন আমার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন!!
পাদ্রী বললেন, আমি সেই মজলিস থেকে গিয়ে একটা বিষয় ভাবলাম। চিন্তা করলাম, একটু যাচাই করে দেখি, কোন ধর্মগ্রন্থ নির্ভুল ও সঠিক।
আমার হস্তলিখন অনেক সুন্দর।
নিজহাতে তাওরাতের তিনটি নুসখা লিখলাম। প্রতিটিতে কিছু কিছু পরিবর্তন পরিবর্ধন ও কম-বেশ করে বাজারে নিয়ে গেলাম। ক্রেতারা সে সব খরিদ করে নিলো। কোনো ভুলই ধরতে পারলো না।
ইঞ্জিল নিয়েও একই কাজ করলাম। সেখানেও কোনো অভিযোগ আপত্তির সম্মুখিন হলাম না।
.
অতঃপর কুরআন কারিমেরও তিনটি হস্তলিখিত কপি তৈরী করলাম। প্রতিটিতে কিছু কমবেশ করলাম। এরপর মুসলিমদের বাজারে নিয়ে গেলাম সেই কুরআন তিনটি। ওয়াররাকরা যখনই সেগুলো পড়ে দেখলো তখনই আমার দিকে ছুড়ে ফেলে দিলো আর বলল, এইসব ভুল-ভ্রান্তিতে পূর্ণ। এগুলো বিক্রয় করা যাবে না।
তখন আমার দৃঢ়বিশ্বাস হয়ে গেলো, কুরআনই সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানী কিতাব, যা স্বয়ং আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে হেফাজত করা হয়েছে ও কেয়ামত পর্যন্ত হবে।
তখনই আমি মুসলমান হয়ে গেলাম।


 من المنتظم فى تاريخ الملوك والأمم لابن الجوزي 3/220


- আব্দুল্লাহ তালহা