পুরো বইটি পড়ুন এখান থেকে-
https://justpaste.it/andalus527
মুহতারাম আতিক উল্লাহ সাহেবের “খিলাফাহ রাশিদাহ” গ্রুপ থেকে ২রা
জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে আন্দালুস হারানোর ৫২৭ বছর উপলক্ষে আন্দালুসের স্মৃতি
চারণ, আন্দালুসের স্মরণ, আর আন্দালুস নিয়ে ক্রন্দনের নিমিত্তে পালিত হয়
‘আন্দালুস সপ্তাহ’। এক সপ্তাহ যাবত এ গ্রুপের মেম্বারগণ আন্দালুস সম্পর্কে
জেনেছে, জানিয়েছে, ভেবেছে, ভাবিয়েছে, কেঁদেছে এবং কাঁদিয়েছে। সেই ভাবনা,
সেই কান্না, সেই স্মৃতিচারণ এবং সেই জানা-অজানা ইতিহাসের নানা গলি ঘুপজি
ভ্রমণকে তুলে এনেছি উক্ত সংকলনে। সকলকে আল্লাহ্ জাযায়ে খায়ের দান করুন।
আল-আন্দালুস: আমাদের হারানো ফিরাদওস!
আতিক উল্লাহ
প্রথম পর্ব
দিনলিপি-১৭৯
(০২-০৫-২০১৫)
*** আন্দালুস। নামটার মধ্যেই কেমন যেন আপন আপন ভাব আছে। সাথে সাথে কেমন
যেন বিরহ বিরহ ভাবও আছে। সবই হয়তো মনের কল্পনা। তবুও মনের কল্পনা তো
ভালোবাসা থেকেই তৈরী হয়।
.
মূল পর্বে যাওয়ার আগে, সামান্য একটু ভূমিকা:
=
আল্লাহ তা‘আলার রীতিনীতিতে কোনও পরিবর্তন নেই। আমাদের প্রয়োজনেই, এই
রীতিনীতিগুলো জানা জরুরী। তাহলে জীবনটা সহজ হয়ে যায়, সুন্দর হয়ে ওঠে।
.
আল্লাহ
তা‘আলার স্বীকৃত নীতি হলো, একশ ডিগ্রী গরম হলে পানি টগবগ করে ফুটতে থাকবে।
এই নীতি কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে। এর কমবেশ হবে না। যদি এমন হতো, আজ ত্রিশ
ডিগ্রীতে পানি ফুটতে শুরু করেছে। কাল চল্লিশ ডিগ্রী। পরশু পঞ্চাশ ডিগ্রী
তাহলে জীবনটা কেমন হতো? টিকে থাকাই দায় হয়ে যেতো।
.
আগুনের
ধর্ম হলো পোড়ানো। কেয়ামম পর্যন্ত আগুন এই ধর্মের ওপরই বহাল থাকবে। এর
ব্যত্যয় ঘটবে না। ব্যতিক্রম হবে না। এটাই চিরাচরিত বিধান। ইব্রাহীম (আ.)
আগুনে পোড়েন নি, সেটা মু’জিযা। একজন মুমিন মু’জিযার তালাশে থাকবে না,বস্তুর
স্বাভাবিক যা ধর্ম সেটা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকবে।
.
খাবার ছাড়া কোনও প্রাণী বাঁচতে পারে না। কোনও মানুষ যদি খাবার ছাড়া কয়েক দিন থাকে, সে মারা যাবে এটাই আল্লাহর বিধান।
.
বিভিন্ন
জাতি, গোষ্ঠীর ক্ষেত্রেও আল্লাহর বিধান হলো, একটি জাতি একসময় সবল থাকবে,
তারপর আস্তে আস্তে দুর্বল হতে থাকবে। আবার দুর্বলতা থেকে আস্তে আস্তে
সবলতার দিকে যাবে। এটা মুসলিম-অমুসলিম সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য।
.
ইতিহাসের
আশ্চর্যজনক একটা বিষয় হলো, অদ্ভুতভাবেই সেটার পুনরাবৃত্তি ঘটে। সে হিশেবে
বলা যায়, আমরা যখন অতীতের কোনও ইতিহাস পড়ি, প্রকৃতপক্ষে সেটা শুধু অতীত নয়,
ভবিষ্যতেরও ইতিহাস। কারণ অতীতে যা ঘটেছে, মোটা দাগে সেটা ভবিষ্যতেও ঘটবে।
.
একজন মুমিন কিভাবে ইতিহাস পাঠ করবে?
=
তার ইতিহাস পাঠের ধরন হবে, অতীতের ভাল মানুষেরা কিভাবে কাজ করেছেন, কোন
পথে হেঁটেছেন, সেটা যাচাই করা। সে অনুযায়ী নিজে চলার পাথেয় সংগ্রহ করা।
.
আন্দালুসের
ইতিহাসটাও আমাদের জন্যে এক জীবন্ত শিক্ষা। এর ইতিহাসে আল্লাহর বিধান এতটা
স্পষ্ট হয়ে আছে, অন্য কোনও ইতিহাসে এতটা নেই। উত্থান-শিখর আরোহণ-পতন।
= তবে আমি শেষ পর্যায়কে পতন বলতে চাই না। বলতে চাই পুনরুত্থানের প্রস্তুতি ও প্রেরণা ও শিক্ষাগ্রহণ পর্ব।
.
আন্দালুসের
ক্ষেত্রে একটা ব্যতিক্রমধর্মী বিষয় আছে। অন্য জাতিগুলোর ইতিহাসে
উত্থান-শিখরছোঁয়া-পতনপর্বটা একবারই ঘটে। কিন্তু আন্দালুসে এই পর্বটা বেশ
কয়েক বার ঘটেছে। এই বিষয়টা নিয়ে আমি প্রায়ই ভাবি, আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে
বেশ কয়েক বার সতর্ক করেছেন। সহজে তিনি আমাদের থেকে এই ‘আলফিরদাওসুল মাফকুদ’
(হারানো স্বর্গ) ছিনিয়ে নিতে চান নি। তিনি হয়তো চেয়েছিলেন, এই স্বর্গ
আমাদের হাতেই থেকে যাক, কিন্তু আমরা তার এই নেয়ামতের কদর করতে পারিনি।
.
.
আমরা কেন আন্দালুসকে পড়বো?
------------
আন্দালুসের
ইতিহাস আটশ বছরের। আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে, হিজরী সন হিশেবে আটশত
পাঁচ বছরের। ৯২-৮৯৭ হিজরী। আর ঈসায়ী সন হিসাবে ৭৮১ বছর হয়। ৭১১-১৪৯২।
এই
দীর্ঘ সময়ের ইতিহাসে কিছু অংশ আছে, অনালোচিত, কিছু অংশ আছে বহুল আলোচিত।
কিছু অংশের ওপর ধূলোর আস্তর জমেছে। কিছু অংশকে কুচক্রীরা বিকৃত করে
উপস্থাপন করেছে। তারা কিছু সত্যকে মিথ্যার মতো করে পরিবেশন করেছে আর কিছু
মিথ্যা কে সত্যের প্রলেপ দিয়ে আমাদেরকে গিলিয়েছে। এটা অত্যন্ত ভয়ংকর একটা
কাজ। আমাদের উচিত এর বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেয়া। ধুলো-ময়লা সরিয়ে আসল
সত্যকে বের করে আনা।
.
আন্দালুসের দীর্ঘ ইতিহাস পরিক্রমায়, অসংখ্য
ঘটনা ঘটেছে। অফুরন্ত গল্প তৈরী হয়েছে। অগুনতি বাঁক সৃষ্টি হয়েছে। বেশুমার
গাঁথার জন্ম হয়েছে। অনেক মুজাহিদের জন্ম হয়েছে। অনেক ভীরু-কাপুরষও
আত্মপ্রকাশ করেছে। অনেক মুত্তাকী-পরহেযগারের উন্মেষ ঘটেছে। অনেক
শরীয়তবিরোধী নাস্তিক ব্যঙের ছাতার মতো গজিয়েছে। অনেক দ্বীনের রক্ষক মাথা
উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। অসংখ্য বিশ্বাসঘাতক ফনা তুলেছে। এজন্য আমাদেরকে
আন্দালুস জানা দরকার।
.
.
আন্দালুসের যা না জানলেই নয়
------------
আমাদের
জানা দরকার ‘বারবাত প্রান্তরের’ ঘটনা। এটা এমন ঘটনা, গুরুত্বের দিক থেকে
ইসলামের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গুরুত্বপ্রাপ্ত যুদ্ধগুলোর একটি হওয়ার মর্যাদা
রাখে। এই বারবাত কোনও অংশে ইয়ারমুক-কাদেসিয়া থেকে কম নয়। এই বারবাতের
মাধ্যমে শুধু আন্দালুস নয়, বিশ্ব ইতিহাসের বিরাট একটা অর্জনকে মুসলমানরা জয়
করেছে।
= কিন্তু এতদসত্ত্বেও মুসলমানদের কাছে এই বারবাত উপত্যকা বিস্মৃত। বিলুপ্ত। বিযুক্ত।
.
আমাদের
জানা দরকার ‘জাহাজ পোড়ানো’র ঘটনা। তারিক বিন যিয়াদ (রহ.) আসলেই কি জাহাজ
পুড়িয়েছিলেন? পোড়ালে কেন পুড়িয়েছিলেন? পাশ্চাত্যের সমালোচকদের কাছে এই ঘটনা
এত প্রিয় কেন?
.
আমাদের জানা দরকার আবদুর রহমান দাখিল (রহ.) কে
ছিলেন? ঐতিহাসিকরা বলে থাকেন, আবদুর রহমান দাখিল না হলে, আন্দালুসে ইসলাম
অনেক আগেই সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যেতো।
.
আমাদের জানা দরকার
আবদুর রহমান নাসের কে ছিলেন? তিনি তো ছিলেন মধ্যযুগে ইউরোপের সবচেয়ে বড়
বাদশাহ। আমাদের জানা আবশ্যক, তিনি কিভাবে এত উঁচু স্তরে আরোহণ করতে পারলেন।
কিভাবে তিনি তার যুগের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শক্তিতে পরিণত হয়েছিলেন।
.
আমাদের
জানা দরকার, ইউসুফ বিন তাশাফীন কে ছিলেন? তিনি কেমন সেনাপতি ছিলেন, কেমন
খোদাভীরু ছিলেন। কতটা শরীয়তের পাবন্দ ছিলেন। তিনি সুদূর আফ্রিকার গহীনতম
কোনে থেকেও, এমন অসাধারণভাবে বেড়ে উঠেছিলেন? এই কালো মানিকের মনে জিহাদের
প্রতি এমন প্রবল ভালোবাসা-ই-বা কিভাবে তৈরী হলো?
.
আমাদের জানা
দরকার অবিস্মরণীয় ‘যাল্লাকাহ’ প্রান্তরের লড়াইয়ের কথা। এই লড়াইয়ে হেরে গেলে
মুসলমানদেরকে আরও কয়েক শত বছর আগেই আন্দালুস থেকে বিলুপ্ত হয়ে যেতে হতো।
.
আমাদের জানা দরকার আবু বকর উমার লামতুনীর কথা। এই মহান মুজাহিদের হাত ধরে আফ্রিকার পনেরটারও বেশি দেশ ইসলামের ছায়াতলে এসেছিল।
.
আমাদের
জানা দরকার আবু ইউসুফ ইয়াকুব মানসুরকে। যিনি চির অম্লান ‘আরাক’ যুদ্ধের
মূল নায়ক। মুসলমানদেরকে অতুলনীয় বিজয় এনে দেয়া বীর। খ্রিস্টানদের বিষদাঁত
ভেঙে দেয়া সিপাহসালার।
.
আমাদের জানা আবশ্যক মুরাবিতীনদের কথা। তাদের ইসলামী রাষ্ট্রের কথা। কিভাবে সেটা শূন্য থেকে পুণ্যতে পৌঁছল?
.
আমাদের জানা আবশ্যক মুয়াহহিদীনদের কথা। তাদের প্রতিষ্ঠিত ‘দাওলাহ’র কথা।
.
আমাদের
জানা দরকার মসজিদে কুরতুবার কথা। যেটাকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ মসজিদ হিশেবে
বিবেচনা করা হতো। কিভাবে মুসলমানদের এই মহান নিদর্শনকে গীর্জায় রূপান্তরিত
করা হলো?
.
আমাদের জানা দরকার ইসাবেলিয়ার অনুপম মসজিদটির কথা।
.
আমাদের জানা থাকা দরকার কুরতুবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা। পুরো বিশ্ব থেকে ভেঙে পড়া জ্ঞানার্থীদের কথা।
.
আমাদের জানা দরকার উমাইয়া পাঠাগারের কথা। এতবড় পাঠাগার কিভাবে গড়ে উঠলো?
.
আমাদের জানা দরকার যাহরা প্রাসাদের কথা। জানা দরকার যাহরা শহরের কথা।
.
আমাদের জানা দরকার হামরা প্রাসাদের কথা। তার অনিন্দ্য সৌন্দর্যের কথা।
.
পাশাপাশি
জানা দরকার ‘ইকাব’ যুদ্ধের কথা। এই যুদ্ধে মুসলমানদের সংখ্যা-শক্তি বেশি
থাকা সত্ত্বেও পরাজিত হয়েছিল। যেন হুনাইনের খন্ডচিত্র ক্ষণিকের জন্যে ফিরে
এসেছিল। ঐতিহাসিকরা লিখেছেন:
-ইকাব যুদ্ধের পর আন্দালুসে যুদ্ধ করতে সক্ষম কোনও যুবকের দেখা মিলত না। এতটা বিপর্যয় ঘটেছিল।
.
আমাদের জানা আবশ্যক কিভাবে আন্দালুসের পতন হয়েছিল। পতনের কারণগুলো কী কী?
.
এটাও
জানা দরকার, আন্দালুসে ইসলামের সূর্য ডোবার পর কোথায় উদিত হয়েছিল? জানা
দরকার আন্দালুসে সেই অপসৃত সূর্য একই সময়ে কিভাবে ‘কনস্টান্টিনোপল’ বিজয়ের
মধ্য দিয়ে উসমানি খিলাফতে উদিত হয়েছিল?
.
আমাদের জানা দরকার ‘ভ্যালেনসিয়া’ শহরের সেই রোমহর্ষক গণহত্যার কথা। যেখানে এক দিনেই ষাট হাজার মুসলমানকে হত্যা করা হয়েছিল।
.
আমাদের
জানা দরকার ‘উব্বাযাহ’ হত্যকান্ডের কথা। যেখানে ভ্যালেনসিয়ার মতো
মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছিল। একদিনেই ষাট হাজার নিরীহ মুসলমানকে
শহীদ করে দেয়া হয়েছিল।
.
আমাদের জানা দরকার ‘বারবুশতার’ গণহত্যার
কথা। যেখানে এক দিনেই চল্লিশ হাজার বনী আদমকে শহীদ করে দেয়া হয়েছিল। কিভাবে
সাত হাজার মুসলিম কুমারীকে বন্দী করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
= ইতিহাস একই ভাবে আবার ফিরে আসে। আমাদের জানা দরকার কিভাবে বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটলো?
.
আমরা
যদি এসব ইতিহাস জানি, মুসলমানদের কোমরভাঙ্গা অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর
কথাও জানি, তাহলে আজ, বর্তমানেও কিভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হবে, সেটা জেনে যাব।
.
আমরা চেষ্টা করবো, প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে দেখতে। রাব্বে কারীম আমাদেরকে তাওফীক দান করলে কিছুই অসম্ভব নয়। ইনশাআল্লাহ।
দ্বিতীয় পর্ব
দিনলিপি-১৮৬
(১০-০৫-২০১৫)
স্পেনের ইহুদি
স্পেন সম্পর্কে ছয়টা কথা:
এক: বর্তমান স্পেন রাষ্ট্রটির ভিত দাঁড়িয়ে
আছে একটি ‘শহীদ’ মুসলিম খিলাফাহর ওপর। একটি জান্নাতের ওপর। একটি হারানো
স্বর্গের ওপর। সেই বাগানটির নাম ছিল আন্দালুস।
.
দুই: স্পেন আমাদের
শহীদ সালতানাত দখল করে আছে। কিন্তু আরেকটি মুসলিম দেশও দখল করে আছে, যা
আমাদের অজানা। দেশটির নাম মরক্কো। মরক্কোর বড় বড় তিনটা দ্বীপ তারা দখল করে
রেখেছে। সাবতা, মালীলিয়াহ আর জা‘ফরীয়াহ।
.
তিন: স্পেনেই সবার আগে ক্রুশেডের আগুন জ্বলে উঠেছে। ইসলাম ও মুসলমানের বিরুদ্ধে তারাই প্রথম খ্রিস্টবাদের ধ্বজা তুলে ধরে।
.
চার:
স্পেন এমন একটা দেশ, যার প্রায় প্রতিটি গীর্জাই কোনও কোনও মসজিদের ওপর
দাঁড়িয়ে আছে। অসংখ্য শহীদ মসজিদের ওপর বাজে আজ চার্চের ঘণ্টা।
.
পাঁচ:
স্পেনই বিশ্বে প্রথম ‘এথনিক ক্লিনজিং’ (জাতিশুদ্ধি) আবিষ্কার করে। পুরো
মুসলিম উম্মাহকে তারা নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়ে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান
চালায়। প্রায় দুই শতক ধরে। ধারাবাহিক ভাবে।
.
ছয়: স্পেনের প্রাচীন
অধিবাসীরা ছিল ‘আইবেরীয় জাতি’র অন্তুর্ভুক্ত। ইসলাম স্পেনে আসার পর,
আইবেরীয়রা সবাই ইসলাম গ্রহণ করেছিল। বর্তমানে স্পেনে কোনও স্থানীয় অধিবাসী
নেই। এখানকার অধিবাসীদেরকে নিমূল করে দেয়া হয়েছে। মুসলিম হওয়ার অপরাধে।
যারা এখন স্পেনে আছে, তারা ইউরোপের বিভিন্ন জাতির সংমিশ্রণে গড়ে ওঠা সংকর
একটা জাতি।
= আইনত এদের স্পেনে থাকার কোনও অধিকার নেই। এরা বহিরাগত।
--------------------------------------------
ড. খালিদ ইউনুস। তিনি একজন বিশিষ্ট গবেষক। তার একটা কিতাব আছে। স্পেনে মুসলিম শাসনাধীনে ইহুদি।
ড. খালিদ চমৎকার লিখেছেন। তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন, ইহুদীরা কত আরামে, কত আয়েশে আন্দালুসে থাকতো। সামান্য কয়েকটা দিক তুলে ধরা যাক:
এক:
স্পেনে বসবাস কালে ইহুদিরা তাদের স্বকীয় চেতনার বহিঃপ্রকাশ করার সুযোগ লাভ
করেছিল। স্বাধীনভাবে জ্ঞানচর্চার পরিবেশ পেয়েছিল। পরম নিশ্চিন্তে বসবার
করার যাবতীয় উপায়-উপকরণ হাতের নাগালেই ছিল। ইহুদীদের জ্ঞানচর্চা বিশেষ করে
দর্শন ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে তারা অত্যন্ত দক্ষতা অর্জন করেছিল।
.
ইহুদীরা
শুধু যে তাদের ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই দর্শনচর্চা করতো তা নয়, তারা মুসলিম
দর্শন দ্বারাও ব্যাপকভাবে প্রভাবিত ছিল। ইয়াহুদা হালিফী ছিলেন এমন একজন
দার্শনিক। তিনি তার বিখ্যাত রচনা কিতাবুল হুজ্জাহ-তে ইমাম গাজ্জালীর রীতি
অনুসরণ করেই দার্শনিকদের অনেক ভুলত্রুটির সমালোচনা করেছিলেন।
.
আন্দালুসে
প্রায়ই বিভিন্ন বিষয়ে বিতর্ক হতো। সে বিতর্কে সব ধর্মের পন্ডিতগনই
অংশগ্রহণ করতেন। স্বাধীনভাবে যে যার ধর্মের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরতেন।
এসব বিতর্ক আরবী ভাষাতেই হতো। সব ধর্মাবলম্বীরাই আরবী ভাষায় ব্যুৎপত্তি
অর্জন করতেন।
মুসলমানদের সাথে ইহুদিদের এই উন্মক্ত বাহাস করা থেকেই প্রমাণ হয়, তারা কতোটা চিন্তার স্বাধীনতা ভোগ করতো।
এমনি
এক বিখ্যাত মুনাযারা হয়েছিল ইবনে হাযম (৯৯৪-১০৬৩) এবং ইসমাঈল বিন নাগদিলার
মধ্যে। ইবনে হাযম (রহ.) সে বিতর্কে ইহুদি ধর্মের অসারতা স্পষ্ট ভাষায় তুলে
ধরেছিলেন।
পরে একটা স্বতন্ত্র কিতাবও রচনা করেছিলেন। সেখানেও ইহুদি
ধর্মের ভ্রান্তির বিভিন্ন দিক ও ইসমাঈল বিন নাগদিলার সাথে হওয়া মুনাযারার
বিবরণও ছিল।
.
আন্দালুসের ইহুদিরা চিকিৎসাবিদ্যাকে বেশি গুরুত্ব
দিতো। কারণ এটাই ছিল সে সময় শাসক এবং ক্ষমতাবাণদের কাছাকাছি যাওয়ার
সংক্ষিপ্ত পথ। এর সাহায্যে তারা বড় বড় সরকারী পদেও আসীন হতো।
= আসলে
ইহুদিরা সব সময় বেশ সংঘবদ্ধভাবেই ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করে এসেছে।
তাদের ষড়যন্ত্র প্রকাশ পেয়ে গেলে তারা চরম নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আর
প্রকাশ না পেলে অন্যদের মাথায় চেপে বসেছে।
এটা আমরা সেই প্রাচীন কাল থেকেই দেখে আসছি। নবীজি (সা.) এর যুগেও এমনটা ছিল।
.
আন্দালুসে
ইসলাম প্রবেশের সময় হিব্রু ভাষা ছিল অত্যন্ত অবহেলিত। বেশিরভাগ ইহুদীই
তাওরাতের ভাষ্য বুঝতে পারতো না। তাদের সিনাগগে মূল তাওরাতের বদলে আরামীয়
ভাষায় অনূদিত তাওরাত পড়া হতো।
আন্দালুসে ইসলামের আগমনের পর, ইহুদীরা
মুসলমানদের সংস্পর্শে এল। আরবী ভাষার সংস্পর্ষে এল। আরবী ভাষার ব্যাকরণ
(নাহু-সরফ) শিখল। তারা দেখল মুসলমানরা কিভাবে আরবী চর্চা করে। আরবরা তাদের
ভাষাকে কতোটা ভালোবাসে। তাদের কুরআনকে কী পরিমাণে শ্রদ্ধা করে।
.
তারাও উদ্বুদ্ধ হলো। হিব্রু ভাষাচর্চা শুরু করলো। আরবী ব্যাকরণের মতো হ্রিব্রু ভাষার জন্যেও ব্যাকরণ প্রণয়ন করলো।
অবশ্য
হিব্রু ভাষার ব্যাকরণের উৎপত্তি ঘটে ইরাকে। সা‘দিয়া বিন ইউসুফ (৮৯২ খি:)
এর মাধ্যমে। তবে হিব্রু ভাষার বিকাশ ও উৎকর্ষতা আসে আন্দালুসে।
মানাহীম
বিন সারূক (৯১০-৯৬০ খি:)। ইনিই সর্বপ্রথম হিব্রু অভিধান প্রণয়ন করেন।
মুহাবরীত। এই অভিধানে বাইবেলের সমস্ত শব্দই আনা হয়েছিল। মধ্যযুগে ইউরোপের
ইহুদীরা এই অভিধানের সাহায্যেই হিব্রুচর্চা করতো।
.
স্পেনে অষ্টম
উমাইয়া খলীফা ছিলেন আবদুর রাহমান নাসির (তয়)। তার একজন উযীর ছিলেন হাসদাই
বিন শাবরূত। মানাহিম বিন সারূক এই উযীরের প্রধান সেক্রেটারী ছিলেন।
.
মুসলমানদের
আশ্রয়ে বেড়ে ওঠে, মুসলমানদের খেয়ে পরে, আজ মুসলমানদের নিধনে সর্বশক্তি
ব্যয় করেছে এই অভিশপ্ত জাতিটা। বাংলা প্রবাদবাক্যই ওদের জন্যে শতভাগ
উপযুক্ত:
= তোমারে বধিবে যে, গোকূলে বাড়িছে সে।
.
কোনও ক্ষমতাই চিরদিন থাকে না। টেকে না। স্থায়ী হয় না। সেটা বাংলাদেশে হোক আর রাশিয়াতে হোক আর আমেরিকায় হোক আর ইসরাঈলেই হোক।
.
ইসরাঈলের পতন আর বেশিদিন নেই। ঘনিয়ে এসেছে। সন্নিকটে। অতি নিকটে। একটা হিশেব কষি:
=
আমরা যদি অতীত পানে তাকাই, দেখবো, মিসরের শী‘আ সালতানাত উবাইদী (ফাতেমী)
বিলুপ্ত হয়েছিল শাম (সূরিয়া)-এর দিক থেকে আসা মুজাহিদ (সালাহুদ্দীন
আইয়ুবী)-এর মাধ্যমে।
= বায়তুল মাকদিস মুক্তির সূচনা হয়েছিল শামে।
= এ থেকে বোঝা যায়, বায়তুল মুকাদ্দাসের নাড়ী ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে শাম (সূরিয়া)-এর সাথে।
= সুতরাং দিমাশক জয় না হলে, আলকুদস জয় হবে না।
= জামে‘ উমাবী জয় না করলে আল-আকসা জয় করা যাবে না।
=
বর্তমান ও অতীতের সিরীয় শাসকদের হাতে যত ফিলিস্তীনি মুহাজির শহীদ হয়েছে,
তার সংখ্যা ইসরাঈলের ইহুদিদের হাতে শহীদ হওয়া ফিলিস্তীনিদের চেয়ে কোনও অংশে
কম নয়।
= এজন্যই দিমাশক জয় করলে শুধু বায়তুল মুকাদ্দাস নয়, নিরীহ উদ্বাস্তু ফিলিস্তীনিরাও মুক্তি পাবে।
------------------------------------------
আর এটা কি বলে দিতে হবে:
= কালিমাখচিত কালো পতাকা তিনদিক থেকে দিমাশকের ঘাড়ে তপ্ত নিঃশ্বাস ফেলছে!
= ইয়া আকসা! আমরা আসছি। দিমাশকের পরপরই। আর বেশিদিন নেই।
= সাবরান ইয়া আকসা! নাহনু হাদিরূন।
= লাব্বাইক ইয়া আকসা! লাব্বাইক! লাব্বাইক!
তৃতীয় পর্ব
দিনলিপি-১৯০
(১৪-০৫-২০১৫)
ইসলামপূর্ব আন্দালুসের অবস্থা।
নামকরণ:
-----------------
তখনকার স্পেনে কিছু বর্বর গোত্র বাস
করতো। এরা মূলত স্পেনে এসেছিল উত্তরের স্ক্যান্ডেনিভিয় দেশ সুইডেন,
ডেনমার্ক, নরওয়ে ইত্যাদি দেশ থেকে।
এরা বর্বরের মতো এসে, স্পেনের ভূমি দখল করে বাস করতে শুরু করেছিল। কারো কারো মতে এরা এসেছিল জার্মানি থেকে।
এই
উদ্বাস্তু নব আগন্তুক অভিবাসীদেরকে ভ্যান্ডাল নামে ডাকা হতো। এদের নামের
সাথে মিলিয়েই স্পেন ‘ভ্যান্ডালেসিয়া’ নামে পরিচিতি পেতে থাকে। আস্তে আস্তে
পরিবর্তিত রূপ দাঁড়ায় আন্দুলীসিয়া তারপরে আন্দালুস।
.
এ ভ্যান্ডাল
গোত্রগুলো ছিলে অত্যন্ত অসভ্য-বর্বর। ইংরেজিতে ভ্যান্ডাল শব্দের অর্থও তাই।
ভ্যান্ডালরা ছিল যাযাবর। এক জায়গায় বেশিদিন স্থির হয়ে থাকতো না। তারা
আন্দালুস ছেড়ে চলে গেলো। তাদের পরে অন্য খ্রিস্টান জাতি স্পেনের
শাসনক্ষমতায় এল, তাদেরকে বলা হতো গথ। মুসলমাদের সাথে এই গথিকদেরই য্দ্ধু
হয়েছে।
.
আমরা আন্দালুস হিশেবে যে দেশকে চিনি-জানি, সেটা শুধু আজকের
স্পেনই নয়, বর্তমানের পর্তুগালও আন্দালুসের অন্তুর্ভূক্ত ছিল। পুরো
অঞ্চলটাকেই বলা হতো: আইবেরীয় উপদ্বীপ। আয়তন প্রায় ছয় লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
আইবেরিয়
উপদ্বীপ ইউরোপের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। অনেকটা ত্রিভূজাকৃতির। পূর্বদিকে
ক্রমশ সংকীর্ণ হতে হতে কোণের সৃষ্টি হয়েছে। পশ্চিম দিকে ক্রমশ প্রশস্ত।
মরক্কো
থেকে বার কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। দুই দেশের মধ্যে ছোট্ট একটা
প্রাণালী। জিব্রাল্টার প্রণালী। যার মূল উচ্চারণ হলো: জাবালুত তারিক। তারিক
বিন যিয়াদ (রহ.) নামে।
পিরেনিজ পর্বতমালা আন্দালুস এবং ফ্রান্সের মাঝে অন্তরায় হয়ে আছে। এই পর্বতশ্রেণী পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় তিনশত মাইল বিস্তৃত।
আন্দালুসের
ভূমধ্যসাগর পূর্ব এবং দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে বেষ্টন করে আছে। দক্ষিণ
পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে বেষ্টন করে আছে আটলান্টিক মহাসাগর। অর্থাৎ
তিনদিক থেকেই আন্দালুস পানি দিয়ে বেষ্টিত। আরব ঐতিহাসিকগণ এজন্য আন্দালুসকে
জাযীরায়ে আন্দালুস বলতো।
.
পিরেনিজ পর্বতমালার কারণে, ওপর থেকে
দেখলে মনে হয়, আন্দালুস ইউরোপ থেকে মুখ ফিরিয়ে আছে আর মরক্কোর দিকে মুখ করে
আছে। এজন্য আরব ভূগোগবিদগন আন্দালুসকে আফ্রিকা মহাদেশের একটি বর্ধিতাংশ
বলেই ধরে এসেছেন। তদুপরি, আন্দালুসের ভৈৗগলিক অবকাঠামো, প্রাণীবৈচিত্র্য,
উদ্ভিদরাজি বাহ্যিকভাবে অনেকটাই আফ্রিকার মতো।
.
দু’টি প্রশ্ন মনে আসে:
এক: মুসলিম বিজয়ের প্রাক্কালে স্পেনের অবস্থা কেমন ছিল?
দ্ইু: মুসলমানরা কেন স্পেনে অভিযান পরিচালনা করলেন?
.
প্রথমে দেখা যাক স্পেনের অবস্থাটা। আমরা চারটা দৃষ্টিকোন থেকে অবস্থাটা বিবেচনা করি:
ক: সামাজিক
খ: রাজনৈতিক
গ: অর্থনৈতিক
ঘ: ধর্মীয়
.
সামাজিক
অবস্থা: মুসলমানদের আগমনের পূর্বে, স্পেনের বেশ কিছু শ্রেণী ছিল। মূলত ছিল
দুইটা শ্রেণী। ক্ষমতাবান আর ক্ষমতাহীন। এছাড়া বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে:
১: শাসকশ্রেণী। এরা বলতে গেলে, দেশ ও দশের জানমালের মালিক ছিল। গীর্জা ছাড়া অন্য কারও তাদের সামনে মুখ খোলার সাহস হতো না।
২: যাজক সম্প্রদায়। তারা ছিল খুবই শক্তিশালী। নাগরিক নানা
সুযোগ-সুবিধাপ্রাপ্ত। গথ রাজারা ছিল ধার্মিক। তাদের ওপর পুরোহিতশ্রেণীর বেশ
প্রভাব ছিল। রাজাদের বদান্যতায় যাজক সম্প্রদায় অঢেল ধন-সম্পদের মালিক ছিল।
৩: সামন্ত রাজা বা জমিদারশ্রেণী। এদের কাজ ছিল রাজার ভোগ-বিলাসের উপায়-উপকরণ যোগান দেয়া।
৪: মধ্যবিত্ত শ্রেণী। এই মধ্যবিত্ত শ্রেণীরা ছিল মূলত ভূস্বামী। তারা
অনূর্ধ্ব এক একর জমির মালিক হতে পারত। এই জমি ছিল হাস্তান্তরের অযোগ্য।
অন্য কাউকে দান করতে পারতো না। বিক্রী করতে পারত না।
খরা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টির কারণে শস্য উৎপন্ন না হলেও নিয়মিত কর ঠিকই আদায় করতে হতো।
৫: ভূমিদাস ও ক্রীতদাস। এরা ছিল সমাজের সবচেয়ে নি¤œশ্রেণী। ভূমিদাসকেরকে
বলা হতো সার্ফ। এরা ঠিক দাস নয়, তবে এরা হলো মধ্যবিত্ত ও জমিদারদের
মালিকানাধীন জমি-জিরেতের বাঁধা চাষী। এই শ্রেণী বিয়েশাদী করতে পারতো।
আর দাসেরা ছিল পুরো বন্দী। তাদের স্বাধীন কোনও জীবন ছিল না। বিয়েশাদীও নিজ থেকে করতে পারত না।
রাজনৈতিক অবস্থা:
----------------
১: রাজপরিবারের
অন্তর্কোন্দল: তখন শাসক পরিবারে ছিল প্রচন্ড অন্তর্কোন্দল। রাজা ছিল
রডারিক। সে তার পূর্ববর্তী রাজা উইটিজাকে হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে।
উইটিজার পুত্র ওয়াচিলাকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তখন থেকেই দেশের মধ্যে
চাপা অসন্তোষ শুরু হয়।
২: রাজাদের কাজ ছিল একটা, প্রজাদের কাছ থেকে কর সংগ্রহ করা। তাদের
করভারে প্রজারা পর্যুদস্ত। প্রজারা মনে মনে রাজাদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছিল।
৩: স্পেনে একটা প্রথা ছিল, সামন্ত রাজা ও জমিদারদের পুত্র-কন্যাদেরকে
রাজার কাছে জিম্মী হিশেবে রাখা হতো। এ নিয়েও ক্রমে ক্রমে চাপা ক্ষোভ জমছিল।
এমনি এক রাজা উইটজার-এর কন্য ফ্লোরিন্ডা ছিল রাজা রডারিকের কাছে
জিম্মী। রডারিক তার সাথে দুর্ব্যবহার করে। এটা নিয়েও একটা বিক্ষোভ সৃষ্টি
হয়।
৪: গথিক রাজারা ছিল অনেক ক্ষেত্রে যাজক দ্বারা প্রভাবিত। গীর্জার
স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে অনেক সময় রাজারা যাজকদের ক্রীড়নকে পরিণত হয়ে
পড়তেন।
৫: দক্ষ সেনাবাহিনীরও অভাব ছিল। বহিঃশত্রুর আক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্যে রাজার পর্যাপ্ত সামরিক শক্তি ছিল না।
অর্থনৈতিক অবস্থা:
-------------
১: রাজাদের মূল আয়ই ছিল প্রজাদের কর। নানাভাবে শোষণ করেই কর আদায় করা হতো।
২: সেচ ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার কারণে কৃষিকাজও অতটা সবল-সচল ছিল না। রাজাদের উদাসীনতাই মূলত দায়ী।
৩: পশুপালনও ছিল অনেকের জীবিকার অন্যতম ভিত্তি।
৪: যাতায়াত ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে মারাত্মক
মন্দাভাব নেমে আসে। নিরাপত্তার অভাবে কেউ ব্যবসার প্রতি আগ্রহ বোধ করতো না।
ধর্মীয় অবস্থা:
---------
১: স্পেনে ছিল খ্রিস্ট ধর্মেরই
প্রাবল্য। ইহুদিরা ছিল চরম অবহেলিত। নির্যাতিত। ৬৯৪ সালের দিকে পরিচালিত এক
গণহত্যায় বিপুল সংখ্যক ইহুদিকে হত্যা করা হয়।
গথিক রাজা সিসিবুথ প্রায় নব্বই হাজার ইহুদিকে খ্রিস্টধর্মে জোরপূর্বক দাখিল করে।
মোটকথা পুরো স্পেনই ছিল ধর্মীয় জবরদস্তি আর অত্যাচারের দেশ।
.
পুরো
অবস্থা ও পরিস্থিতি বিবেচনা করলে দেখা যায় ও বোঝা যায়, স্পেন তখন নতুন
কিছুর অপেক্ষায় প্রস্তুত। পরিবর্তনের জন্যে উন্মুখ। অধীর। একটু নাড়া দিলেই
হবে, টুপ করে পাকা ফল এসে কোলে পড়বে। জনগন সাড়া দিবে।
.
আমাদের পরের বিষয় হলো:
--- মুসলমারা স্পেনে কেন গেলেন?
চতুর্থ পর্ব
দিনলিপি-৩১০ (০৭-০৯-২০১৫)
মরিস্ক-সিরিয়ান
------
ইউরোপ হঠাৎ দয়ালু হয়ে উঠেছে। ব্যাপারটা সুবিধের ঠেকছে না। তাদের মানবতাবোধ হঠাৎ করে চড়চড় করে বেড়ে গেল?
= ইরাক, আফগানিস্তান, বসনিয়া-হার্জেগোভিনাতে যখন লাখ-লাখ শিশুকে হত্যা করা হয়েছিল তখন তাদের মানবতার এই ‘ফেক আইডি’ কোথায় ছিল?
.
= ইরাকে-আফগানিস্তানে- বসনিয়াতে যখন হাজার-হাজার পরিবার উদ্বাস্তু হয়েছিল, তখন তাদের মানবিকতা কোথায় ছিল?
.
= তারা যখন মুসলিম দেশসমূহে আগ্রাসন চালায়, শহরকে শহর বিধ্বস্ত করে দেয়, তখন তাদের দয়াবোধ কোথায় থাকে?
.
= ন্যাটো জোট দিয়ে যখন নির্বিচারে বোমা বর্ষণ করা হয়, মুসলিম জনপদগুলোতে, তখন তাদের সভ্যতা কোথায় থাকে?
.
=
তারা বলে, প্রতিবেশিরা সিরিয়ানদেরকে জায়গা দিচ্ছে না। এটা চরম মিথ্যা।
তারা এটা কেন ভুলে যায়, অসংখ্য সিরিয়ান মিসরে আশ্রয় নিয়েছে, সৌদিতে আশ্রয়
না নিলেও, তারা শুরু থেকেই সাহায্য করে আসছে সেই কবে থেকে, যদিও বিষয়টা
স্বার্থের কারণেই করছে।
জর্দান-মরক্কো-সুদান-তূনিস-জাযায়ের-লুবনান-মিসর-তুরস্কেও অগণিত সিরিয়ান
আশ্রয় নিয়েছে।
.
তবে হ্যাঁ, একটা কথা বলা যায়, তেলসমৃদ্ধ একটা দেশও
উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দিতে এগিয়ে আসে নি। সৌদি, আবুধাবি-দুবাই, কুয়েত, কাতার
এদের কেউই সরাসরি এগিয়ে আসেনি।
.
ইউরোপ যেভাবে বলছে, মুসলিম শাসকরা
সিরিয়ানদেরকে মোটেও আশ্রয় দেয়নি, এটা ডাহা মিথ্যা। তবে হাঁ, আরব
রাষ্ট্রগুলো চাইলে, বিশেষ করে সৌদি চাইলে, একাই সিরিয়ানদের সমস্যা সমাধান
করতে পারে। তাদেরকে আশ্রয় দিতে পারে। তারা এটা করে নি। তারা তাদের কল্পিত
সীমাকে নিজেদের দেশ বলে ধরে নিয়েছে।
.
ইউরোপ যতই দরদ দেখাক,তারা
আদতেই ইসলাম ও মুসলমানকে পছন্দ করে না। তারা মূলত খ্রিস্টান বানানোর জন্যেই
এটা করছে। এবং প্রাপ্ত খবরে দেখা গেছে, তারা ইতিমধ্যে উদ্বাস্তুদেরকে
খ্রিস্টান বানানোর কাজ শুরুও করে দিয়েছে।
.
স্লোভাকিয়া তো সরাসরি ঘোষণাই দিয়ে বসেছে, তাদের দেশে শুধু খ্রিস্টানরাই আশ্রয় নিতে পারবে।
.
.
কেমন হতো, এবার হাজীরা যারা নফল কুরবানী করবেন, তাদের টাকাটা সংগ্রহ করে, সিরিয়ানদের জন্যে ব্যয় করা হলে!
.
কেমন
হতো, যদি আরব দেশগুলো তাদের খালি পড়ে থাকা বিরান মরুভূমিতে সিরিয়ানদের
আশ্রয় দিতো। সারা বিশ্ব থেকে সাহায্য নিয়ে, সিরিয়ানদের মাঝে বিলিয়ে দিতো।
.
কেমন হতো, আরব দেশগুলো তাদের দেশ থেকে অমুসলিম প্রবাসী শ্রমিকদের বের করে, সিরিয়ানদেরকে চাকুরি দিতো?
.
.
ইউরোপের
এত অভিনয় না করে, শুধু একটা কাজ করলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।
নিমেষেই। তারা বাশশার আসাদকে গোপন সমর্থন দান বন্ধ করে দিলেই হয়।
.
বাশশার
সুন্নী মুসলমানদের ওপর যে অকথ্য নির্যাতন চালাচ্ছে, তার সামনে ইসরাঈলের
এরিয়েল শ্যারন, মোশে দায়ান, নেতানিয়াহুর সম্মিলিত পাপও নস্যি।
.
.
আজকের সিরিয়া আর অতীতের আন্দালুসের মাঝে খুব একটা পার্থক্য নেই।
.
মরিস্ক মুসলমান:
তারা অতীতে স্পেন থেকে কোনও রকমে জান নিয়ে পালিয়ে এসেছিল। ক্যথলিক ধর্মান্ধদের ইনকুইজিশন (ধর্মীয় আদালত) থেকে বাঁচতে।
.
সিরিয়ান:
আজ সিরিয়ানরা আরব শাসকদের থেকে পালিয়ে ইউরোপে যাচ্ছে।
.
= দুইটা অদ্ভুত মিল লক্ষ্যণীয়:
ক:
মরিস্ক ও সিরিয়ান, উভয়দলকেই কিন্তু জীবন বাঁচানোর জন্যে ভূমধ্যসাগর পাড়ি
দিতে হয়েছে। মরিস্করা ইউরোপ থেকে পাড়ি দিয়ে আরবে এসেছিল, আর সিরিয়ানরা আরব
থেকে পাড়ি দিয়ে ইউরোপ যাচ্ছে।
.
খ: আগেও মুসলিম শাসকরা কার্যকরভাবে
মরিস্ক মুসলমানদের বাঁচাতে এগিয়ে আসে নি। এখনো মুসলিম শাসকরা সিরিয়ানদেরকে
বাঁচাতে এগিয়ে আসছে না।
জীবনের প্রয়োজন!
--
.
বিজেতা/আশ্রিতা
---
= মুসলমানরা ছিলো ইউরোপের বিজেতা। এখন হয়ে পড়েছে ইউরোপের আশ্রিতা। কেন এমন হলো?
.
= মুসলমানরা ইউরোপ বিজয়ের সূচনা করেছিল, সেকালের সিরিয়া থেকে। আজ আবার সেই সিরিয়ানরাই ইউরোপে আশ্রয় নিতে হচ্ছে। কেন এমন হলো?
.
= আন্দালুসের পতন হয়েছে ১৪৯২ সালে। এটা শুধু একটা ঘটনা ছিল না। সাথে সাথে জন্ম দিয়েছিল অসংখ্য ঘটনার:
(১): আন্দালুস পতনের সাথে সাথে পতন হয়েছিল, মুসলমানদের স্বর্ণযুগের।
.
(২): আইবেরীয় উপসাগর, ভূমধ্যসাগরের একচ্ছত্র মুসলিম আধিপত্য শেষ হয়ে গিয়েছিল।
.
(৩):
বিশ্বে ছিল একটাই পরাশক্তি। এখন শক্তি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। আগে
শুধু মুসলানরাই বিশ্বশক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। এখন স্পেন-পর্তুগালকে
ঘিরে ক্যাথলিকদের একটা শক্তিজোট, আরেকটা উসমানী খলীফাগনের শক্তিজোট।
.
(৪):
বিশ্বে নতুন একটা পরিভাষ চালু হয়েছিল। মরিস্ক। স্পেনের বাকী থাকা মুসলিম
বা ধর্মান্তরিত খ্রিস্টানদেরকে মরিস্ক বলা হতো। ১৬০৯ সালে স্পেনস¤্রাট
তৃতীয় ফিলিপ ঘোষনা দিয়েছিল:
-দেশ থেকে সমস্ত মরিস্ককে তাড়াতে হবে। তাদেরকে এদেশে থাকতে দেয়া হবে না।
.
(৫): পাশাপাশি ‘আধুনিক যুগ’ পরিভাষাটাও তখন থেকে প্রবর্তিত হয়েছিল।
.
(৬): ইউরোপ ব্যাপক হারে,তাদের দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীকে খ্রিস্টান বানাতে শুরু করে।
.
(৭):
ছিল একটা মুসলিম খিলাফাহ। সেখান থেকে মুসলমানদেরকে উৎখাত করার পর, পোপ
একটা রাষ্ট্রকে দুই ভাগে বিভক্ত করে দিয়েছিল: স্পেন ও পর্তুগাল।
.
(৮):
স্পেনের কাশতালা রাজ্যের খ্রিস্টান শাসক প্রথম বারের মতো মুসলিম বিতাড়ন ও
ইসলামের বিরুদ্ধে শত্রুতার রাজনীতি শুরু করেছিল, কালক্রমে সেটা বড় বড় হতে
১৯৪৮ সালে ফিলাস্তীনে ইহুদিদের হাতে এসে পূর্ণতা পেয়েছে।
আশ্চর্যের
বিষয় হলো, তখন কিন্তু স্পেন থেকে মুসলমানদের পাশাপাশি ইহুদিদেরকেও তাড়ানো
হয়েছিল। তারাও চরম নির্যাতন সয়ে বিতাড়িত হয়েছিল। সেই তারাই আরেকটা দেশের
জবরদখল নিয়ে ভূমিপুত্রদেরকে ভিটেমাটিছাড়া করেছিল।
.
(৯): স্পেনের
মতো হুবহু ঘটনা ঘটেছে ২০০৩ সালে ইরাকে। সুন্নী মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল
সেখানে। বাগদাদে। মার্কিন আগ্রাসনের পর, সুন্নীরা সেখানে হয়ে পড়েছে দুর্বল।
এখন অবশ্য আবার অবস্থা পাল্টাচ্ছে। সিরিয়াতেও সুন্নীরা ছিল শক্তিশালী।
হাফেজ আল আসাদ ক্ষমতা দখল করে, সুন্নীদেরকে বানিয়ে দিয়েছিল দ্বিতীয় শ্রেণীর
নাগরিক।
.
(১০): ২০১১ সালে আবার ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলো। যেমনটা
ঘটেছিল স্পেনে। দামেশকে সুন্নীদের ওপর নেমে এল চরম নির্যাতন। তারা ঘরবাড়ি
ছেয়ে সরে পড়তে শুরু করলো। প্রতিষ্ঠিত হলো ইরানি-সাফাভি আধিপত্য। আলাভী
শী‘আদের অভয়ারণ্য।
.
(১১): আন্দালুসের মুসলমানরা শিকার হয়েছিল নির্যাতন আর খ্রিস্টানকরনের, আর এখন সুন্নীরা শিকার হচ্ছে, শী‘আকরনের।
.
(১২):
আন্দালুসের মুসলমান আর সিরিয়ানদের মধ্যে বড় একটা পার্থক্যও আছে,
আন্দালুসীয়রা সাগর পেরোলেই একটা নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছিল। কিন্তু এখনকার
সিরিয়ানরা সাগর তো দূরের কথা, সামান্য হেঁটে সীমান্ত পার হয়েও কোনও আশ্রয়
পাচ্ছে না।
.
.
ওলামায়ে সূ:
-----------
এত কিছুর পরও,
কিছু কিছু সিরিয়ান ও আরবের পোষা আলেম, ফতোয়া দিয়ে থাকেন, শাসক যেমনই হোক,
তাদের বিরুদ্ধে বের হওয়া ঠিক নয়। তারা স্বপক্ষে উদ্ধৃতি দেয় ইমাম আহমাদ বিন
হাম্মলের (রহ.)। তিনি নাকি শাসকের বিরুদ্ধে বের না হওয়ার ব্যাপারে ফতোয়া
দিয়েছিলেন।
.
আমরা বলবো:
এক: ইমাম আহমাদ (রহ.) এর সব কথা কি আমরা মানি? নাকি যারা উদ্ধৃতি দিচ্ছে তারা মানে? তিনি ছাড়াও তো আরও ইমাম আছেন!
.
দুই: হুসাইন (রা.) ইয়াযিদ বিন মু‘আবিয়ার বিরুদ্ধে বের হন নি?
.
তিন: আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের (রা.) ইয়াযিদের বিরুদ্ধে বের হন নি? তিনি ইয়াযিদকে বাইয়াত দিতেও অস্বীকার করেছিলেন।
.
চার: সায়ীদ ইবনে জুবায়ের (রহ.) উমাইয়াদের বিরুদ্ধে বের হয়েছেন। ইবনে আস‘আসকে বাইয়াত দিয়েছেন।
.
পাঁচ:
বলা হয়ে থাকে, ইমাম আ‘যম আবু হানীফা (রহ.)ও আব্বাসী খলীফা আবু জা‘ফর
মনসুরের বিপরীতে বাইয়াত দিয়েছিলেন মুহাম্মাদ নাফসে যাকিয়্যাহ (পবিত্র
আত্মা)কে।
.
ছয়: যায়েদ বিন আলি বিন যায়নুল আবেদীন (রহ.) বের হয়েছিলেন উমাইয়া খলীফা হিশাম বিন আব্দুল মালিকের বিরুদ্ধে।
.
সাত: আর আব্বাসীরাও তো উমাইয়াদেরকে হটিয়েই, নির্মমভাবে নির্মূল করে ক্ষমতায় বসেছিলেন?
.
যারা
সিরিয়ান উদ্বাস্তুদেরকে জায়গা দিচ্ছে না। সেসব শাসককে বাঁচানোর জন্যে যে
আলিমরা ফতোয়া দিচ্ছেন, তাদের হিদায়াতের জন্যে দু‘আ করা ছাড়া আর কিইবা করার
আছে?
পঞ্চম পর্ব
দিনলিপি-৩৩১
(২৮-০৯-২০১৫)
আশা ও নিরাশা
------
আজ থেকে আটশ বছরেরও আগে, মুসলিম ইতিহাসে একটা চরম লজ্জা ও দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। সেটা বলার আগে, আমরা একটু গৌরবময় অধ্যায়কে জানি। তাহলে শোকটা গায়ে কম লাগবে।
-
ইংল্যান্ডের রাজা তাকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন:
-আমি আপনার অনুগত সেবক।
.
তার আমলেই বিশ্ব প্রথমবারের মতো দেখে, বয়স্কদের জন্যে বিশেষ রাষ্ট্রীয় সুবিধা।
.
তিনি ইউরোপীয় ইতিহাসের গতিপথটাই বদলে দিয়েছিলেন।
.
মুসলমানরা তখন শতধা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। দলাদলি-হানাহানিতে লিপ্ত ছিল। তাদের পতন ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র। এমন নাযুক পরিস্থিতিতে ক্ষমতা নিজ হাতে তুলে নিলেন। বয়েস তখন একুশ। বদলে গেল দৃশ্যপট। উল্টে গেল আন্দালুসের গতিপথ। তিনি হলেন আবদুর রাহমান আননাসির। সপ্তম খলীফা। ৯১২-৯৬১ ঈসায়ী।
.
তিনি দায়িত্ব নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন:
এক: জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চাকে ব্যাপকতর করে তুলেছিলেন। কর্ডোভাকে পরিণত করেছিলেন জ্ঞানের শহরে। পুরো ইউরোপ থেকে জ্ঞানপিপাসুরা দলে দলে এ-শহরে আসতো। আগত প্রতিটি ছাত্রের জন্যেই থাকতো নিয়মিত মাসোহারা।
.
দুই: নিরক্ষরতা দূরীকরনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন।
.
তিন: কর্ডোভা মসজিদকে সম্প্রসারিত করেছিলেন। সেটা পরিণত হয়েছিল সেকালের সর্ববৃহৎ মসজিদে।
.
চার: জনসংখ্যার বিচারে, কর্ডোভা স্বীকৃতি পেয়েছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরে। প্রথম স্থান ছিল বাগদাদের। তিনি কর্ডোভাতে তিন হাজার মসজিদ নির্মান করেছিলেন।
.
পাঁচ: তার আমলে বিশ্বে প্রথম বারের মতো রাতের বেলা, রাস্তাগুলোতে আলোকায়নের ব্যবস্থা করা হয়।
.
ছয়: তার আমলে, ইউরোপে প্রথমবারের মতো উন্মুক্ত হাসপাতাল, উন্মুক্ত পাঠাগার, বিনামূল্যে চিকিৎসা, বিনমূল্যে শিক্ষার প্রথা চালু করা হয়।
.
সাত: ইউরোপে তিনিই প্রথম বৃদ্ধাশ্রম নির্মান করেন। পশুপাখির জন্যে অভয়ারণ্য তৈরী করেন। এসব কাজ তদারক করার জন্য দক্ষ লোকবল নিয়োগ করেন।
.
আট: যুদ্ধাস্ত্রনির্মাণ কারখানা স্থাপন করেন। সামুদ্রিক বন্দন নির্মান করেন। ইউরোপের সর্ববৃহত সেনাবাহিনী গড়ে তোলেন। পুরো ইউরোপ থেকেই তার দরবারে উপহার-উপঢৌকন আসতেই থাকতো।
.
নয়: গড়ে তোলেন ‘মদীনাতুয যাহরা’। বিশ্নের সুন্দরতম শহর। তিনটা স্তরবিশিষ্ট। সর্বোচ্চ স্তরে ছিল প্রাসাদ। দ্বিতীয় স্তরে ছিল বাগ-বাগিচা। তৃতীয় স্তরে ছিল বাজার-মসজিদ।
.
দশ: নির্মান জগদ্বিখ্যাত কর্ডোভা-সেতু। যা আজো বিদ্যমান আছে।
.
তিনি ছিলেন মুত্তাকী। পরহেযগার। মুজাহিদ। দক্ষপ্রশাসক।
.
.
আন্দালুসে ‘ইমারাহ’ নামে শাসন শুরু করেছিলেন আবদুর রাহমান আদদাখিল। ৭৭৫ সালে। নানা চারাই উৎরাই পেরিয়ে সেটা শেষ হয়েছিল ১০৩১ সাল পর্যন্ত।
শেষের দিকে আন্দালুস ভাগ হয়ে গিয়েছিল ২২টা নগর রাষ্ট্রে। মজার ব্যাপার হলো, উসমানি খিলাফাহ ভেঙে তৈরী হওয়া আরব রাষ্ট্রও বর্তমানে ২২টা।
বাইশটা নগর রাষ্ট্রের যুগকে বলা হয় তাওয়ায়েফ যুগ। শাসকদেরকে বলা হয় ‘মুলূকুত তাওয়ায়িফ’। এমনই একটা শহর ছিল ‘ভ্যালেনসিয়া’। ১২৩৮ সালে এ-সুন্দর শহর মুসলমানদের হাতছাড়া হয়ে যায়।
এর বেশি লেখা সম্ভব হলো না। কষ্ট আর কষ্ট!।
প্রশ্নোত্তরে আন্দালুস
১/ মুসলিমরা স্পেন কত বছর শাসন করে?
উত্তরঃ ৭৮১ বছর।
২/ কত সালে মুসলিমরা স্পেন বিজয় করে এবং কত সালে পতন ঘটে?
উত্তরঃ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মৃত্যুর ৮০ বছরের মাথায় ৭১১ সালে মুসলিমরা স্পেন বিজয় করে।
১৪৯২ সালে মুসলিমদের আন্দালুসের পতন ঘটে।
৩/ আন্দালুসের প্রথম শাসক কারা?
উত্তরঃ উমাইয়া খলীফাদের অধীনে স্পেন
বিজয় হয়। (৭১১-৭৫৬) তাদের ওয়ালি বা গভর্নররা স্পেন শাসন করতেন। ৭৫৬ সালে
আব্দুর রহমান নিজেকে স্বাধীন আমীর ঘোষণা করেন।
৪/ কত বছর আন্দালুস উমাইয়া খিলাফাতের প্রদেশ ছিল?
উত্তরঃ ৩৯ বছর। (৭১১-৭৫০)
৫/ উমাইয়া খিলাফাতের অধীনে আন্দালুসের ওয়ালি বা গভর্নরদের তালিকা
দাও? উত্তরঃ ৭১১ থেকে ৭৫৬ সাল পর্যন্ত দারুল খিলাফাহর অধীনে
ওয়ালিগণ দ্বারা আন্দালুস শাসিত হয়। নিম্নে ওয়ালিদের তালিকা প্রদান করা হলঃ
তারিক বিন জিয়াদ (৭১১-৭১২)
মুসা বিন নুসাইর (৭১২-৭১৪)
আব্দুল আজিজ বিন মুসা (৭১৪-৭১৬)
আইয়ুব বিন হাবিব আল-লাখমী (৭১৬)
আল হুর বিন আব্দুর রহমান সাকাফি (৭১৬-৭১৮)
সামহ বিন মালিক খাওলানী (৭১৯-৭২১)
আব্দুর রহমান আল গাফিকি (৭২১-৭২২) (৭৩০-৭৩২)
আনবাসা বিন সুহাইম কালবী (৭২১-৭২৬)
উযরা বিন আব্দুল্লাহ আল ফিহরী (৭২৬)
ইয়াহিয়া বিন সালমান কালবী (৭২৬-৭২৮)
হুযাইফা বিন আহওয়াস কায়সী (৭২৮)
উসমান বিন আবি নিস'আ আল কাস'আমী (৭২৮-৭২৯)
হায়সাম বিন উবাইদ কিলাবি (৭২৯-৭৩০)
মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আশযায়ী (৭৩০)
আব্দুর রহমান আল গাফিকি (৭৩০-৭৩২)
আব্দুল মালিক বিন কাতান ফিহরী (৭৩২-৭৩৪)
উকবা বিন হাজ্জাজী (৭৩৪-৭৪০)
আব্দুল মালিক বিন কাতান ফিহরী (৭৪০-৭৪২)
বালজ বিন বিশর কুশাইরী (৭৪১-৭৪২)
ছালাবা বিন সালামা আমিলী (৭৪২-৭৪৩)
আবুল খাত্তার আল হুসাম বিন দারার কালবী (৭৪৩-৭৪৫)
ছুওয়াবা বিন সালামা গুদামি (৭৪৫-৭৪৬)
আব্দুর রহমান বিন কাতির লাহমী (৭৪৬-৭৪৭)
ইউসুফ বিন আব্দুর রহমান ফিহরি (৭৪৭-৭৫৬)
৬/ কোন খলীফার আমলে স্পেন বিজিত হয়?
উত্তরঃ উমাইয়া খলীফা প্রথম ওয়ালিদের আমলে (৭১১ সালে) ।
৭/ স্পেন বিজয়ের নায়কদ্বয় কারা?
উত্তরঃ তারিক বিন জিয়াদ এবং মুসা বিন নুসাইর।
৮/ তারিক বিন জিয়াদ কে ছিলেন?
উত্তরঃ ইফ্রিকিয়ার গভর্নর মুসা বিন নুসাইরের মুক্তদাস।
৯/ কে স্পেনের দুঃশাসন থেকে মুক্তি দিতে মুসলিমদেরকে আহবান জানিয়েছিল?
উত্তরঃ রাজা রডেরিক কর্তৃক জুলিয়ানের কন্যা ধর্ষিতা হলে জুলিয়ান মুসলিমদেরকে স্পেনে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।
১০/ তারিক বিন জিয়াদের বাহিনীটি কাদের নিয়ে গঠিত ছিল?
উত্তরঃ নওমুসলিমদের নিয়ে।
১১/ তারিকের বাহিনীতে কত সেনা ছিল?
উত্তরঃ ৭ হাজার। মুসা পরে আরো ৫ হাজার পাঠিয়েছিলেন।
১২/ রডেরিকের বাহিনীতে কত সেনা ছিল?
উত্তরঃ ১ লক্ষ।
১২/ তারিক কর্তৃক কোন কোন অঞ্চল বিজিত হয়?
উত্তরঃ কর্ডোবা, গ্রানাডা, টলেডো ও গুয়াদালাজারা প্রভৃতি অঞ্চল।
১৩/ কে আন্দালুসের প্রথম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন?
উত্তরঃ তারিক বিন জিয়াদ(৭১১-৭১২)।
১৪/ কাকে কুরাইশদের বাজপাখি (ফ্যালকন অব দ্যা কুরাইশ) বলা হয়?
উত্তরঃ আন্দালুসের প্রথম আমীর আব্দুর রহমান আদ-দাখিলকে।
১৫/ আব্দুর রহমানকে কুরাইশদের বাজপাখি উপাধি কে দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ আব্বাসীয় খলীফা আল-মানসুর
১৬/ আব্দুর রহমান কত বছর শাসন করেন?
উত্তরঃ ৩২ বছর (৭৫৬-৭৮৮)
১৭/ ইউরোপের কোন প্রতাপশালী রাজা আমীর আব্দুর রহমানের সাথে যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার ভয়ে সন্ধি করেন?
উত্তরঃ শার্লিমেন
১৮/ আব্দুর রহমানের আমলে কোন শহর সমৃদ্ধি লাভ করে?
উত্তরঃ কর্ডোভা
১৯/ কত সাল পর্যন্ত তিনি আব্বাসীয় খলীফাদের নামে খুৎবা পাঠ জারি রাখেন?
উত্তরঃ ৭৭৩ সাল পর্যন্ত।
২০/ আব্দুর রহমানের মৃত্যুর পর কে আন্দালুসের আমীর হন?
উত্তরঃ তার পুত্র প্রথম হিশাম (৭৮৮ সালে)।
২১/ প্রথম হিশাম কোন মাযহাবকে রাষ্ট্রীয় মাযহাব হিসেবে ঘোষণা করেন?
উত্তরঃ মালিকী মাযহাব।
২২/ প্রথম হিশাম তার আমলে কোন কোন বিদ্রোহ দমন করে আমিরাতকে সুরক্ষিত রাখেন?
উত্তরঃ সারাগোসা, বার্সেলোনা, নারবোন, সেপ্টিমেনিয়া, গ্যালেসিয়া প্রভৃতি অঞ্চলে খ্রিস্টানদের বিদ্রোহ দমন করেন।
২৩/ প্রথম হিশাম কত বছর শাসন করেন?
উত্তরঃ ৮ বছর (৭৮৮-৭৯৬)
২৪/ প্রথম হিশামের মৃত্যুর পর কে আন্দালুসের আমীর হন?
উত্তরঃ হিশামের পুত্র প্রথম হাকাম (৭৯৬ সালে)।
২৫/ প্রথম হাকাম তার আমলে কোন কোন বিদ্রোহ দমন করেন?
উত্তরঃ দুই চাচা
আব্দুল্লাহ ও সুলাইমানের বিদ্রোহ, ফকীহদের বিদ্রোহ, টলেডো ও কর্ডোভার
বিদ্রোহ এবং ফ্রাঙ্কদের টলেডো থেকে বিতাড়ন করেন।
২৬/ প্রথম হাকাম কত বছর শাসন করেন?
উত্তরঃ ২৬ বছর (৭৯৬-৮২২)।
২৭/ আন্দালুস আমিরাতের প্রথম তিন যোগ্য শাসক কে কে ছিলেন?
উত্তরঃ আব্দুর রহমান আদ-দাখিল, প্রথম হিশাম এবং প্রথম হাকাম।
২৮/ কার আমলে আন্দালুস ধীরে ধীরে বিলাসিতা ও গান-বাদ্যে প্রবেশ করে?
উত্তরঃ দ্বিতীয় আব্দুর রহমানের আমলে। (৮২২-৮৫২)।
২৯/ দ্বিতীয় আব্দুর রহমান কে ছিলেন?
উত্তরঃ প্রথম হাকামের পুত্র।
৩০/ দ্বিতীয় আব্দুর রহমান কোন ৪ জন দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন?
উত্তরঃ স্ত্রী সুলতানা তারাবা, বাগদাদ থেকে আগত এক গায়ক জিরিয়াব, নাসর নামের এক হাজিব, ফকীহদের নেতা ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া।
৩১/ যেসকল খ্রিস্টান বাসিন্দা মুসলিম ও ইসলামের প্রতি মুগ্ধ হয়ে ইসলামে দীক্ষিত হয় তাদের কি বলা হতো?
উত্তরঃ মুজারাব
৩২/ কট্টর খ্রিস্টানরা কেন বিদ্রোহের ডাক দেয়?
উত্তরঃ মুজারাবদের ইসলাম ও মুসলিমদের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি মুগ্ধতার কারণে।
৩৩/ দ্বিতীয় আব্দুর রহমান কত বছর শাসন করেন?
উত্তরঃ ৩০ বছর (৮২২-৮৫২)
৩৪/ দ্বিতীয় আব্দুর রহমানের মৃত্যুর পর কে শাসন করেন এবং কত বছর?
উত্তরঃ তার পুত্র মুহাম্মাদ এবং তিনি ৩৪ বছর শাসন করেন (৮৫২-৮৮৬)
৩৫/ মুহাম্মাদের কৃতিত্ব কি ছিল?
উত্তরঃ পূর্বপুরুষের ন্যায় বহু বিদ্রোহ দমন করে আমিরাতের সুরক্ষা নিশ্চিত করেন।
৩৬/ মুহাম্মাদের পর কারা আন্দালুস শাসন করেন?
উত্তরঃ তার পুত্র মুনজির (৮৮৬-৮৮৮) এবং মুনজিরের পুত্র আব্দুল্লাহ (৮৮৮-৯১২)
৩৭/ কার আমলে আন্দালুসের আমিরাত থেকে সেভিল ও আরাগন পৃথক হয়ে যায়?
উত্তরঃ আব্দুল্লাহর আমলে (৮৮৮-৯১২)
৩৮/ আব্দুল্লাহর পরে কে আন্দালুসের আমীর হন?
উত্তরঃ তৃতীয় আব্দুর রহমান (৯১২ সালে)।
৩৯/ নাসির বা স্পেনের ত্রাণকর্তা কার উপাধি ছিল?
উত্তরঃ তৃতীয় আব্দুর রহমানের।
৪০/ আব্দুর রহমান আদ-দাখিলের পর কে আন্দালুসের শ্রেষ্ঠ আমীর ছিলেন?
উত্তরঃ তৃতীয় আব্দুর রহমান।
৪১/ তৃতীয় আব্দুর রহমান কত বছর শাসন করেন?
উত্তরঃ প্রায় ৫০ বছর। (৯১২-৯৬১)
৪২/ কত সালে আব্দুর রহমান নিজেকে খলীফা বলে ঘোষণা করেন?
উত্তরঃ ৯২৯ সালে।
৪৩/ কার শাসনামলে আন্দালুসিয়া ইউরোপের সবচেয়ে উন্নত ও সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়?
উত্তরঃ তৃতীয় আব্দুর রহমানের আমলে।
৪৪/ তিনি রাজধানী কর্ডোভা ব্যাতীত সমগ্র স্পেনকে কয়টি প্রদেশে বিভক্ত করেন?
উত্তরঃ ৮ টি।
৪৫/ ইতিহাসের অন্যতম সুন্দর জোহরা প্রাসাদ কার নামে এবং কত সালে নির্মাণ করেন?
উত্তরঃ স্ত্রীর নামে, ৯৩৬ সালে।
৪৬/ জোহরা প্রাসাদে কক্ষের সংখ্যা কত ছিল?
উত্তরঃ প্রায় ৪০০ টি।
৪৭/ কত টাকা ব্যয় করে জোহরা প্রাসাদ নির্মাণ করেন?
উত্তরঃ ৫ লক্ষ দিনার (স্বর্ণমুদ্রা)।
৪৮/ তার আমলে কর্ডোভা শহর কিরুপ ছিল?
উত্তরঃ ৩০০ মাসজিদ, ১০০ প্রাসাদ, ৩০০ হাম্মামখানা, ১৩০০ টি বাড়ি ও ৫ লক্ষ লোক বাস করতো।
৪৯/ তার আমলে রাজস্ব আয় কত ছিল?
উত্তরঃ ৬২ লক্ষ ৪৫ হাজার দিনার (স্বর্ণমুদ্রা)।
৫০/ তৎকালীন কালের পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও শক্তিশালী নৌবহর কার ছিল?
উত্তরঃ তৃতীয় আব্দুর রহমানের।
৫১/ তৃতীয় আব্দুর রহমানের মৃত্যুর পর কে খলীফা হন?
উত্তরঃ পুত্র দ্বিতীয় হাকাম (৯৬১ সালে)।
৫২/ কার আমলে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও বিদ্যা শিক্ষায় আন্দালুস পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম স্থান হিসেবে পরিচিত পায়?
উত্তরঃ দ্বিতীয় হাকামের আমলে (৯৬১-৯৬৭)।
৫৩/ কার মৃত্যুর পর আন্দালুসে উমাইয়া বংশের পতন শুরু হয়?
উত্তরঃ দ্বিতীয় হাকাম ৯৬৭ সালে মৃত্যুবরণ করলে নাবালক পুত্র দ্বিতীয় হিশামের আমল থেকে উমাইয়া বংশের পতন শুরু হয়।
৫৪/ কে গ্রানাডার আল-হামরা প্রাসাদ নির্মাণ করেন?
উত্তরঃ দ্বিতীয় হিশামের আমলে তার কর্মচারী মুহাম্মাদ বিন আবি আমির।
৫৫/ কত সালে উমাইয়াদের চূড়ান্ত পতন ঘটে?
উত্তরঃ ১০৩১ সালে তৃতীয় হিশামের আমলে।
৫৫/ দ্বিতীয় হিশামের অযোগ্যতার সুযোগে কে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে?
উত্তরঃ হাজিব আল মানসুর।
৫৬/ কাকে দূরদর্শিতা ও বিচক্ষণতার জন্য ১০ম শতাব্দীর বিসমার্ক বলা হতো?
উত্তরঃ হাজিব আল-মানসুরকে।
৫৭/ কর্ডোবা খিলাফাহ পতনের পর আন্দালুসের কি অবস্থা হয়?
উত্তরঃ আন্দালুস কয়েকটি তাইফাতে বিভক্ত হয় যেমন তাইফা কর্ডোভা, তাইফা সারাগোসা, তাইফা সেভিল।
৫৮/ আন্দালুসের বিখ্যাত কয়েকজন আলিমের নাম উল্লেখ কর?
উত্তরঃ কুরতুবি, ইবনে আব্দুর বার, ইবনে জুজাই, তুরতুশি প্রমুখ।
৫৯/ আন্দালুসের পৃথিবীখ্যাত কয়েকজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ কর?
উত্তরঃ
বিখ্যাত সুফি দার্শনিক ইবনে আরাবী, বিজ্ঞানী ইবনে রুশদ, ইবনে হাযম,
বিজ্ঞানী আব্বাস ইবনে ফিরনাস, গায়ক জিরইয়াব, সমাজতত্ত্ববিদ ইবনে খালদুন
প্রমুখ।
৬০/ স্পেনে মুসলমানদের পতনের পর আনুমানিক কত বই-পুস্তক পান্ডুলিপির ধ্বংস সাধন করা হয়?
উত্তরঃ অসংখ্য অগণিত।
৬১/ ধ্বংস থেকে রক্ষা পাওয়া আরবি পাণ্ডুলিপির নাম উল্লেখ কর?
উত্তরঃ
ধ্বংস সাধনের একাধিক প্রচেষ্টার কয়েকশ' বছর পর অরক্ষিত অবস্থায় মাত্র ১৮৫০
টি পাণ্ডুলিপি খুঁজে পাওয়া যায়। এর মধ্যে কয়েকটি হলঃ
তারিখে ফতেহাতুল আন্দালুস - ইবনুল কুতিয়া (মৃ ৭৯৯ ঈসায়ী)। স্পেনে মুসলিম শাসনের প্রাথমিক পর্যায়ের ইতিহাস নিয়ে।
তারিখে ফাতহুল মিসর - ইবন আব্দুল হাকাম। পঞ্চম অধ্যায়ের শেষে স্পেন
বিজয়ের বর্ণনাকে আলাদা করে উর্দু অনুবাদ যিকরে ফাতহুল উন্দুলুস বের হয়েছে।
তৃতীয় আব্দুর রহমান আল নাসিরের জীবনী - ইবনুল আহমার
আখবার মাজমুয়া - অজ্ঞাত লেখক। স্পেনের মুসলিম শাসনের প্রাথমিক যুগের ইতিহাস।
আল মুকতাবিস ফি তারিখে রিজালুল আন্দালুস - আবু মারওয়ান হাইয়ান ইবনে খালাফ। ১০ খণ্ডের বৃহৎ গ্রন্থ।
আল মুজিব ফি তালখিসে আখবার আল মাগরিব - আব্দুল ওয়াহাব আল মারাকুশি। ইংরেজি অনুবাদ -হিস্টোরি অব আল-মোহেদস।
আল ইহাতা ফি তারিখে গারনাতা - লিসানুদ্দীন আল খতীব
নাফহুত তীব - আল মাক্কারি
আল বায়ানুল মাগরিব ফি আখবারিল আন্দালুস ওয়াল মাগরিব - ইবনে ইজারী
কিতাবুল কুযাত ফি কুরতুবাহ - খুশানী
তারিখ উলামাইল আন্দালুস - ইবনুল ফারাজি
তাকমিলাহ লি কিতাবু সিলাহ - ইবনুল আকবর আল কুজা
আল খাজিরা ফি মাহাসিনিল জাহিরা - ইবনে বাসাম। ইত্যাদি।
৬২/ আন্দালুসের বৃহৎ মাসজিদসমূহের নাম উল্লেখ কর?
উত্তরঃ নিম্নে
উল্লেখিত একটা মাসজিদও আজ আর নাই। সকল বৃহৎ মাসজিদ খ্রিস্টানরা ধ্বংস করে
দিয়েছে, কিছু মাসজিদকে গির্জা বানানো হয়েছে। কিছু মাসজিদ একেবারে ভবনসহ
ধ্বংস করা হয়েছে।
কর্ডোভা মাসজিদ,
টলেডোর বিখ্যাত বাব-আল-মারদুম মাসজিদ,
সেভিলের বৃহৎ মাসজিদ,
টলেডোর আল মুসতিমিম মাসজিদ,
কর্ডোভার মাদিনাতুয যাহরা আল-জামে মাসজিদ,
টলেডোর আল দাব্বাগিন মাসজিদ,
মাসজিদ আল-তা'ইবিন,
সারাগোসা আল জামে মাসজিদ,
মাদ্রিদ আল জামে মাসজিদ,
গ্রানাডার বৃহৎ নাসরীয় মাসজিদ,
আল-হামা মাসজিদ ইত্যাদি।
আন্দালুসে উমাইয়া খেলাফতের পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা কুরাইশি ঈগল খ্যাত আবদুর রহমান আদ-দাখিল
অনুবাদ ও সংযোজন : আল-জাইদি
প্রত্যেক যামানাতেই এমন কতক মহা মানবের আবির্ভাব ঘটে যারা ইসলামের প্রভাব প্রতিপত্তি, মর্যাদা ও গৌরব পুনঃরায় ফিরিয়ে আনেন।
যখনই মুসলিম দেশসমূহ কুয়াচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, তাদের অধিকারসমূহ কেড়ে নেয়া
হয়, এমনকি তাদের পরিবার-পরিজনকেও বিতাড়িত করা হয় তখনই মুসলিমভূমে বীরত্ব ও
বাহাদুরী মূর্ত হয়ে উঠে।
এ-সময়েই দয়াময় আল্লাহ ঘুনে ধরা এই উম্মাহর জন্য এমন ব্যক্তিকে প্রেরণ
করে থাকেন যিনি মুমিনদেরকে একই সুতোয় আবদ্ধ করে ইসলামের অস্তিত্বকে নতুন
রূপে বিনির্মাণের মহান লক্ষ্যে উম্মাহর দাপট ও ক্ষমতা পুনঃরায় ফিরিয়ে
আনবেন।
ইসলামের হারানো গৌরব ও মর্যাদা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে যে-সকল মহান
ব্যক্তিবর্গ কাজ থাকেন, তাদের মাধ্যমে এভাবেই মুসলিম ভূমির সীমান্ত প্রাচীর
সুরক্ষিত থাকত।
আব্বাসি সাম্রাজ্য তাদের প্রতিষ্ঠার শুরুলগ্নে বনু উমাইয়ার এমন সকল
পুরুষদের হত্যা করেছে যারা খেলাফতের দাবি করতে পারে বলে তাদের সন্দেহ
হয়েছে। নিজেদের ক্ষমতা পোখতা করার মানসে তাদের রক্তকে তারা হালাল মনে
করেছে। তখন তাদের হত্যাযজ্ঞের নরক থেকে আত্মরক্ষা করে একজনই কেবল পালিয়ে
বেঁচে আসতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি হলেন আবদুর রহমান আদ-দাখিল রহ.। অথচ তাঁর
ভাই হিশাম বিন মুআবিয়াকে তাঁর চোখের সামনেই নির্মমভবে হত্যা করা হয়েছিল।
তিনি পালিয়ে একাকী আন্দালুসে প্রবেশ করেন। এসেই তিনি সেখানকার সকল দলকে এক
পতাকাতলে সমবেত করলেন। ফলে তাঁর আমলে আন্দালুসের মুসলিম বাহিনীর সংখ্যা
দাঁড়ায় এক লক্ষ অশ্বারোহীতে। এই বিশার বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে তিনি মুসলিম
আন্দালুসের উত্তর ও পশ্চিম সীমান্তকে খৃস্টান রাষ্ট্রগুলোর আক্রমণ থেকে
রক্ষা করেছেন। বিশেষত লিওন রাষ্ট্রের হামলা থেকে সুরক্ষিত রেখেছেন।
যখন আন্দালুসের মুসলিম শাসকগণ পারস্পরিক খুনখারাবিতে চরমভাবে লিপ্ত,
প্রত্যেকেই নিজের জন্য একচেটিয়া রাজত্ব ও শাসন ক্ষমতা অধিকার করতে
চাচ্ছিলো, ফলে লাঞ্চনা, অপমান ও দুর্বলতা তাদেরকে এমনভাবে পেয়ে বসেছে যে,
ইউরোপের খৃস্টান শাসকরা পর্যন্ত তাদের উপর দুঃসাহস প্রদর্শন করে আন্দালুসের
অনেক শহর দখল করে নিয়েছে, এমনকি যেই ইউরোপের শাসকরা এক সময় মুসলিম শাসকদের
জিযয়া-কর প্রদান করত, এখন তারাই মুসলিম শাসকদের থেকে কর নিতে আরম্ভ করে।
পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে যে, তখন কেউ কেউ ধারণা করতে লাগল, এই
বুঝি আন্দালুস থেকে ইসলাম বিদায় নিল। পরিস্থিতি যখন এতটাই ভয়বহ, অবস্থা যখন
চরম সংকটাপন্ন, ঠিক সেই মূহুর্তে আন্দালুসের হাল ধরলেন বনু উমাইয়ার
বিচক্ষণ, ধীমান ও বুদ্ধিদীপ্ত ও যৌবনোচ্ছল এক বীর যোদ্ধা আবদুর রহমান
আদ-দাখিল। রহমাতুল্লাহি আলাইহি। তিনি এসে আন্দালুসের চিত্র এতটাই পাল্টে
দিয়েছেন যে, ইতিহাসবেত্তাগণ তাঁর সম্পর্কে এই মন্তব্য করতে বাধ্য হয়েছেন--
"যদি আবদুর রহমান আদ-দাখিল না আসতেন, তাহলে আন্দালুস থেকে ইসলামের নাম
নিশানা চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যেত।"
আরব উপদ্বীপ থেকে হিজরত করে মুসলিম আন্দালুসে পৌঁছার পর তিনি এমন অনেক
সংকট ও বিপদাপদের সম্মুখীন হয়েছেন যা আন্দালুসে উমাইয়াদের ইসলামি সাম্রাজ্য
প্রতিষ্ঠা করতে অন্তরায় সৃষ্টি করে এবং কুদৃষ্টি নিক্ষেপকারী ও লোভীদের
প্রতিহত করে ইসলামি সাম্রাজ্যের ভিত্তি মজবুত ও সুদৃঢ় করতে বাধার সৃষ্টি
করে। তাই তো আমরা দেখতে পাই যে, আব্বাসি খেলাফতের শাসকগণ এবং আন্দালুসের
অন্যান্য দুর্বলমনা শাসকগণ তাঁর প্রতি বিদ্রোহী হয়ে উঠেছে। তাঁর বিরুদ্ধে
গড়ে উঠা বিদ্রোহের সংখ্যা পঁচিশ ছাড়িয়ে গেছে। আব্বাসি সাম্রাজ্যের পক্ষ
থেকে উস্কে দেয়া বিদ্রোহটিই সবচে' ভয়াবহ ও বড় বিদ্রোহ ছিলো। কিন্তু সবকটি
বিদ্রোহেরই তিনি সফল মোকবেলা করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন।
যাবতীয়
প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আবদুর রহমান আদ-দাখিল যখন একাকী আন্দালুসে প্রবেশ
করেন, তখন তাঁর চারপাশে একে একে জড়ো হতে থাকে বনু উমাইয়ার শাসকগোষ্ঠী,
আমাজিগ সম্প্রদায় ও তৎকালীন আন্দালুস-প্রশাসক ইউসুফ আল-ফিহরির প্রতিপক্ষ
বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজন। তিনি মূলত আন্দালুসে প্রবেশ করেছেন ইয়ামানীদের
কৃত চুক্তির কারণে। সে-সময় তাদের নেতৃত্বে ছিলেন আবুস্ সাবাহ আল-ইয়াহসাবি।
তাদের মূল ঘাটি ছিলো সেকালের মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রধান ও বৃহৎ নগরী
সেভিল। আবুস্ সাবাহের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পর তিনি আবদুর রহমানের আনুগত্য
স্বীকার করে নেন। কিন্তু আন্দালুস-প্রশাসক আল-ফিহরি তাঁর আনুগত্যের
প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তাঁর সহযোগী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের
প্রস্তুতি আরম্ভ করে দেন। ১৩৮ হিজরিতে ঐতিহাসিক মাসারা প্রান্তরে যুদ্ধ
সংঘটিত হয়। যুদ্ধে তিনি বিজয় লাভ করেন।
যুদ্ধ শুরুর পূর্বে আবদুর রহমান আদ-দাখিল জানতে পারলেন, তাঁর সহযোগী
সৈন্যরা পরস্পর বলাবলি করছে, যুদ্ধে আমরা হেরে গেলে তিনি তাঁর তেজোদীপ্ত
ধূসর বর্ণের ঘোড়া নিয়ে পালিয়ে বেড়াবেন। আর আমাদের রেখে যাবেন আল-ফিহরির
নির্যাতের হাতে সোপর্দ করে। আত্মমর্যাদবোধে উদ্দিপ্ত ও তারুন্য দীপ্তিতে
উদ্ভাসিত এই বীর মুজাহিদ আর সহ্য করতে পারলেন না। তিনি তৎক্ষণাৎ তাঁর তেজী
ঘোড়া আবুস্ সাবাহকে দিয়ে বললেন, আমার এই ঘোড়াটি অতি দ্রুতগামী। তাতে আরোহন
করে তরবারী চালনো আমার পক্ষে দুষ্কর হবে। তাই তুমি আমার ঘোড়াটি নিয়ে যাও।
আর আমাকে তোমার খচ্চরটি দাও। এরপর তিনি খচ্চরে চড়ে সামনে অগ্রসর হতে থাকেন।
এ চিত্র দেখে তাঁর ব্যাপারে শঙ্কিত লোকজন বলতে লাগল, এতো কোন পলাতক
যোদ্ধার আচরণ হতে পারে না। এ আচরণ তো এমন বীর যোদ্ধাকেই মানায় যনি রনাঙ্গনে
মৃত্যুকে খোঁজে ফিরেন।
সে যুগের রীতি অনুযায়ী ইয়ামেনি সৈন্যরা পরাজিত আল-ফিহরির পলায়নপর
সৈন্যদের পশ্চাদাবন করলে আবদুর রহমান আদ-দাখিল তাদের নিবৃত্ত করে এমন এক
জ্ঞানগর্ভ বাণী উচ্চারণ করেছেন যা আজো ইতিহাসের পাতায় জ্বলজ্বল করছে।
ঐতিহাসিক বাণীটি আজো তাঁর বিচক্ষণতা, দূরদর্শিতা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
সঠিক বিবেচনাবোধ কাজে লাগিয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণের যোগ্যতার
স্বাক্ষী হয়ে আছে। তিনি বলেছিলেন, এমন শত্রুর শিকড় উপড়ে ফেল না ভবিষ্যতে
যার হৃদ্যতা প্রত্যাশা। তুলনামূলক কঠিন শত্রুর (মোকাবেলার সময় সহায়তা লাভের
জন্য) তাকে টিকিয়ে রাখ।
আব্বাসি খলিফা আবু জাফর আল-মানসুর আলা ইবনে মুগিস আল হাজরামিকে আন্দালুস
ভূমিতে পাঠিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিলো, তিনি আবদুর রহমান বিন মুআবিয়াকে হত্যা
করে আন্দালুসকেও খেলাফতে আব্বাসিয়ার অধীন করবেন। কিন্তু যুদ্ধে আলা
আল-হাজরামি নিহত হন এবং তাঁর বাহিনী শোচনীয় পরাজয় বরণ করে। আব্বাসি খলিফা
আবু জাফর আল-মানসুরের কাছে এই সংবাদ পৌঁছলে তিনি আবদুর রহমান আদ-দাখিলের
বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার পরিকল্পনা মাথা একদম ঝেড়ে ফেলে দেন। এ-সময় খলিফা তাঁকে
কুরাইশি ঈগল উপাধিতে অভিহিত করেন।
হ্যাঁ, এই আন্দালুস সম্পর্কেই জোস্ট্যাফ লুবোন তার তারিখুল আরব নামক
গ্রন্থে এভাবেই গুণগান গেয়েছেন, "দৈর্ঘ্যে-প্রস্থে বিশ মাইলেরও অধিক
প্রশস্ত কর্ডোবার সড়কগুলো আলোতে ঝলমল করত, ঠিক সে-সময় প্যারিস ও লণ্ডনের
সড়কগুলো ছিলো মাটির। এবড়োথেবড়ো। মানুষ রাতের বেলায় গাঢ় অন্ধকারে খুব কষ্টে
চলাচল করত। আর প্রচণ্ড বৃষ্টি হলে তো পথচারিরা গভীর কাদায় ডুবে যেত।"
এ-ছাড়া গ্রানাডা, ইসবেলিয়া, জারাগোজা ও টলেডো; এগুলো ছিলো সে-সব শহর যা
নিষ্প্রাণ অন্ধকার ইউরোপকে জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলোয় আলোকিত করে তুলেছে। উক্ত
শহরগুলো মুসলিম আন্দালুসের এমনসব ঘাটি যেখান থেকে মুসলিম বাহিনী সর্বগ্রাসী
অন্ধকারে আচ্ছন্ন ইউরোপের প্রাণ কেন্দ্রে পৌঁছত।
হে আল্লাহ, এই সঙ্কটময় পরিস্থিতে আমাদের মাঝে আবারো প্রেরণ করুন এই
জাতীয় মহা মানবদের। এরাই হলেন সে-সব মহাবীর যাদের আবারো ফিরে আসবে আমাদের
হারানো জন্নাতুল ফেরদৌস। আমিন ইয়া রব।
এই মহাবীরে ৫৯ বছর জীবিত ছিলেন। ১৯ বছর কেটেছে উমাইয়া খেলাফতের
বিলুপ্তির পূর্বে দামেশক ও ইরাকে। ৬ বছর অতিবাহিত হয়েছে আব্বাসিয় বরবরতা
থেকে পলায়ন করে আন্দালুসে প্রবেশ করতে। আর বাকি ৩৪ বছর আন্দালুসের সিংহাসন
আলোকিত রেখেছেন। অবশেষে জুমাদাল উলা১৭২ হিজরি=৭৮৮ খৃস্টাব্দে কর্ডোবায়
সাফল্য মণ্ডিত কর্মময় জীবনের আলোকধারা চিরতরে বিলীন হয়ে যায়। আন্দালুস
হারায় তাঁর গর্বের অভিবাবক। কর্ডোবাতেই তিনি সমাধিস্থ হন।
০৭ জুমাদাল উখরা ১৪৩৮হিজরি=২৪শে ফেব্রুয়ারি২০১৮ শনিবার
منقول عن صفحة "محمد أبو صهيب"
আলিম ও ঈমানি অবিচলতা!
আতিক উল্লাহ
দিনলিপি-১৪৩৯
(০৭-১০-২০১৮)
প্রথমে তিনটি সালতানাতের কথা সংক্ষেপে জেনে নেই। তাহলে পরিস্থিতি সহজে বোঝা যাবে।
১: দাওলাতুল মুরাবিতীন (الدولة المرابطية)।
মুরাবিতীনের
সালতানাত (১০৫৬-১১৭৪)। ইয়াহয়া বিন ইবরাহীম ছিলেন ছোটখাট একজন আমীর। ইনি
মুরাবিতীন সালতানাতের মূল বীজ। তাঁর উস্তাদ শায়খ আবু ইমরান ফাসী রহ. ছিলেন
তাঁর আধ্যাত্মিক গুরু। সেনেগাল নদীর দক্ষিণ তীরবর্তী অঞ্চলে শুরু হয়েছিল এই
সালতানাতের কার্যক্রম। তবে মুরাবিতীন সালতানাতের মূল সূচনা হয় আবদুল্লাহ
বিন ইয়াসীন রহ.-কে দিয়ে। আর উন্নতির চরম শিখরে আরোহণ করে, ইউসুফ বিন
তাশাফীন রহ.-এর হাত ধরে।
.
২: দাওলাতুল মুয়াহহিদীন (الدولة الموحدية)।
মুয়াহহিদীন
সালতানাত (১১২১-১২৬৯)। মুহাম্মাদ বিন তাওয়ামরুত (১০৭৭-১১৩০)-এর ভাবাদর্শে
বিশ^াসীদের হাতে এই সালতানাতের গোড়পত্তন হয়। মূল ভিত অবশ্য ইবনে তাওয়ামরুতই
গড়ে দিয়ে যায়। তবে রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে কার্যক্রম শুরু হয় ইবনে তাওয়ামরুতের
হাতেগড়া শিষ্য আবদুল মুমিন বিন আলি (১১৩৩-১১৬৩)-কে দিয়ে। এরপর আসে আবু
ইয়া‘কুব ইউসুফ বিন আবদুল মুমিন (১১৬৩-১১৮৪)। তারপর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন
আবু ইউসুফ ইয়া‘কূব বিন ইউসুফ (১১৮৪-১১৯৯)। তিনি মনসুর মুয়াহহেদী নামেও
প্রসিদ্ধ। মুয়াহহেদী সালতানাতের তৃতীয় শাসক। তার আমলেই মুয়াহহেদীদের
আকীদাগত্র ভ্রান্তিগুলো সংশোধিত হয়। তিনি ইবনে তাওয়ামরুতের মাহদি হওয়াকে
নাকচ করে দেন। তার নিষ্পাপ হওয়ার আকীদাও বাতিল করেন।
.
৩: দাওলাতুল মেরিনী (الدولة المرينية)।
মেরিনী
সালতানাত (১২৪৪-১৪৬৫)। এই রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠিত হয় আবু মুহাম্মাদ আবদুল
হকের উদ্যোগে। প্রথম দুই সালতানাতের ভিত্তি ছিল দ্বীন। কিন্তু এই দাওলা
প্রাথমিকভাবে কোনও দ্বীনি তাকিদ থেকে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গোত্রীয় উদ্দীপনা
থেকে রাষ্ট্রে সূচনা হয়েছিল।
উপরোক্ত তিনটি সালতানাতেরই অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল, তারা সবাই কমবেশ
আন্দালুসকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। আন্দালুসের মুসলমানদের সাহায্য করেছে।
আন্দালুসের দুর্দিনে পাশে থেকেছে।
.
এবার মূল প্রসঙ্গে যাওয়া যেতে পারে।
৪:ইয়ায
বিন মুসা (১০৮৩-১১৪৯)। তবে তিনি (القاضي عياض) কাযি ইয়ায ৪৭৬-৫৪৪ হিঃ
নামেই প্রসিদ্ধ। সাবতা দ্বীপে জন্মগ্রহণ করেন। তার পূর্বপুরুষ ইয়ামানের
কাহতানী বংশের ছিল। আন্দালুসে গ্রানাডার ‘বাসতায়’ হিজরত করেছিলেন তারা।
তারপর সেখান থেকে মরক্কোর ফাস নগরীতে। সেখান থেকে দাদা ‘আমরুন’ হিজরত করে
‘সাবতায়’ আসেন। ৮৯৩ সালে। সাবতা আগে মরক্কোর অংশ ছিল। কিন্তু স্পেন এই
দ্বীপকে জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে।
৫: কাযি ইয়ায পড়াশোনা করেন এই
সাবতাতেই। তারপর উচ্চতর পড়াশোনার উদ্দেশ্যে আন্দালুস গমন করেন। ফিরে আসনে
১১১৪ সালে। বত্রিশ বছর বয়েসে শিক্ষাদান কাজে নিয়োজিত হন।
৬: ১১২১ সালে
সাবতার কাযি (প্রধান বিচারক) নিযুক্ত হন। একটানা ১৬ বছর এই দায়িত্ব পালন
করেন এখানে। ১১৩৬ সালে বদলি হয়ে গ্রানাডার বিচারপতি নিযুক্ত হন। ১১৪৪ সালে
ফের সাবতার প্রধান বিচারপতি হন।
৭: তখন মুরাবিতীনের শাসনামল চলছিল।
সাবতা দ্বীপ মুরাবিতীনের অধীনে ছিল। মাগরিব (মরক্কো-তিউনিসিয়া-আলজেরিয়া
ইত্যাদি) অঞ্চলে ইসলামের ইতিহাসে যত সালতানাতের উদ্ভব ঘটেছিল, মুরাবিতীন
সালতানাত ছিল সবচেয়ে বড় ও মহান। ঈসমাঈলি শী‘আদের ভ্রান্ত আকীদা ও নানামুখি
কুসংস্কারে আচ্ছন্ন দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিশুদ্ধ সুন্নী আকীদায় দীক্ষিত করার
জন্যে, এই দাওলার জন্ম হয়েছিল।
৮: প্রাথমিক অবস্থায় এই দাওলার সূচনা
হয়েছিল, সংস্কার আন্দোলন হিশেবে। পরে আস্তে আস্তে রাষ্ট্রীয় কাঠামো পরিগ্রহ
করেছে। প্রতিষ্ঠাতাদের সবাই ছিলেন হক্কানী রব্বানী আলেম। ইমাম মালেক
রহ.-এর একনিষ্ঠ অনুসারী। সেনেগাল নদীর দক্ষিণ তীর থেকে শুরু করে, তারা একে
একে দখল করে নিলেন পুরো মাগরিব। তারপরে আন্দালুস। বাইয়াত দিলেন আব্বাসী
খিলাফাহকে। এই একটা ব্যাপার, যেখানেই কোনও সুন্নী দাওলা প্রতিষ্ঠা হয়েছে,
আব্বাসী খিলাফার কাছে বায়আত দিয়েছে।
৯: দাওলা মুরাবিতীন আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়েছিল নাইজার থেকে ক্যামেরুন ও
নাইজেরিয়া পর্যন্ত। দাওলার প্রতিটি সদস্য ছিলেন অনাড়ম্বর জীবনের অধিকারী।
বেদুইনদের মতো সাদামাটা জীবন ছিল তাদের। কৃচ্ছ্রতাপূর্ণ জীবন ছিল।
প্রাচুর্য বা বিত্তের প্রতি সম্পূর্ণ নির্মোহ ছিলেন তারা। দাওলার প্রতিটি
খাত ছিল অপচয়মুক্ত। উর্ধতন থেকে শুরু করে নিন্মতম পর্যন্ত সবাই প্রথম যুগের
মতো রাতজাগা রুহবান আর দিনমানা ফুরসান ছিলেন।
১০: মুরাবিতীন সালতানাতে
আলিম ওলামার যথাযথ কদর হত। শেষের দিকে এসব গুণ হারিয়ে বসার কারণেই মুরাবিত
সালতানাতের পতন ঘটে। এই মুজাহিদ সালতানাতেই কাযি আয়ায বেড়ে ওঠেন। শিক্ষা ও
দীক্ষা লাভ করেন। উম্মাহর ইতিহাসে যে কয়জন বিশ^কোষধর্মী জ্ঞানের অধিকারী
হিশেবে পরিচিত, কাযি ইয়ায তার অন্যতম। দ্বীনি ইলমের প্রায় প্রতিটি শাখাতেই
তিনি গভীর ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছিলেন। আজীবন শিক্ষাদান কাজের সাথে জড়িত
ছিলেন। কুরআন হাদীস ফিকহসহ নানা শাখায়, অসংখ্য কিতাব রচনা করেছেন। তবে
হাদীস শাস্ত্রেই তার বেশি দখল ছিল।
১১: তিনি যখন পরিণত বয়েসে উপনীত
হলেন, তখন দাওলার পতনের আলামত প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। বাল্যে ও যৌবনে যে
দাওলাকে উন্নতির চরম শিখরে দেখেছেন, পরিণত বয়েসে সে দাওলাকে আস্তে আস্তে
পতনের দিকে ধাবিত হতেও দেখেছেন।
১২: পরিণত বয়েসে তিনি ছিলেন তার যুগে,
নিজ দেশের সেরা আলিম। সেরা ফকীহ, সেটা মুহাদ্দিস। মালেকী মাযহাব ছাড়া,
আব্বাসী খিলাফাহর পুরো অঞ্চল জুড়েও তার মতো সর্ববিদ্যায় পারদর্শী আলিমের
জুড়ি মেলা ভার ছিল। মুরাবিতীন সালতানাত ভোগ বিলাসে লিপ্ত হয়ে পড়ল।
রাষ্ট্রীয় কাঠামো দুর্বল হয়ে এল। দাওলার বিভিন্ন বিভাগে দুর্নীতি ছড়িয়ে
পড়ল। আগের মতো জিহাদ ও মুজাহাদা না থাকাতে, সামরিক ও প্রতিরোধ বিভাগ দুর্বল
হয়ে পড়ল। এই সুযোগে আরেকটি সালতানাত মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। দাওলাতুল
মুয়াহহিদীন।
১৩: মুয়াহহিদীন সালতানাত ছিল মুরাবিতীনের সম্পূর্ণ বিপরীত।
এর প্রতিষ্ঠাতা ইবনে তাওয়ামরুত নিজেকে মাহদী হিশেবে ঘোষণা দিয়েছিল। তার
আকীদা গড়ে উঠেছিল মুতাযেলা ও জাহমিয়াদের আকীদার সংমিশ্রণে। ইবনে তাওয়ামরুত ও
তার অনুসারীরা, ক্ষমতা সুসংহত করতে গিয়ে, তাদের পূর্বসুরী মুরাবিতীনের উপর
অত্যন্ত নৃশংস গণহত্যা চালিয়েছিল। শুধু সেনা বা সরকারী কর্মকর্তাদের উপরই
নয়, মুরাবিতীন শাসনে থাকা শহরের নাগরিকদের উপরও নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ
চালিয়েছে। বিরোধীপক্ষের শহরগুলোকে গুঁড়িয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে।
নারীদেরকে বন্দী করে বাঁদী বানিয়েছে। এহেন বর্বর-পাশবিক আচরণ আর রক্তবন্যার
উপর দিয়ে মুয়াহহিদীন সালতানাত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
১৪: কাযি ইয়ায এমন
কল্পনাতীত নির্দয়তা দেখে, সাবতাবাসীর ব্যাপারেও এমন কিছুর আশংকা করলেন।
তখনো মুয়াহহিদীনের কালো হাত সাবতা পর্যন্ত এসে পৌঁছেনি। তিনি শহরের প্রধান
কাযি। সাবতার সকলে তাকে ভালোবাসে শ্রদ্ধা করে। ভালোবাসে। তার প্রতি আস্থা
রাখে। তিনি এখানেরই সন্তান। সবাই তার কাছে বাড়তি কিছু আশাও করে। দুর্দিনে
তাদের নেতৃত্বের স্থান দখল করে, তাদেরকে মুক্তির বন্দরে পৌঁছে দেবেন, এমন
তামান্নাও রাখে সাবতাবাসী। একজন আলিমের কাছে আওয়ামের এমন চাহিদার মাঝে কোনও
ভুল নেই। অতিরঞ্জন নেই। বাড়াবাড়ি নেই। সত্যিকার আলিম তো জনমুখিই হবেন।
তাদের সুখদুঃখে পাশে দাঁড়াবেন। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন।
১৫: ‘সালা’
নামের একটি শহর, মুয়াহহিদীন যোদ্ধাদের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা ঠেকাতে,
প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিল। পাল্টা প্রতিশোধ হিশেবে, মুয়াহহিদীন
যোদ্ধারা পুরো শহরকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছিল। কথিত আছে, তারা তাদের দাওলা
কায়েম করতে প্রায় একমিলিয়ন মানুষ হত্যা করেছিল। সে যুগে দশ লক্ষ মানুষ যা
তা ব্যাপার নয়। প্রতিপক্ষের পুরো অঞ্চলকে তারা প্রায় খালি করে ফেলেছিল।
১৬: সবদিক বিবেচনা করে, কাযি ইয়ায সাবতাবাসীর সাথে পরামর্শ করলেন। সবাই
বহু চিন্তাভাবনার পর রায় দিল, বিনা প্রতিরোধে মুয়াহহিদীনের আনুগত্য মেনে
নিবে। শহরের প্রতিরোধ শক্তি দুর্বল। আর মুয়াহহিদীনের গণজোয়ারের তোড়ে,
ভঙ্গুর মুরাবিতীন সৈন্যরা টিকে থাকতে পারবে না। তার চেয়ে আপাতত হত্যাযজ্ঞ
এড়াতে, আপোষ করে নেয়াই শ্রেয়।
১৭: কাযি ইয়াযকে পূর্বের পদে বহাল রাখা
হল। তিনি সবার কাছেই তখন একবাক্যে বরিত ছিলেন। তার আনুগত্যের সম্মানেই তাকে
অপসারণ করা হল না। কাযি সাহেব আগের মতোই শহর পরিচালনা করে যেতে লাগলেন।
মুয়াহহিদীনের অধীনতা মেনে নিলেও, কাযি সাহেব দাজ্জালের আনুগত্য করে মনে
স্বস্তি পাচ্ছিলেন না। ইবনে তাওয়ামরুতের বর্বরতা দেখে তাকে দাজ্জাল ছাড়া আর
কিছু ভাবা যাচ্ছিল না।
১৮: মুরাবিতীনের রাজধানী ছিল মারাকেশ। শহরটা
দখল করার পর, মুয়াহহিদীন সেনারা শহরের প্রতিটি মানুষকে হত্যা করল।
নারীদেরকে বেছে বেছে দাসী বানানো হল। কোনও ঘরকে আস্ত রাখল না।
মসজিদ-মাদরাসা-খানকা কিছুই বাদ পড়ল না। মুয়াহহিদীনের যুক্তি হল,
মুরাবিতীনরা মুশরিক। তারা মুজাসসিমা আকীদা পোষণ করে। আল্লাহর জন্যে মানুষের
মতো শরীর সাব্যস্ত করে। তার শিরকে লিপ্ত ছিল এতদিন। তাই গোটা শহর নাপাক
হয়ে আছে। পাক করতে হবে। সালা, মারাকেশ ও ওয়াহরান শহর দখলের পর,
মুয়াহহিদীনের হত্যাযজ্ঞ দেখে, কাযি ইয়ায সংশয়ে পড়ে গেলেন। আত্মসমর্পন করা
সত্ত্বেও সাবতার উপরও এমন কেয়ামত নেমে আসে কি না! এখন হয়তো কিছু বলছে না।
পরে সবদিক গুছিয়ে যদি এদিকে আসে? সাবতাওতো মুরাবিতীনের মতো হুবহু একই
মানহাজ মেনে চলে? এই শহরের নাপাকিও যদি মুয়াহহিদীনরা পবিত্র করার খাহেশ মনে
মনে পোষণ করে?
১৯: কাযি ইয়ায গোপনে ইয়াহয়া বিন গানিয়ার সাথে যোগাযোগ
করলেন। ইয়াহয়া ছিলেন মুরাবিতীনের নিয়োগকৃত, ক্ষমতায় থাকা সর্বশেষ গভর্নর।
তিনি ছিলেন মুরাবিতীন সমর্থকদের সর্বশেষ আশা-ভরসার স্থল। তার শাসনাধীনে ছিল
আন্দালুসের পূর্বদিককার ‘মায়ুরকা’ দ্বীপপুঞ্জ। তিনি মায়াহহিদীনের হাত থেকে
মাগরিব অঞ্চল পুনঃদখলের প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। কাযি আয়াযের যোগাযোগকে তিনি
সাদরে অভ্যর্থনা জানালেন। কাযি সাহেবের মতো আলিমের সমর্থন পেয়ে, তার মনোবল
আরও তুঙ্গে উঠল। নিজে হকের উপর আছেন, এই বিশ^াস আরও দৃঢ় হল।
২০:
ইয়াহয়া বিন গানিমের সমর্থন পাওয়ার পর, সাবতাবাসী ঘোষণা দিয়ে, মুয়াহহিদীনের
বাইআত ভেঙে ফেলল। ঘটনার বিবরণ শুনে মুয়াহহিদীন নেতারা রীতিমতো ক্ষেপে গেল।
তারা সাবতা দখলের প্রস্তুতি নিতে শুরু করল। সাবতাবাসী অবস্থা বেগতিক দেখে,
ইয়াহয়া গানেমের সাথে যোগাযোগ করল। কিন্তু ইয়াহয়ার পক্ষ থেকে আশানুরূ সাড়া
পাওয়া গেল না। নিজেও এল না, অন্য কাউকে দিয়ে সেনাসাহায্যও প্রেরণ করল না।
২১:
মুয়াহহিদীনরা প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর, সাবতার দিকে পঙ্গপালের মতো ধেয়ে
আসতে শুরু করল। কাযি ইয়ায দেখলেন সাবতাবাসীর উপর গণহত্যার খড়গ নেমে আসছে।
উপায়ান্তর না দেখে, একা একা শহর ছেড়ে বেরিয়ে পড়লেন। নিজেকে মুয়াহহিদীনের
হাতে সোপর্দ করলেন। কাযি সাহেবকে গ্রেফতার করে প্রধান নেতা আবদুল মুমিন বিন
আলি কাছে নিয়ে যাওয়া হল। কাযি সাহেব বললেন,
-সাবতাবাসীর কোনও দোষ নেই।
বায়আত ভঙ্গ করার সমস্ত দায়-দায়িত্ব আমার। আমার প্ররোচনাতেই তারা এ-কাজে
উদ্বুদ্ধ হয়েছে। তাদের কোনও দোষ নেই। আমিই দোষী।
সবকিছু শোনার পর, আবদুল মুমিন ক্ষমার ঘোষণা দিল। তবে একটা শর্ত দিল,
-আপনি আপনাকে ক্ষমা করব একটা শর্তে! আপনাকে কষ্ট করে, কয়েকটা কাজ করতে হবে,
ক: ইবনে তাওয়ামরুতকে নিষ্পাপ ঘোষণা করে ফতোয়া দিতে হবে।
খ: তাকে মাহদী বলে স্বীকার করতে হবে।
গ: এ ব্যাপারে একটা কিতাব লিখে দিতে হবে। যাতে সবার মাঝে বিতরণ করা যায়।
২২:
কাযি সাহেব বুঝতে পারলেন, তাকে ব্যবহার করে, মুয়াহহিদীনরা সবার কাছে
সমাদৃত হতে চাচ্ছে। তার কিতাব ব্যবহার করে, এতদিনের কালিমা মোচন করার
প্রয়াস পাবে। শুধু তাই নয়, একজন ভ-কে মাহদী বানানোটা প্রতিষ্ঠিত সত্যে
পরিণত হবে। মিথ্যাকে প্রশ্রয় দিয়ে, নিজের জীবন বাঁচাবেন নাকি, সত্য বলে
লাখো মানুষকে গোমরাহীর পথ থেকে সরিয়ে নিজের জীবনকে জেনেশুনে হুমকির দিকে
ঠেলে দেবেন?
২৩: সত্যিকারের আলিমগন এমন পরিস্থিতিতেও হক বেছে নিতে বিন্দুমাত্র
দ্বিধা করেন না। কাযি সাহেবও কালবিলম্ব না করে মুখের উপরই বলে দিলেন,
-ইবনে
তাওয়ামরুত একজন ভণ্ড। সে কিভাবে নিষ্পাপ হবে? মাহদী হওয়া দূরের কথা সে তো
দাজ্জালের মতো আচরণ করেছে। লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ মানুষের রক্তে তার হাত রঞ্জিত
হয়ে আছে।
২৪: মুয়াহহিদীনরা কাযি সাহেবের বক্তব্য শুনে তেলেবেগুনে জ¦লে উঠল।
বর্শার আঘাতে আঘাতে তার শরীর ঝাঁজরা করে ফেলল। এতেই তাদের অন্ধ আর বিকৃত
আক্রোশ চরিতার্থ হল না, তারা কাযি সাহেবকে টুকরো টুকরো করে কাটল। তারপর
ছিন্নভিন্ন টুকরাগুলো একত্র করে মারাকেশের এক অজ্ঞাত স্থান দাফন করে ফেলা
হল। গোসল দেয়া হল না। জানাযা পড়া হল না। শুধু তাই নয়, সে অঞ্চলটি
খ্রিস্টানদেরকে বন্দোবস্তি দেয়া হল। খ্রিস্টানরা কবরের পাশে গীর্জা আর অনেক
মঠ তৈরী করেছিল।
২৫: হক হোক বাতিল হোক, কোনও দলকেই আল্লাহ তা‘আলা
চিরদিন ক্ষমতার শীর্ষে থাকতে দেন না। একসময় মুয়াহহিদীনদেরও পতন হল।
বিজয়ীবেশে এল মেরিনীরা। মেরিনী সালতানাত প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর, ৭১২ হিজরীতে
কাযি ইয়াযের কবরকে খ্রিস্টানদের থেকে উদ্ধার করা হল।
----
(কাযি
আয়াযের মৃত্যু সম্পর্কে ভিন্নমতও প্রচলিত আছে। তার তাকীদা নিয়েও টানা
হ্যাঁচড়া আছে। আশআরীরা বলে তিনি আশ‘আরী ছিলেন। হাম্বলীরা বলে তিনি হাম্বলী
ছিলেন। তবে আশ‘আরী হওয়াটাই বেশি গ্রহণযোগ্য। কারণ সেকালে মালেকীগণ এবং এ
যুগে, সাধারণত আশআরী হয়ে থাকেন)।
--
কিছু ভাবনা:
১: প্রকৃত আলিম
যারা, তারা কখনো বাতিলের সামনে মাথা নত করেন না। দ্বীনের কোনও বিধানের
ক্ষেত্রে তাগুতের সামনে আপোষ করেন না। হক্কানী ওলামায়ে কেরামগণ সাধারণত
আযীমতের উপর আমল করেন। রুখসত গ্রহণ করেন না। বিশেষ করে ঈমান ও কুফরের
ক্ষেত্রে।
২: রব্বানী ওলামায়ে কেরাম, হকের পতাকা বুলন্দ রাখতে, আমৃত্য
হকেরও উপর অবিচল থাকতে পিছপা হন না। জেল-জুলুমকে ভয় পান না। যালিম তাগুত
শাসকের সামান্য ‘মুলো’ দেখে ঝুলে পড়েন না। ফাঁসির কাষ্ঠ বেছে নেয়াকে
প্রাধান্য দেন,
مِّنَ الْمُؤْمِنِينَ رِجَالٌ صَدَقُوا مَا عَاهَدُوا
اللَّهَ عَلَيْهِ ۖ فَمِنْهُم مَّن قَضَىٰ نَحْبَهُ وَمِنْهُم مَّن
يَنتَظِرُ ۖ وَمَا بَدَّلُوا تَبْدِيلًا
এই ঈমানদারদের মধ্যেই এমন লোকও
আছে, যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতিকে সত্যে পরিণত করেছে এবং তাদের
মধ্যে এমন লোকও আছে, যারা তাদের নজরানা আদায় করেছে এবং আছে এমন কিছু লোক,
যারা এখনও প্রতীক্ষায় আছে, আর তারা (তাদের ইচ্ছর ভেতর) কিছুমাত্র পরিবর্তন
ঘটায়নি (আহযাব ২৩)।
৩: যখন দেখেন তার নমনীয় আচরণে, হকপন্থী মানুষ
বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তিনি পাহাড়ের মতো অনঢ় অবস্থানে চলে যান।
সরকারী বরাদ্দ, বিপুল উপহার-উপঢৌকন তাকে বিচ্যুত করতে পারে না।
৪: আর
একজন আলিম যখন, অনেক মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হন, এমতাবস্থায় সেই
আলিমের জন্যে উচিত নয়, রুখসত তথা শরীয়তের ছাড় গ্রহণ করা। হিম্মত থাকলে
আযীমত গ্রহণ করে নির্যাতনের পথ বেছে নেয়া উচিত। তাহলে মানুষও হিম্মত পাবে।
হকের সত্যিকার রূপ বুঝতে পারবে। তবে যদি মনে হয়, আযীমতের পথে গেলে,
নির্যাতনের ভার সহ্য করা যাবে না, তখন ছাড় করা যেতে পারে। তবে ফিতনার আশংকা
থাকলে, নিজেকে নেতৃত্বের আসন থেকেও সরিয়ে নেয়া কাম্য।
৫: নবীজি সা.
সবসময় দু’টি পথের সহজতর পথ গ্রহণ করতেন। এমনটা অনেকে বলে, যুক্তি দিতে চান।
তাদের জানা থাকা দরকার, ঈমান কুফরের প্রশ্নে নবীজি সা. কখনোই কঠিন পথ বেছে
নিতে তিলেক দ্বিধা করেননি।
৬: ফাঁসির রায় হওয়ার পর, সাইয়েদ কুতুব
রহ.-কে বলা হয়েছিল, সরকারের সাথে আপোষ করে নিতে। তিনি এই প্রস্তাব ঘৃণাভরে
প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন,
-উম্মত যাদেরকে আদর্শ মনে করে, তাদের উচিত নয়, যালিমের কাছে মাথানত করা। তাদের সাথে আপোষ করে নেয়া।
৭:
ইসলামের শুরুর দিকে দেখা গেছে, যালিম শাসকের বিরুদ্ধে, একদল আলিম সবসময়
সোচ্চার থাকতেন। জেল-যুলুমেও পিছপা হতেন না। ভয়ে দমে যেতেন না।
৮: এখন কেন যেন উল্টো, যিনি যত বেশি ইলমের অধিকারী, তিনি তত বেশি চুপ থাকেন। ততবেশি হিকমত অবলম্বন করেন।
৯:
বর্তমানের বড় আলিমগন, তাগুত-কুফর-যুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে
হয়রানির শিকার হওয়ার চেয়ে, চুপ থেকে মাদরাসা টিকিয়ে রাখার মেহনতে শামিল
থাকাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।
১০: যাদেরকে আদর্শ বলে মানি, যাদের থেকে
ইলম শিখি, যাদেরকে ইলমে বড় বলে মনে করি, এমন কয়েকজন যদি হিম্মত করে সামনে
বাড়তে পারতেন, তাহলে আমাদের মতো অসংখ্য ‘কাপুরুষ’ ‘বীরপুরুষে’ রূপান্তরিত
হওয়া সহজ হয়ে যেত।
সাবতার ইদরীসী!
আতিক উল্লাহ
দিনলিপি-৪৯৯
(১৬-০৩-২০১৬)
--
সাবতা। একটি বর্ণিল শহরের নাম। দেশ বললেও কি ভুল হবে?
জিব্রাল্টার প্রণালীর কোল ঘেঁষে দুটি আছে। সাবতা ও মালীলিয়াহ। দু’টোই শহরই
ছিল মাগরিব (মরক্কো)-এর অন্তভূক্ত। কিন্তু গ্রানাডার পতনের পর থেকেই
স্পেনীশরা এ শহর দু’টিকে জবর দখল করে রেখেছে।
.
খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ
শতাব্দীতে সাবতা ছিল কার্থেজিয়ানদের দখলে। খ্রিস্টপূর্ব চল্লিশ সালের দিকে
রোমান স¤্রাট কালিগুলা সাবতাকে তার সা¤্রাজ্যের অধীনে নিয়ে আসে। ৪২৯
খ্রিস্টাব্দে এই ছোট্ট শহরকে দখল করে নেয় ভ্যান্ডালরা। বলাবাহুল্য আরবরা
স্পেনকে আন্দালুস বলে। আর আন্দালুস শব্দটা এসেছে ‘ভ্যান্ডাল’ শব্দ থেকে।
৯৩১ সালে সাবতা আন্দালুসের উমাইয়াা খলীফা আবদুর রহমান আন-নাসিরের অধীনে
আসে। অবশ্য তার আগে শহরটা আরো দুইবার হাত বদল হয়: একবার গথিকরা দখল করে,
তাদের থেকে ছিনিয়ে নেয় রোমানরা।
.
১০৬১ সালে সিউতা দখল করে
বারবাররা। ১০৮৪ সালে এখানে আসেন মহান মুজাহিদ ইউসুফ বিন তাশাফীন রহ.। ১১৪৭
সালে এই শহর করায়ত্ত করে মরক্কোর মুয়াহহিদরা। ১৪৯২ সালে গ্রানাডার পতন হয়।
তারপর আবার সাবতা হাতবদল হয়। ১৪৯৭ সালে সাবতা দখল করে নেয় পুর্তগীজরা। ১৫৮০
সালে পুর্তগাল অধীনস্থ হয় স্পেনের। সাথে সাথে সাবতাও স্পেনের অধীনে আসে।
.
১৭৭৪
সালে মরক্কোর খলীফা মাওলা মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ সাবতা দখল করার অভিযান
পরিচালনা করে। তবে সফল হতে পারেনি। একের পর এক অব্যাহত চেষ্টা সত্ত্বেও
মুসলমানরা সফল হতে পারেনি। এমনকি অবিস্মরণীয় মুজাহিদ আবদুল করীম খাত্তবী
রহ.ও চেষ্টা করেছিলেন। প্রায় বিজয়ের কাছাকাছিও চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ
পর্যন্ত সফল হতে পারেননি।
.
মরক্কো কখনই সাবতার দাবি ছাড়েনি।
জাতিসংঘে পর্যন্ত দাবি তুলেছে। বাদশাহ হাসান ২য় পীড়াপীড়ি দেখে, স্পেন কৌশল
করে সাবতা ও মালীলিয়াহকে স্বায়ত্তশাসন দিয়ে দেয়। ১৯৯৫ সালে। পুরো নিয়ন্ত্রণ
অবশ্য স্পেনের হাতেই থাকে।
.
এতো পুরান দিনের কথা। ড. ইউনুস নোবেল
পুরস্কার পেলেন। তারপর থেকে বিভিন্ন দেশ থেকেও একের পর এক পুরষ্কার পেতে
থাকলেন। এরমধ্যে একটা সম্মাননা পেলেন সাবতা থেকে। ইংরেজীতে যাকে বলা হয়
সিউতা। অন্যদের কাছে পুরষ্কারটা হয়তো অন্য আর দশটা পুরস্কারের মতোই ছিল।
আবার কারো কারো কাছে বিষ্ময়ও জাগিয়েছিল। কারণ ছোট্ট একটা শহর হয়েও ভিনদেশী
এক কুসিদজীবিকে পুরস্কৃত করেছে।
.
সিউতা একটা ছোট্ট শহর। বড়জোড় ২৯
কিলোমিটার আয়তন। কিন্তু ছোট হলে কী হবে, তার অনেক বৈশিষ্ট্য। এই একটা
শহরেইগাদগাদি করে বাস করে: খ্রিস্টান। মুসলমান। ইহুদি। হিন্দু। বৌদ্ধ।
আধুনিক পরিভাষায় যাকে বলে ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চূড়ান্ত’ নমুনা এ-শহরে
পাওয়া যায়।
.
এতটাই সম্প্রীতি, এক ধর্মের আচার-অনুষ্ঠানে আরেক
ধর্মের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। গান গায়। অনেক পরিবার এমন
আছে, মা খ্রিস্টান কিন্তু বাবা ও সন্তানেরা মুসলমান। উল্টোটাও আছে। একটা
ডকুমেন্টারিতে দেখলাম খ্রিস্টান মা তার মুসলমান কন্যার হিফয শুনছে। মেয়েকে
মাদরাসায় পৌঁছে দিচ্ছে। তারা বিশ্বকে কী বার্তা দিতে চাচ্ছে, আল্লাহই
জানে।
.
আরও অবাক করা ব্যাপার হলো সাবতার প্রধান মসজিদের নাম হলো
কাদেরিয়া মসজিদ। আর্কিটেক্টের নাম: হিশাম মুহাম্মাদ আবদুস সালাম। এই একই
ব্যক্তি আবার সেখানকার একমাত্র হিন্দু মন্দিরেরও আর্কিটেক্ট। প্রশ্ন জাগে:
= সাবতাবাসীদের মধ্যে এই বিরল মানসিকতা কোত্থেকে এল?
-শরীফ ইদরীসি থেকে!
-তিনি কে?
-তিনি সাবতার প্রাণ!
.
আবু
আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইদরীসি। তিনি কুরাইশ বংশের মানুষ। সাইয়েদও বটে।
বংশধারা আলী রা.-এর সাথে গিয়ে মিশেছে। রাজবংশেরও বটে। গ্রানাডা শাসন করতো
‘হাম্মুদ’ বংশ। তিনি ছিলেন এই পরিবারের সন্তান।
তার জন্ম হয় এই শহরে।
১১০০ সালে। মৃত্যু ১১৬৬ সালে। অসাধারণ প্রতিভাবান মানুষ ছিলেন তিনি। বহু
শাস্ত্রে ছিল তার অগাধ পান্ডিত্য। তবে তিনি বেশি বিখ্যাত হয়েছে ‘ভূগোলবিদ’
হিশেবে।
.
এখনকার সিসিলি দ্বীপের শাসক ছিলেন কিং রজার (২য়) ।
১০৯৫-১১৫৪। পরম বিদ্যোৎসাহী। জ্ঞানানুরাগী। প্রজাবৎসল। পুরো স্পেনে মুসলিম
হত্যাযজ্ঞ চললেও, তিনি একশ ভাগ না হলেও, নিজের স্বার্থে মুসলমানদের প্রতি
কিছুটা নমনীয়তা দেখিয়েছিলেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতেই সাবতাও মালীলিয়ার
মুসলমানদেরকে বিতাড়িত করা হয়নি।
.
কিং রজারের অনেক দিনের ইচ্ছে, পুরো
পৃথিবীর একটা মানচিত্র আঁকানোর। সেটাতে তার সিসিলি রাজ্যও পরিষ্কারভাবে
দেখানো হবে। খোঁজ-খবর করে জানতে পারলেন আল-ইদরীসির কথা। দরবারে ডেকে নিয়ে
দায়িত্ব দিলেন। ইদরীসি নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করলেন।
.
সেটাই ছিল
বিশ্ব-ইতিহাসে সর্বপ্রথম অনেকটা পরিপূর্ণ মানচিত্র। ৭০টা চিত্র সম্বলিত
একটা বৃহদায়তন বই রাজাকে উপহার দেন ইদরীসি। ১৬১৯ সালে ল্যাটিন ভাষায় অনূদিত
হয় বইটা। রোম থেকে।
.
এই মানচিত্রের উপর নির্ভর করেই পরবর্তীতে
ইউরোপের বিশ্ব অভিযান পরিচালিত হয়। পুর্তগীজরা বিশ্বজয়ে বের হয়। উসমানী
খিলাফার বড় বড় জয়ে, আরেক মহান সমুদ্রবিদ পীরি রঈসও এই মানচিত্রের সাহায্য
নিয়ে আরও পরিপূর্ণ মানচিত্র আঁকতে সক্ষম হন।
.
এখনকার মানচিত্রগুলোর
একটা বৈশিষ্ট্য হলো: তাকালে দেখা যাবে, ইউরোপকে সারা বিশ্বের কেন্দ্রস্থল
হিশেবে দেখানো হয়। কিন্তু ইদরীসির মানচিত্রে ‘কা‘বা’ ছিল বিশ্বের কেন্দ্রে।
.
ইদরীসির ঘটনা দেখে কয়েকটা বিষয় পরিষ্কার হয়:
এক: ইউরোপ জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলমানদের মুখাপেক্ষী ছিল। পরে আস্তে আস্তে অবস্থা সম্পূর্ণ উল্টে গিয়েছে।
.
দুই: ইউরোপ মুসলিম সভ্যতার জাগতিক দিকের পুরো নির্যাসটা আত্মস্থ করতে সক্ষম হয়েছিল।
.
তিন: ইউরোপ এখনো মুসলিম হামলা আশংকা করে এজন্য আজো জিব্রাল্টার প্রণালী, সাবতা-মালীলিয়া দ্বীপগুলো দখল করে রেখেছে।
.
চার:
সাবতার এই সাম্প্রাদায়িক সম্প্রীতি বাহ্যিকভাবে দেখতে যতই চকচকে মনে হোক,
ভেতরের অবস্থা অতটা সুখকর নয়। পুরো ইউরোপের মধ্যে সাবতায় বেকারত্বের হার
বেশি।
.
পাঁচ: ইউরোপে যেতে হলে মরক্কো দিয়েই যেতে হবে। সোনালী অতীতে
উকবা বিন নাফে যেভাবে এগিয়েছিলেন। যায়েদ-মুসা রহ. যেভাবে গিয়েছিলেন।
মরক্কোতে অবশ্য মেহনত শুরু হয়েছে। অবশ্য আমার মনে হয়, মরক্কো থেকে ইউরোপে
যেতে হলে, বর্তমানের মেহনতকারীরা ইউসুফ বিন তাশাফীনের পরিকল্পনা ধরে অগ্রসর
হলে, ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।
.
ছয়: সাবতার মুসলিম যুবকদের অভিযোগ,
তাদেরকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পদায়ন করা হয় না। স্পশকাতর অফিস
আদালতে চাকরি জোটে না। ভিন্নমতও আছে। এই যুবকরা বেশ কাজে আসতে পারে।
.
পরিশেষে
বলা যায়: শরীফ আলইদরীসি রহ. নিজের জন্মভূমিকে, নিজের স্বকীয়তাকে যেভাবে
স্বতন্ত্র রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন, এখনকার মুসলিমরা ততোটা পারছে না। তাদের
মধ্যে একটা আফিম ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে:
-উদারতার আফিম। সুন্দর সহাবস্থান।
শব্দগুলো
শুনতে মজাদার। চটকদার। কিন্তু একজন মুসলমান কখনোই এই আফিমে মজতে পারে না।
আমরাও সুন্দর সহাবস্থান চাই। তাই বলে এক পরিবারে কেউ খ্রিস্টান, কেউ
হিন্দু, কেউ বৌদ্ধ:এটা মেনে নেয়া যায়? সাবতার অধিবাসীদের মধ্যে একটা
স্লোগান জোরালোভাবে চালু করে দেয়া হয়েছে:
= ধর্ম যার যার, দেশ সবার।
কথা সত্য, মতলব খারাপ।
কালিমাতু হাক্কিন উরীদা বিহাল বাতিল (আলি রা.)।
আন্দালুস
আতিক উল্লাহ
আন্দালুস হাতছাড়া হয়েছে ১৪৯২ সালে। অনেক মুসলিম ইতিহাসবিদই মনে করে, ইসলামের ইতিহাসে, আন্দালুস হারানো ইসলামী ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি।
কিন্তু এর চেয়েও বড় ট্রাজেডী ইসলামের ইতিহাসে বিদ্যমান। কাদেসিয়ার ময়দানে সাহাবায়ে কেরাম, পারস্যবাহিনীকে
পরাজিত করেন। তারপর থেকে পারস্য ধীরে ধীরে মুসলমানদের অধীনে আসতে থাকে।
উমাইয়া খেলাফতকালে পুরো পারস্যই খিলাফাহর অধীনে চলে আসে। আব্বাসী
খিলাফতকালেও কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া, আগের অবস্থা বিরাজমান থাকে। তারপর আসে, বর্বর মোঙ্গলরা। তাদের অধীনে (১২৫৬-১৫০৮) ইরানের আহলে সুন্নাত শুরুতে নির্যাতনের শিকার হলেও, পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
মোঙ্গলদের শাসন ধীরে ধীর দুর্বল হয়ে আসে। এই সুযোগে রক্তপিপাসু শী‘আ ইসমাইল সাফাভী শক্তি সঞ্চয় করে ইরান দখল করে। ১৫০১ সালে। ইসমাইল সাফাভী আহলে সুন্নাতের উপর গণহত্যা চালিয়ে ইরানকে শী‘আগরিষ্ঠ অঞ্চলে পরিণত করে।
ইসমাইল সাফাভীর আগে, ইরান ছিল শতভাগ সুন্নী মুসলমানের দেশ। ইসমাইল
সাফাভী শুরু করে দিয়ে গেছে। আজ খোমেনী-বাশশার-হাসান নাসরুল্লাহরা সে কাজকে
সমাপ্তির দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
আন্দালুস হাতছাড়া হওয়ার পর, মুসলমানরা ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ হয়েছে, গণহত্যার
শিকার হয়েছে। কিন্তু তার জের বা রেশ এখন আর নেই। ইরানের ক্ষেত্রে বিষয়টা
সম্পূর্ণ উল্টো। তারা শুরু থেকেই আহলে সুন্নাতের উপর গণহত্যা চালিয়ে আসছে।
আজো ইরাকে, শামে তারা তাদের আক্রোশ চরিতার্থ করেই চলেছে।
আন্দালুস তাবেয়ীগনের বিজিত অঞ্চল।
পারস্য ‘সাহাবায়ে কেরামের’ বিজিত অঞ্চল।
দু’টির মূল্য এক হতে পারে না।
আজ সময় এসেছে, দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর।
আন্দালুসের পাশাপাশি আমাদেরকে ‘পারস্য’ উদ্ধারের ফিকিরও করতে হবে। মানচিত্রকে সাহাবা যুগে নিয়ে যেতে হবে।
এক চুমুকে ইতিহাস: ৬৮
আতিক উল্লাহ
---
আন্দালুসের পুরোটাই জয় হয়েছিল মাত্র দুইটা সেনাদলের মাধ্যমে।
প্রথম দল: তারেক
বিন যিয়াদের নেতৃত্বে। সেনাসংখ্যা ছিল ১২ হাজার। এ-স্বল্পসংখ্যক সেনা
নিয়েই তারা মধ্য আন্দালুস পর্যন্ত জয় করে ফেলেছিলেন।
কর্ডোভা-ইশবীলিয়া-তৎকালীন রাজধানীঃ টলেডোও এর মধ্যে ছিল।
.
দ্বিতীয় দল: মূসা বিন নুসাইর ও তার পুত্র আব্দুল আযীযের নেতৃত্বে বাকি অংশ বিজিত হয়েছিল।
.
প্রতিপক্ষ
গথির রাজার সেনাসংখ্যা ছিল লক্ষাধিক। মূসা বিন নুসাইর পুরো ইউরোপ জয় করার
ছক কষে ফেলেছিলেন। কিন্তু বিনামেঘে বজ্রাঘাতের মতো এলো, খলীফা ওয়ালিদ বিন
আবদুল মালিকের ফরমান:
-বিজয়াভিযান বন্ধ করো। দিমাশকে ফিরে এসো শিঘ্রী।
.
মুসলিম ইতিহাসের এক ট্রাজেডী। মুসা বিন নুসাইর আর মুহাম্মাদ বিন কাসিমকে রাজ্যজয়ের সর্বোচ্চ গতিতে থাকাবস্থায় ডেকে পাঠানোটা।
এক চুমুকে ইতিহাস: ২০৫
আতিক উল্লাহ
ওলীদ বিন আবদুল মালিক রহ. (৭০৫-৭১৫)। উমাইয়া খিলাফাহর ষষ্ঠ খলীফা ছিলেন।
তিনি অত্যন্ত সমরকুশলী ছিলেন। একসাথে চারটা সেনাবাহিনী পাঠিয়েছিলেন:
প্রথম বাহিনী: ভারতজয়ের লক্ষ্যে।
দ্বিতীয় বাহিনী: মধ্যএশিয়া জয়ের লক্ষ্যে।
তৃতীয় বাহিনী: আন্দালুস জয়ের লক্ষ্যে।
চতুর্থ বাহিনী: কনস্টান্টিনোপল জয়ের লক্ষ্যে।
প্রায়
পুরো বিশ্বের বিরুদ্ধে একাই যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। এবং আল্লাহর খাস
নুসরতে সফলও হয়েছিলেন। এটাই খিলাফতের বরকত। সারা বিশ্ব এক হলেও কিছুই করতে
পারবে না। ইনশাআল্লাহ।
একটি ঝাড়বাতির গল্প শোনো.....
আইনুল হক কাসিমী
গ্রানাডার একজন সম্রাট। তার শাহজাদাকে বিয়ে করাবেন। রাজকীয় আড়ম্বরে,
বিয়ের শানাই বাজিয়ে, কোনো ললনাকে পুত্রবধূ বানিয়ে প্রাসাদে তুলবেন। এজন্য
হন্যে হয়ে পাত্রী খুঁজে চলছেন। তবে যেনতেন পাত্রী হলে চলবে না; রাজপরিবারের
উপযুক্ত হতে হবে। এর জন্য পাত্রীকে অবশ্যই কুরআনে কারিমের হাফেজা হতে হবে।
পাশাপাশি হাদিসের জ্ঞান থাকা লাগবে। এরকম কোনো মেয়ে পাওয়া গেলে, সে-ই হবে
রাজপরিবারের বউ হবার উপযুক্ত। কিন্তু মুশকিল দেখা দিলো যে, এরকম গুণবতী
মেয়ে পাওয়া যাবে কীভাবে! আর কে-ই বা হদিস দেবে এরকম কোনো মেয়ের!
শেষমেশ এক অভিনব পন্থা অবলম্বন করলেন সম্রাট। ঘোষক পাঠিয়ে শাহি এলান
করিয়ে দিলেন যে, গ্রানাডা শহরের যে বাড়িতে বিয়ের উপযুক্ত এমন পাত্রী রয়েছে,
যে পাত্রী একদিকে পুরো কুরআনের হাফেজা, পাশাপাশি হাদিসেরও জ্ঞান রাখে;
সেরকম পাত্রীর অভিভাবকরা যেন রাতের বেলা নিজ নিজ বাড়ির বারান্দার সামনে
উজ্জ্বল একটা ঝাড়বাতি টানিয়ে রাখে।
কেবল সুলতানকেই নয়; পুরো গ্রানাডাবাসীকে অবাক করে দিয়ে সে রাতে শহরের
প্রায় প্রতিটি বাড়ির বারান্দার সামনে ঝাড়বাতি টানানো হয়েছিল! বুঝা গেল,
প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই এমন যুবতী মেয়ে আছে, যে কুরআনের পাক্কা হাফেজা, এবং
হাদিসের জ্ঞান রাখে!
এরপর থেকেই গোটা আন্দালুসে এই রেওয়াজ পড়ে গেল, যে বাড়িতেই একজন মেয়ে
কুরআনের হাফেজা হতো, রাতের বেলা সে বাড়ির সামনে একটি ঝাড়বাতি টানিয়ে দেওয়া
হতো। সন্ধ্যার আঁধার নামতেই যে বাড়ির সামনে দপ করে জ্বলে উঠত ঝাড়বাতি, বুঝা
যেত, সে বাড়িতে একজন কুরআনের হাফেজা মেয়ে রয়েছে!
আহ, কোন সে জান্নাত হারালাম আমরা!
এই আন্দালুস, আমাদের হারানো ফিরদাউস!
আবারও কি আসবে ফিরে?
---------
সূত্র: টুইটার
বালাতুশ শুহাদা বেদনার্ত আখ্যান!
আইনুল হক কাসিমী
বালাতুশ শুহাদা। ইসলামি ইতিহাসের এক রক্তস্নাত যুদ্ধের নাম। সাধারণ
ইতিহাসে এটি টুরসের যুদ্ধ নামে পরিচিত। ১১৪ হিজরির পবিত্র রমজানুল মুবারক,
৭৩২ খ্রিষ্টাব্দের ১০ অক্টোবর, রোজ শনিবার এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। মুসলিম
বাহিনীর সৈন্যসংখ্যা ছিল ৫০ হাজার। খ্রিষ্টান বাহিনী ছিল চারলাখ! মুসলিমদের
সেনাপতি ছিলেন আন্দালুসের উমাইয়া গভর্নর, ইসলামি ইতিহাসের অমিততেজা বীর
আবদুর রহমান আল গাফিকি। খ্রিষ্টানদের সেনাপতি ছিলেন শার্ল মার্তেল। আরবিতে
'বালাত' অর্থ প্রাসাদ। 'শুহাদা' শব্দটি 'শহিদ' এর বহুবচন। এ যুদ্ধে
মুসলমানদের এত লাশ পড়েছিল যে, এগুলোকে একত্রিত করলে একটি প্রাসাদ হয়ে যেত!
কারও কারও মতে, সে প্রান্তরে একটি পাকা রাস্তা ছিল বলে, এ-কে বালাতুশ
শুহাদা যুদ্ধ বলা হয়।
চার্লসের পর্বতসম বাহিনীর কিছু ছিল ঘোড়সওয়ার আর কিছু ছিল পদাতিক। এদের
শরীরে ছিল নেকড়ের পোশাক। ঘাড় পর্যন্ত লম্বিত চুল। যা জট পাকানো ছিল। এদের
ভাবমূর্তি দেখলেই পিলে চমকে যাবার মতো ছিল! চার্লস লয়ার নদী পার হয়ে, নদীকে
পেছনে রেখে অবস্থান নিলেন। যুদ্ধের প্রথম আটদিন উভয়পক্ষে হালকা সংঘর্ষ হয়।
এতে মুসলমানদের পাল্লা ভারি ছিল। কিন্তু নবম দিনে সংঘটিত হয় রক্তক্ষয়ী
সংঘর্ষ। দিনভর যুদ্ধ চলে। অবশেষে রাতের আঁধার নেমে এল। এবারও মুসলমানদের
পাল্লা ভারি ছিল। দু'পক্ষ পৃথক হয়ে গেল। আরও একটু সময় যুদ্ধ স্থায়ী হলে
মুসলমানরাই জেতার সমূহ সম্ভাবনা ছিল।
পরদিন শনিবার। যুদ্ধের দশম দিন। আবারও যুদ্ধ শুরু হলো। বিজয় মুসলমানদের
পদচুম্বন করতে যাবে, ঠিক তখনই শোরগোল উঠল যে, গনিমতের মালসহ মুসলমানদের
সেনাছাউনি বিপদের সম্মুখীন! দুশমনেরা সেখানে হামলা করেছে! এতে
দুর্বলচিত্তের বার্বারি মুসলিম সেনারা গনিমতের মাল রক্ষার্থে ময়দান ছেড়ে
ছাউনি অভিমুখে ছুটল। মুসলিম বাহিনীর মধ্যে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়ে গেল। আবদুর
রহমান আল-গাফিকি সেনাদের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সব প্রচেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
এতক্ষণে মুসলিম বাহিনীর অবস্থা একেবারে শোচনীয় আকার ধারণ করেছে। বীরের মতো
লড়াই করে যেতে লাগলেন গাফিকি। তবুও অস্ত্র সমর্পণ করতে রাজি নন তিনি। হঠাৎ
করে শাঁ করে এসে দুশমনের একটা তীর তাঁর গায়ে বিদ্ধ হয়। ঘোড়ার পিঠ থেকে
তিনি ছিটকে পড়েন। সেখানেই শাহাদাত বরণ করেন।
দুটি বিপদের সম্মুখীন হয় মুসলিম বাহিনী। এক. নিজেদের বিশৃঙ্খলা।
দুই.সেনাপতির শাহাদাত। ব্যস, তাদের মনোবল ভেঙে যায়। এই সুযোগে খ্রিষ্টান
বাহিনী হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে। মুসলমানদের লাশের পর লাশ ফেলে সামনে এগোতে
থাকে। তবে এত বিপদের মধ্যেও কিছু দৃঢ়চিত্তের মুজাহিদ নিজেদের তরবারির
নৈপুণ্য দেখান। চরম বিপদের মুহূর্তেও মুসলমানদের বাহুবল কিছুটা হলেও আঁচ
করতে পারে খ্রিষ্টানরা। একসময় রাতের অন্ধকার নেমে আসে। উভয়পক্ষ ছাউনিতে
ফিরে যায়।
মুসলিম বাহিনী ছাউনিতে পৌঁছে একে অন্যের ওপর দোষারোপ করতে লাগল। এমনকি
একে অন্যের দিকে হাতিয়ার পর্যন্ত উঠিয়ে নিল! ফরাসিদের ওপর এখন বিজয়ের আশা
সম্পূর্ণ দুরাশায় পরিণত হলো। এখন নিরাপদে সরে পড়াই একমাত্র বিকল্প রাস্তা।
তাই সে রাতের অাঁধারেই মুসলিম বাহিনী সেপটিমানিয়ার দিকে পথ ধরল।
সকাল হলে মুসলিম ছাউনিতে সব চুপচাপ দেখে চার্লস ও তার মিত্র ইউডিস
মুসলমানদের কোনো নতুন কৌশল মনে করে সন্দিহান হয়ে পড়লেন। তারা সন্তর্পণে
জানতে পারলেন যে, মুসলিম বাহিনী সরে গেছে, আর কিছু আহত সাথিদের ফেলে রেখে
গেছে সেখানে। কালবিলম্ব না করে তারা মুসলিম বাহিনীর ছাউনিতে পৌঁছে আহত
সেনাদের হত্যা করে ছাড়ে। এভাবেই সমাপ্তি ঘটে বালাতুশ শুহাদা যুদ্ধের!
ফ্রান্সের কলিজায় সংঘটিত 'বালাতুশ শুহাদা' যুদ্ধে অত্যন্ত শোচনীয়ভাবে
পরাজিত হয় আন্দালুসের আরব ও বার্বারি মুসলিম বাহিনী। কিন্তু সে যুদ্ধে
মুসলমানরা জিতলে কী হতো? জানেন না? তাহলে শুনুন-
বালাতুশ শুহাদা যুদ্ধে মুসলমানরা জিতলে আজ ইউরোপের ইতিহাস ভিন্নভাবে
রচিত হতো। ইউরোপিয়ান ঐতিহাসিক গিবন ও লেনপুলদের মতে, সে যুদ্ধে মুসলমানরা
জিতলে প্যারিস ও লন্ডনে, ক্যাথলিক গির্জার পরিবর্তে গড়ে উঠত মসজিদ।
অক্সফোর্ড ও অন্যান্য শিক্ষাকেন্দ্রে বাইবেলের পরিবর্তে শোনা যেত কুরআনের
বাণী!
পুনশ্চ: টুরস ফ্রান্সের বেশ বড়সড় একটি শহর। ফ্রান্সে যাওয়ার পথে এ শহরটা। ফ্রান্সের সীমান্ত থেকে প্রায় পাঁচশ কিলোমিটার দূরে।
পুনঃপুনশ্চ: পিকচারে দৃশ্যমান হাজার হাজার মুসলিম মুজাহিদের রক্তস্নাত
প্রান্তরেই সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক বালাতুশ শুহাদা বা টুরসের যুদ্ধ। যা আজও
নীরবে মাতম করে যায়!
---------
সূত্রাবলি:
১- فجر الأندلس-২২৭, ড. হুসাইন মুআন্নিস
২- التاريخ الأندلسي-১৯৭, ড. আবদুর রহমান আল-হাজি
৩- بلاط الشهداء-৪৪, শাওকি আবু খলিল
Friday, February 28, 2020
আন্দালুস হারানোর ৫২৭ বছর #আন্দালুস_সপ্তাহ, ২০১৯ (১ম অংশ)
Thursday, February 27, 2020
কয়েক হাজার বাংলা বইয়ের পিডিএফ লিঙ্ক (১-৩ অংশের লিঙ্ক একসাথে)
কয়েক হাজার বাংলা বইয়ের পিডিএফ লিঙ্ক (১-৩ অংশের লিঙ্ক একসাথে)
প্রথম অংশের লিঙ্ক - https://collectionislamicbd.blogspot.com/2018/09/pdf.html
দ্বিতীয় অংশের লিঙ্ক - https://collectionislamicbd.blogspot.com/2018/09/blog-post_8.html
তৃতীয় অংশের লিঙ্ক - https://collectionislamicbd.blogspot.com/2019/07/blog-post.html
Labels:
bangla books,
free download,
Islamic books,
pdf books,
ইসলামী বই,
ফ্রি ডাউনলোড,
বাংলা বই
কয়েক হাজার ইসলামী বই ফ্রি ডাউনলোড করুন
এতো বই যে আপনার কল্পনার বাহিরে...
বাংলা বই ডাউনলোডের কয়েকটি বিখ্যাত ঠিকানা
https://drive.google.com/drive/folders/0B_qX44OWNG-eb2UzNmR4MWNXQ3c
http://islamicboisomahar.blogspot.com/2017/04/blog-post_10.html
http://waytotawheed.com/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A6/
https://islamhouse.com/bn/main/
https://bit.ly/2ThxRoE
https://bit.ly/2FUGXVm
https://bit.ly/2B4VGZG
https://bit.ly/2DFBKON
https://bit.ly/2wgsSLh
https://bit.ly/2G38CT4
http://almodina.com/site_2.xhtml
http://jamiatulasad.com/?page_id=4188
https://islamiboi.wordpress.com/
http://www.banglakitab.com/kitab.htm
https://islamicbookhouse.wordpress.com/
pathagar.com http://www.islamicbook.ws/bengali/
Dr Amin Library
https://banglakitab.wordpress.com/islamic-book/https://www.facebook.com/groups/1063787927062064/files/
http://eelm.weebly.com/ বা https://banglakitab.weebly.com/
http://ohilibrary.blogspot.com/
(আদ্যাক্ষর অনুযায়ী সাজানো হয়েছে)
০-৯
১লা বৈশাখ ও নারীর বস্ত্রহরণ
৪ জন সালাফী আলেমের জীবনী
৪ টি গুরুত্বপূর্ণ নফল আমল ও তার ফজিলত
৬ তাকবীরের সাথে ঈদের নামাজ আদায়
৭ টি জীবনী
৮ শহীদের বাবা
৯/১১ ষড়যন্ত্র তত্ত্বের ব্যাবচ্ছেদ
৯/১১ হামলার ব্যাপারে শাইখ নাসির আল ফাহদের ফতোয়া
১০ টি বিতর্কিত বিষয়ে প্রশ্ন এবং উত্তর
১০ টি ইসলাম ধ্বংসকারী বিষয়
১২ টি মাদানী কাজ
১২ তাকবীরে ঈদের সালাত
১২ মাসে করণীয় ও বর্জনীয়
১৫ টি কুরআনিক দোয়া
১৭ বছর পূর্তিঃ ময়দান থেকে বার্তা
২০ উপায়ে কাজে লাগান বরকতময় রমাদান মাসকে
২০ রাকাত তারাবীর হাদিস সহীহ
২১ দফা থেকে ৫ দফা
২৪ ঘণ্টাঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবন থেকে
২৪ ঘণ্টা - যাইনাব আল গাজী
২৪ ঘণ্টা ব্যবহারিক জীবনে আমলযোগ্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত
২৪ ঘণ্টার আমল
২৫ বছর পূর্তি ইসলামি ছাত্রী সংস্থা
২৫ দিনে সহজ উপায়ে সৌদি ভাষা শিক্ষা
২৭ ঘণ্টায় কুরআন শিক্ষা
২৮ টি কুফরী বাক্য
৩৫ উপদেশ
৪০ টি মাদানী ইনআমাত
৪০ টি রুহানী চিকিৎসা
৫০ টি দাম্পত্য টিপস
৬৩ মাদানী ইনআমাত
৬৫ ফ্যাক্ট
৭০ সুন্নাহ
৭২ টি মাদানী ইনআমাত
৭৩ ফিরকার পরিচিতি
৮৩ টি উপদেশবাণীঃ কুরআন থেকে
৮৩ সুন্নাত
৯২ টি মাদানী ইনআমাত
১০০ টি প্রয়োজনীয় টিপস ও ট্রিক্স
১০০ সুসাব্যস্ত সুন্নাত
১০১ মাদানী ফুল
১৬৩ মাদানী ফুল
৩১৩ জন বদরী সাহাবির নাম
৩৬০ আউলিয়া
৩৬৫ দিনের ডায়েরিঃ কুরআন হাদিস ও দুয়া
৫০০ ফতোয়া (মা'হাদুল বুহসিল ইসলামিয়া)
১৮৫৭ সাম্রাজ্যবাদ-আধিপত্যবাদবিরোধী স্বাধীনতার মহাসংগ্রাম
২০১৯ এ প্রকাশিত ও প্রকাশিতব্য কিছু বইয়ের তালিকা
অ
৩। অধঃপতনের অতল তলে – আবু তাহের বর্ধমানী
৪। অধিকারীর অধিকার – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
৫। অধিকাংশ লোক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা সত্বেও মুশরিক – খলীলুর রহমান বিন ফযলুর রহমান
৬। অধ্যয়ন ও জ্ঞান সাধনা – আবু বকর সিরাজী
৭। অধ্যাপক গোলাম আযমের সংগ্রামী জীবনী – মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
৮। অনর্থক গুনাহ – মুফতি মুহম্মদ শফী
৯। অন্তর বিধ্বংসী বিষয় – মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
১৮। অপপ্রচারের মুকাবিলায় মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ – এ কে এম নাজির আহমদ৪। অধিকারীর অধিকার – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
৫। অধিকাংশ লোক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা সত্বেও মুশরিক – খলীলুর রহমান বিন ফযলুর রহমান
৬। অধ্যয়ন ও জ্ঞান সাধনা – আবু বকর সিরাজী
৭। অধ্যাপক গোলাম আযমের সংগ্রামী জীবনী – মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
৮। অনর্থক গুনাহ – মুফতি মুহম্মদ শফী
৯। অন্তর বিধ্বংসী বিষয় – মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
১৯। অপরাধ ও শাস্তি সংক্রান্ত মাসআলা- মাসায়েল – ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০। অপরাধ প্রতিরোধে ইসলাম – মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম
২১। অমুসলিম দেশে মুসলিম পর্যটক – মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানী
২২। অমুসলিম নাগরিক ও জামায়াতে ইসলামী – অধ্যাপক গোলাম আযম
২৩। অমুসলিম মনুষীর চোখে আমাদের প্রিয় নবী – উবায়দুর রহমান খান নদভী
২৪। অমুসলিমদের নিকট ইসলাম প্রচারের দায়িত্ব – আ.জ.ম শামসুল আলম
২৫। অমুসলিমদের সাথে রাসুল (সাঃ) এর আচরণ প্রসঙ্গ – ড. রাগিব আস সারজানী
২৬। অযাহাক্কাল বাতিল – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
২৭। অর্থনীতিতে রাসুল (সা)-এর দশ দফা – প্রফেসর শাহ মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান
২৮। অর্থনৈতিক সমস্যার ইসলামী সমাধান – সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদুদী
২৯। অলি আওলিয়াদের অসিলা গ্রহণঃ ইসলামী দৃষ্টিকোণ – আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
৩০। অলৌকিক কিতাব আল কুরআন – আহমেদ দিদাত
৩১। অসীলা গ্রহণঃ বৈধ ও অবৈধ পন্থা – আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল হামীদ আল আসারী
৩২। অসীলার মর্ম ও বিধান – ড. সালিহ বিন সাদ আসসুহাইমী
অঃ ইসলামি বিশ্বকোষ
অকাট্যতা
অকাল্টিজম, সাইন্টিজম ও অন্যান্য
অখণ্ড পাকিস্তানের শেষ দিনগুলি
অগ্নিবীণা (ইসলামিক ভার্সন)
অঞ্জন, এ লেখাটা তোর জন্য
অতি গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় জিজ্ঞাসা ও সেগুলোর জবাব
অতি গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় প্রশ্নোত্তর – আব্দুর রহমান ইবন নাসীর
অন্তরের ব্যাধিসমুহ ও তার চিকিৎসা
অন্ধ অনুসরণ হতে সাবধান
অন্ধকার থেকে আলোতেঃ বইয়ের প্রিভিউ ও রিভিউ
অন্ধকূপ হত্যা রহস্য - মুজিবুর রহমান
অন্ধকূপ হত্যা রহস্য - রহুল আমীন
অন্য আলোয় দেখা
অন্য পথের কন্যারা
অন্যরকম কষ্ট – মাসুদা সুলতানা রুমী
অন্যায় অত্যাচার করা হারাম
অপপ্রচারের মুকাবিলায় মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ – এ কে এম নাজির আহমদ
অপবিত্র বস্তু হতে পবিত্রতা অর্জনের পদ্ধতি
অপরাজিত
অপরাজিতা (সাহাবিয়া সংখ্যা)
অপরাজিতা
অপরাধ প্রতিরোধে ইসলাম – মুহাম্মাদ আবদুর রহীম
অপরিচিত পুরুষের সাথে মুসলিম নারীর করমর্দনের বিধান
অপরিচিতা
অপসংস্কৃতির বিষাক্ত ছোবলঃ তরুণ সমাজের করণীয়
অপারেশন কাশ্মীরঃ গজনবীর দেশ থেকে সোমনাথের পথে
অপারেশন মরুপ্রান্তর
অপারেশন মাজার-ই-শরীফ
অপূর্ণ জ্ঞান
অপূর্ব অপেরা
অপ্রয়োজনীয় কথা পরিহার করা যরুরী
অবশেষে আমি সত্যপথের সন্ধান পেলাম
অবশেষে মিলন
অবশ্যই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি
অবাক সেনাপতি
অবাঞ্ছিত উইল
অবিশ্বাসের অযৌক্তিকতা
অবিশ্বাসের অসুখ নিরাময় করা হয়
অবিশ্বাসের অসুখ
অবিশ্বাসের ভাইরাস
অবৈধ অরণ্য
অবৈধ সম্পর্কের কারণে বেদনা উৎকণ্ঠা
অভদ্রতা
অভিমানী বউ
অমীয় বাণী
অমীমাংসিত মহাপ্রশ্ন
অমুসলিম দেশে মুসলিম পর্যটক – মুহাম্মদ তাকি উসমানী
অমুসলিম মনুষীর চোখে আমাদের প্রিয় নবী – উবায়দুর রহমান খান নদভী
অমুসলিম সংখ্যালঘুদের প্রতি ইসলামের উদারতা
অমুসলিমদের জন্য বার্তা
অমুসলিমদের নিকট ইসলাম প্রচারের দায়িত্ব – আ.জ.ম শামসুল আলম
অমুসলিমদের প্রতি মুসলিমদের আচরণ কেমন হওয়া উচিৎ?
অমুসলিমদের ব্যাপারে একটি বিশেষ আবেদন
অযাহাক্কাল বাতিল – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
অযু ব্যাতীত কুরআনুল কারীম স্পর্শ করার বিধান (১৭ পৃষ্ঠা)
অযু ব্যাতীত কুরআনুল কারীম স্পর্শ করার বিধান (২২ পৃষ্ঠা)
অর্থনীতি ও ইসলাম (সংকলন)
অর্থনীতি, রাজনীতিঃ বাংলাদেশ প্রেক্ষিত
অর্থনীতি সংক্রান্ত প্রবন্ধ
অর্থসহ শিশুদের সুন্দর নাম
অর্থোপার্জনে নারীর বাইরে গমনঃ লাভ-ক্ষতি
অল বেঙ্গল রাবেতায়ে মাদারিসে সুন্নিয়া
অলসতা করা নামাজ বর্জন করা
অলি আওলিয়াদের অসিলা গ্রহণঃ ইসলামী দৃষ্টিকোণ – আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
অলিগণের কারামত
অলীমাহ
অলৌকিক কিতাব আল কুরআন – আহমেদ দিদাত
অলৌকিক প্রেম
অল্পে তুষ্ট হওয়া এবং প্রবৃত্তির দাসত্ব বর্জনের মাহাত্ম্য
অশ্রু নয় রক্ত
অশ্রুর বারিধারা
অশ্লীল পত্রপত্রিকার ভয়াবহতা
অশ্লীলতার পরিনাম ঘাতক ব্যাধির প্রাদুর্ভাব
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ চাই
অলৌকিক প্রেম
অল্পে তুষ্ট হওয়া এবং প্রবৃত্তির দাসত্ব বর্জনের মাহাত্ম্য
অশ্রু নয় রক্ত
অশ্রুর বারিধারা
অশ্লীল পত্রপত্রিকার ভয়াবহতা
অশ্লীলতার পরিনাম ঘাতক ব্যাধির প্রাদুর্ভাব
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ চাই
অসুস্থ আবিদ
অসুস্থ মানুষের জন্য যেসব দোয়া বলা হয়
অস্তিত্ববাদ
অহঙ্কার একটি মারাত্মক গুনাহ
অহঙ্কার বর্জন ও বিনয় অর্জনের উপায়
অহীভিত্তিক তাওহীদী চেতনা
অহেতুক পাপ
আ
৩৪। আউয়াল ওয়াক্তের পরিচয় – জহুর বিন ওসমান
৩৫। আউযুবিল্লাহের হাকীকত – আবদুল গাফফার
৩৬। আকীকা এবং এ সংক্রান্ত কিছু বিধান – আলী হাসান তৈয়ব
৩৭। আকীদা ইসলামিয়াহ – মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব
৩৮। আকীদা সংক্রান্ত দশটি মাসআলা যা না জানলেই নয় – আবনাউত তাওহীদ
৩৯। আকীদাহ সম্পর্কিত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মাসআলাহ – মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী
৪০। আকীদার কিছু অধ্যায় – আব্দুল আযীয ইবন মারযুক
৪১। আকীদার মানদণ্ডে তাবীজ – আলী বিন নুফাই আল উলইয়ানী
৪২। আকীদাহ বিষয়ক দুইশতাধিক প্রশ্নোত্তর – ইমাম হাফেয বিন আহমাদ আল হাকামী
৪৩। আকীদাহ সম্পর্কিত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মাসআলাহ – মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী
৪৪। আক্বীদা ওয়াসেত্বিয়া – আহমাদ বিন আব্দুল হালীম ইবনে তাইমিয়াহ
৪৫। আখিরাতের চিত্র – মাওলানা মুহাম্মদ খলিলুর রহমান মুমিন
৪৬। আখিরাতের জীবনচিত্র – মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
৪৭। আখেরাত – ইমাম গাযযালী রহঃ
৪৮। আখেরাতের সফলতা – এ.কে.এম. নাজির আহমদ
৪৯। আগামী দিনের জীবন বিধান – সাইয়েদ কুতুব শহীদ
৫০। আগামী বিপ্লবের ঘোষানা পত্র – সাইয়েদ কুতুব শহীদ
৫৩। আজাদি আন্দোলনে আলেম সমাজের সংগ্রামী ভূমিকা – জুলফিকার আহমদ কিসমতি
৫৪। আজাবের ভয় ও রহমতের আশা – ইমাম গাযযালী রহঃ
৫৬। আত্তাওহীদ – ড. মোহাম্মাদ শফিউল আলম ভুঁইয়া
৫৭। আত্ম সংশোধন ও সমাজ সংশোধনের কর্মপন্থা – আল্লামা মুসাভী লারী
৫৭। আত্ম সংশোধন ও সমাজ সংশোধনের কর্মপন্থা – আল্লামা মুসাভী লারী
৬১। আত্মার আলোকমণি ২য় খণ্ড – ইমাম গাযযালী রহঃ
৬২। আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার ভয়াবহ পরিণতি – মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয
৬২। আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার ভয়াবহ পরিণতি – মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয
৯১। আদালতের কাঠগড়ায় আল্লামা সাঈদী ১ম খণ্ড – শহিদুল ইসলাম
৯২। আদালতের কাঠগড়ায় আল্লামা সাঈদী ২য় খণ্ড – শহিদুল ইসলাম
৯৩। আদিল্লাতুল হানাফিয়্যায় – আব্দল্লাহ বিন মুসলিম বাহলাবি
৯৪। আধুনিক আরবী ব্যাকরণ – এম এম শাহীদুল্লাহ মিল্লাত
৯৫। আধুনিক নারী ও ইসলামী শরিয়ত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী
৯৬। আধুনিক পরিবেশে ইসলাম – অধ্যাপক গোলাম আযম
৯৭। আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে বিবর্তবাদ – শেখ নুর এ আলম
৯৮। আধুনিক বিশ্বে ইসলাম – মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
৯৯। আধুনিক বিশ্বে ইসলামী জাগরণ ও মাওলানা মওদূদীর চিন্তাধারার প্রভাব – মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
১০০। আধুনিক বিশ্বে ইসলামী পূনর্জাগরণ আন্দোলন ও মাওলানা মওদুদী – আবদুস শহীদ নাসিম
১০১। আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ ও ইসলাম – মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
১০২। আধুনিক বিশ্বের প্রয়োজন ইসলামী রাষ্ট্র – ড. খুরশীদ আহমদ
১০৩। আধুনিক মুসলিম বিশ্বঃ তুরুস্ক-ইরান-আফগানিস্তান – ড. সৈয়দ মাহমুদুল হাসান
১০৪। আধুনিক যন্ত্রপাতির ইসলামি আহকাম– মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ শফী
১০৫। আধুনিক যুগ ইসলাম কৌশল ও কর্মসূচী – ইউসুফ আল কারযাভী
১০৬। আধুনিক যুগে ইসলামী বিপ্লব – মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
১০৭। আধুনিক যুগে কিভাবে সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন করবো – আমির জামান ও নাজমা জামান
১০৮। আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ ও ইসলাম – আবদুল মান্নান তালিব
১০৯। আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি – ড. মুহাম্মদ আবদুল কাদের
১১০। আন্তরিক তাওবা – ইমাম ইবনুল ক্যাইয়ুম ও আবু হামীদ গাযালী
১১১। আন্দোলন সংগঠন কর্মী – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী
১১২। আপন ঘর বাঁচান – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
১১৩। আপনাদের প্রশ্নের জবাব ১ম খণ্ড – আল্লামা মুহাম্মদ ইউসুফ লুধিয়ানাবী
১১৪। আপনাদের প্রশ্নের জবাব ২য় খণ্ড – আল্লামা মুহাম্মদ ইউসুফ লুধিয়ানাবী
১১৫। আপনাদের প্রশ্নের জবাব ৩য় খণ্ড – আল্লামা মুহাম্মদ ইউসুফ লুধিয়ানাবী
১১৬। আপনার ঈমান কি আল্লাহর কাছে গ্রহণ যোগ্য – মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আত্তামীমী
১১৭। আপনার পরিচয় জানেন কি – মাওলানা মোঃ আবু তাহের
১১৮। আপনার হজ্ব শুদ্ধ হচ্ছে কি – মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী
১১৯। আপানার সমীপে আপানার আমানত – মাওলানা মুহাম্মদ কালীম সিদ্দিক
১২০। আফগানিস্তান ও তালিবান – এ, জেড, এম শামসুল আলম
১২১। আফগানিস্তানে আমার দেখা আল্লাহর নিদর্শন – ড. আব্দুল্লাহ আযযাম
১২২। আফগানিস্তানে আমি আল্লাহকে দেখেছি – মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী
১২৩। আফগানিস্তানে পশ্চিমা আগ্রাসন ও আমাদের কর্তব্য – প্রকাশক আহমদ ছফা রাষ্ট্রসভা
১২৪। আবাবিলের কবলে আবরাহা – মুহাম্মদ লুতফুল হক
১২৫। আবার আসবেন তিনিঃ হযরত ঈসা আঃ এর জীবনী – মুহাম্মাদ বুলবুল আজাদ
১২৬। আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনু জারীর আত্ তাবারীঃ জীবন ও কর্ম – ড. নজরুল ইসলাম খা
১২৭। আবু নাজীহ রাঃ এর ইসলাম গ্রহণ – মুসাম্মাৎ শারমীন আখতার
১২৮। আবুবকর রা. সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষানীয় ঘটনা – আহমাদ আবদুল আলি তাহতাভী
১২৯। আবু বাকর আছছিদ্দিক রাঃ এর জীবনী – ড. আহমদ আলি
১৩০। আবুবকর ও ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমার জীবনের কিছু ঘটনা – হোমায়রা বানু
১৩১। আবুবকর রা. সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষানীয় ঘটনা – আহমাদ আবদুল আলি তাহতাভী
১৩২। আমরা কি উদযাপন করব – সম্পাদনাঃ ড. আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া
১৩৩। আমরা কি মুসলমান – সাইয়েদ কুতুব
১৩৪। আমরা কেমন মুসলমান – মাসুদা সুলতানা রুমী
১৩৫। আমরা সেই জাতি ১ম খণ্ড – আবুল আসাদ
১৩৬। আমরা সেই জাতি ২য় খণ্ড – আবুল আসাদ
১৩৭। আমরা সেই জাতি ৩য় খণ্ড – আবুল আসাদ
১৩৮। আমল ও ইবাদত – ডাঃ তৌহিদুর রহমান
১৩৯। আমল কবুলের দুটি শর্ত – মুহাম্মদ মুকাম্মাল হক
১৪০। আমাদের জাতিসত্তার বিকাশধারা – মোহাম্মাদ আবদুল মান্নান
১৪১। আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য কি – ড. জাকির নায়েক
১৪২। আমাদের প্রিয় নবী – হোমায়রা বানু
১৪৩। আমাদের বিপ্লবের নকশা – মুহাম্মদ যাইনুল আবেদিন
১৪৪। আমাদের মযহাব কি বিভিন্ন ভাগে বিভিক্ত – মুহাম্মদ ইকবাল বিন ফাখরুল
১৪৫। আমাদের শাসক যদি এমন হত – আমীরুল মোমেনীন হযরত আলী রাঃ
১৪৬। আমাদের শিক্ষা কোন পথে – আব্দুল্লাহ আল মুতী
১৪৭। আমার আব্বা আম্মা – সাইয়েদা হুমায়রা মওদূদী
১৪৮। আমার আম্মা – সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী
১৪৯। আমার দেখা বৃটেন – ড. আব্দুল্লাহ খাতের
১৫০। আমার সিয়াম কবুল হবে কি – মাসুদা সুলতানা রুমি
১৫১। আমি একজন কবরপূজারী ছিলাম – অধ্যাপক আব্দুল মুন এম আল জাদাভী
১৫২। আমি কেন ইসলাম গ্রহণ করলাম – আবুল হোসেন ভট্টাচার্য
১৫৩। আমি কেন খ্রীষ্টধর্ম গ্রহণ করলাম না – আবুল হোসেন ভট্টাচার্য
১৫৪। আমি কেন জামায়াতে ইসলামী করি – আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
১৫৫। আমি তাওবা করতে চাই কিন্ত – মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
১৫৬। আমি বারোমাস তোমায় ভালোবাসি – মাসুদা সুলতানা রুমি
৯২। আদালতের কাঠগড়ায় আল্লামা সাঈদী ২য় খণ্ড – শহিদুল ইসলাম
৯৩। আদিল্লাতুল হানাফিয়্যায় – আব্দল্লাহ বিন মুসলিম বাহলাবি
৯৪। আধুনিক আরবী ব্যাকরণ – এম এম শাহীদুল্লাহ মিল্লাত
৯৫। আধুনিক নারী ও ইসলামী শরিয়ত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী
৯৬। আধুনিক পরিবেশে ইসলাম – অধ্যাপক গোলাম আযম
৯৭। আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে বিবর্তবাদ – শেখ নুর এ আলম
৯৮। আধুনিক বিশ্বে ইসলাম – মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
৯৯। আধুনিক বিশ্বে ইসলামী জাগরণ ও মাওলানা মওদূদীর চিন্তাধারার প্রভাব – মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
১০০। আধুনিক বিশ্বে ইসলামী পূনর্জাগরণ আন্দোলন ও মাওলানা মওদুদী – আবদুস শহীদ নাসিম
১০১। আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ ও ইসলাম – মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
১০২। আধুনিক বিশ্বের প্রয়োজন ইসলামী রাষ্ট্র – ড. খুরশীদ আহমদ
১০৩। আধুনিক মুসলিম বিশ্বঃ তুরুস্ক-ইরান-আফগানিস্তান – ড. সৈয়দ মাহমুদুল হাসান
১০৪। আধুনিক যন্ত্রপাতির ইসলামি আহকাম– মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ শফী
১০৫। আধুনিক যুগ ইসলাম কৌশল ও কর্মসূচী – ইউসুফ আল কারযাভী
১০৬। আধুনিক যুগে ইসলামী বিপ্লব – মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
১০৭। আধুনিক যুগে কিভাবে সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন করবো – আমির জামান ও নাজমা জামান
১০৮। আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ ও ইসলাম – আবদুল মান্নান তালিব
১০৯। আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি – ড. মুহাম্মদ আবদুল কাদের
১১০। আন্তরিক তাওবা – ইমাম ইবনুল ক্যাইয়ুম ও আবু হামীদ গাযালী
১১১। আন্দোলন সংগঠন কর্মী – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী
১১২। আপন ঘর বাঁচান – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
১১৩। আপনাদের প্রশ্নের জবাব ১ম খণ্ড – আল্লামা মুহাম্মদ ইউসুফ লুধিয়ানাবী
১১৪। আপনাদের প্রশ্নের জবাব ২য় খণ্ড – আল্লামা মুহাম্মদ ইউসুফ লুধিয়ানাবী
১১৫। আপনাদের প্রশ্নের জবাব ৩য় খণ্ড – আল্লামা মুহাম্মদ ইউসুফ লুধিয়ানাবী
১১৬। আপনার ঈমান কি আল্লাহর কাছে গ্রহণ যোগ্য – মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আত্তামীমী
১১৭। আপনার পরিচয় জানেন কি – মাওলানা মোঃ আবু তাহের
১১৮। আপনার হজ্ব শুদ্ধ হচ্ছে কি – মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী
১১৯। আপানার সমীপে আপানার আমানত – মাওলানা মুহাম্মদ কালীম সিদ্দিক
১২০। আফগানিস্তান ও তালিবান – এ, জেড, এম শামসুল আলম
১২১। আফগানিস্তানে আমার দেখা আল্লাহর নিদর্শন – ড. আব্দুল্লাহ আযযাম
১২২। আফগানিস্তানে আমি আল্লাহকে দেখেছি – মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী
১২৩। আফগানিস্তানে পশ্চিমা আগ্রাসন ও আমাদের কর্তব্য – প্রকাশক আহমদ ছফা রাষ্ট্রসভা
১২৪। আবাবিলের কবলে আবরাহা – মুহাম্মদ লুতফুল হক
১২৫। আবার আসবেন তিনিঃ হযরত ঈসা আঃ এর জীবনী – মুহাম্মাদ বুলবুল আজাদ
১২৬। আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনু জারীর আত্ তাবারীঃ জীবন ও কর্ম – ড. নজরুল ইসলাম খা
১২৭। আবু নাজীহ রাঃ এর ইসলাম গ্রহণ – মুসাম্মাৎ শারমীন আখতার
১২৮। আবুবকর রা. সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষানীয় ঘটনা – আহমাদ আবদুল আলি তাহতাভী
১২৯। আবু বাকর আছছিদ্দিক রাঃ এর জীবনী – ড. আহমদ আলি
১৩০। আবুবকর ও ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমার জীবনের কিছু ঘটনা – হোমায়রা বানু
১৩১। আবুবকর রা. সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষানীয় ঘটনা – আহমাদ আবদুল আলি তাহতাভী
১৩২। আমরা কি উদযাপন করব – সম্পাদনাঃ ড. আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া
১৩৩। আমরা কি মুসলমান – সাইয়েদ কুতুব
১৩৪। আমরা কেমন মুসলমান – মাসুদা সুলতানা রুমী
১৩৫। আমরা সেই জাতি ১ম খণ্ড – আবুল আসাদ
১৩৬। আমরা সেই জাতি ২য় খণ্ড – আবুল আসাদ
১৩৭। আমরা সেই জাতি ৩য় খণ্ড – আবুল আসাদ
১৩৮। আমল ও ইবাদত – ডাঃ তৌহিদুর রহমান
১৩৯। আমল কবুলের দুটি শর্ত – মুহাম্মদ মুকাম্মাল হক
১৪০। আমাদের জাতিসত্তার বিকাশধারা – মোহাম্মাদ আবদুল মান্নান
১৪১। আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য কি – ড. জাকির নায়েক
১৪২। আমাদের প্রিয় নবী – হোমায়রা বানু
১৪৩। আমাদের বিপ্লবের নকশা – মুহাম্মদ যাইনুল আবেদিন
১৪৪। আমাদের মযহাব কি বিভিন্ন ভাগে বিভিক্ত – মুহাম্মদ ইকবাল বিন ফাখরুল
১৪৫। আমাদের শাসক যদি এমন হত – আমীরুল মোমেনীন হযরত আলী রাঃ
১৪৬। আমাদের শিক্ষা কোন পথে – আব্দুল্লাহ আল মুতী
১৪৭। আমার আব্বা আম্মা – সাইয়েদা হুমায়রা মওদূদী
১৪৮। আমার আম্মা – সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী
১৪৯। আমার দেখা বৃটেন – ড. আব্দুল্লাহ খাতের
১৫০। আমার সিয়াম কবুল হবে কি – মাসুদা সুলতানা রুমি
১৫১। আমি একজন কবরপূজারী ছিলাম – অধ্যাপক আব্দুল মুন এম আল জাদাভী
১৫২। আমি কেন ইসলাম গ্রহণ করলাম – আবুল হোসেন ভট্টাচার্য
১৫৩। আমি কেন খ্রীষ্টধর্ম গ্রহণ করলাম না – আবুল হোসেন ভট্টাচার্য
১৫৪। আমি কেন জামায়াতে ইসলামী করি – আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
১৫৫। আমি তাওবা করতে চাই কিন্ত – মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
১৫৬। আমি বারোমাস তোমায় ভালোবাসি – মাসুদা সুলতানা রুমি
১৫৮। আযকারে মাসনূনাহ – ইমাম ইবনে কাইয়েম
১৫৯। আয়াতুল কুরসি ও তাওহীদের প্রমাণ – আব্দুর রাযযক ইবন আব্দুল মুহসিন
১৬০। আয়াতুল কুরসীর তাৎপর্য – খন্দকার আবুল খায়ের
১৬১। আয়াতে তাতহীর ও হাদীসে কিসার অর্থ – সানাউল্লাহ নজির আহমদ
১৬২। আয়েশা রাঃ সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষানীয় ঘটনা – আহমাদ আবদুল আলি তাহতাভী
১৬৩। আযাদী আন্দোলন ১৮৫৭ – মাওলানা ফযলে হক খায়রাবাদী
১৬৪। আযাদী আন্দোলনে আলেম সমাজের ভূমিকা – জুলফিকার আহমদ কিসমতি
১৫৯। আয়াতুল কুরসি ও তাওহীদের প্রমাণ – আব্দুর রাযযক ইবন আব্দুল মুহসিন
১৬০। আয়াতুল কুরসীর তাৎপর্য – খন্দকার আবুল খায়ের
১৬১। আয়াতে তাতহীর ও হাদীসে কিসার অর্থ – সানাউল্লাহ নজির আহমদ
১৬২। আয়েশা রাঃ সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষানীয় ঘটনা – আহমাদ আবদুল আলি তাহতাভী
১৬৩। আযাদী আন্দোলন ১৮৫৭ – মাওলানা ফযলে হক খায়রাবাদী
১৬৪। আযাদী আন্দোলনে আলেম সমাজের ভূমিকা – জুলফিকার আহমদ কিসমতি
১৬৫। আযান ও ইকামত – সাঈদ ইবন আলি ইবন ওহাফ আল কাহতানী
১৬৬। আর নারীর ও রয়েছে অধিকার – ইকবাল হুসাইন মাছুম
১৬৭। আর রাহীকুল মাখতুম – আল্লামা ছফিউর রহমান মোবারকপুরী
১৬৮। আরকানুল ইসলাম ওয়াল ঈমান – মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনু
১৬৯। আরকানুল ঈমান বা ঈমানের স্তম্বসমূহ – অনুবাদ ইবরাহিম আবদুল হালীম আল মাদানী
১৭০। আরব বিশ্বে ইসরাইলের আগ্রাসী নীল নকশা – মাহমুদ শীছ খাত্তাব
১৭১। আরবি বাংলা ব্যবহারিক অভিধান – ড. মুহাম্মদ ফজলুর রহমান
১৭২। আরশের ছায়া – আবদুল হামীদ ফাইযী
১৭৩। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যাকাতের ভূমিকা – মোঃ এনামুল হক
১৭৪। আল আকসা মসজিদের ইতিকথা – এ এন এম সিরাজুল ইসলাম
১৭৫। আল ইসলাম বনাম কমিউনিজম – আল্লামা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী আল কোরায়শী
১৭৬। আল কুরআন এক মহাবিশ্ব ময় – ড. মরিস বুকাইল ও ড. কিথ এল. মুর
১৭৭। আল কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান – ড. জাকির নায়েক
১৭৮। আল কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান – মোহাম্মদ ওসমান গণি
১৭৯। আল কুরআন ও তার সুমহান মর্যাদা – আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ
১৮০। আল কুরআন ও মহাবিশ্ব সমন্বিত ধারায় অধ্যয়ন – ড. ত্বাহা জাবির আল আলওয়ানী
১৮১। আল কুরআন ও সুন্নাহর দৃষ্টিতে ভোট – ড. মোহাম্মাদ শফিউল আলম ভুঁইয়া
১৮২। আল কুরআন তিলাওয়াতের নিয়ম কানুন – মুহাম্মদ নাসীল শাহরুখ
১৮৩। আল কুরআন দ্য চ্যালেঞ্জ মহাকাশ ১ম খণ্ড – কাজী জাহান মিয়া
১৮৪। আল কুরআন দ্য চ্যালেঞ্জ মহাকাশ ২য় খণ্ড – কাজী জাহান মিয়া
১৮৫। আল কুরআন বুঝে পড়া উচিত – ড. জাকির নায়েক
১৮৬। আল কুরআন শিক্ষা পদ্ধতি – মুফতি সুলতান মাহমুদ
১৮৭। আল কুরআন সর্বযুগের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ – ওবায়দুল হক
১৮৮। আল কুরআনে এবং সৃষ্টির নিদর্শনে আল্লাহ তাআলার পরিচয় – ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান
১৮৯। আল কুরআনে নব্যুয়াত ও রিসালাত – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম
১৯০। আল কুরআনে নারী ১ম খন্ড – মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন
১৯১। আল কুরআনে নারী ২য় খন্ড – মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন
১৯২। আল কুরআনে রাষ্ট্র ও সরকার – মাওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম
১৯৩। আল কুরআনের ১৬০ মুজিজা ও রহস্য – ড. মাজহার কাজী
১৯৪। আল কুরআনের আলোকে আরবী শিক্ষা – মাওলানা আবু তাহের
১৯৫। আল কুরআনের গল্প – এস.এম রুহুল আমিন
১৯৬। আল কুরআনের দু আ – আবদুস শহীদ নাসিম
১৯৭। আল কুরআনের পরিচয় – মতিউর রহমান নিজামী
১৯৮। আল কুরআনের মানদন্ডে সফলতা ও ব্যর্থতা – আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
১৯৯। আল কুরআনের শিক্ষা – মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী
২০১। আল কুরআনের শিক্ষা ১ম খন্ড – আল্লামা ইউসুফ ইসলাহী
২০২। আল কুরআনের শিক্ষা ২য় খন্ড – আল্লামা ইউসুফ ইসলাহী
২০৪। আল কুরানের আলোকে উন্নত জীবনের আদর্শ – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম
২০৫। আল কুরানের আলোকে শিরক ও তওহীদ – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম
২০৬। আল জিহাদ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
২০৭। আল ফিকহুল আকবার – ইমাম আবু হানিফা
২০৮। আল মউযুআত – ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
২০৯। আল মুনীর আরবী-বাংলা অভিধান – ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান
২১০। আল হিজাব
২১১। আল হিসনুল ওয়াকি – আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল সাদহান
২১৩। আল-কুরআনে উদাহরণ – অধ্যাপক মুজীবুর রহমান
২১৪। আল-কুরআনে নারীদের ২৫ সূরা – মোরশেদা বেগম
২১৫। আল-কুরআনের দৃষ্টিতে ইবাদাতের সঠিক অর্থ – আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
২১৬। আল-কুরআনের দৃষ্টিতে মহাকাশ ও বিজ্ঞান – আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
২১৭। আল-কুরআনের ভবিষ্যদ্বাণী ও প্রতিশ্রুতির বিস্ময়কর বাস্তবায়ন – আজিজুল হক ভুঁইয়
২১৮। আল-ফিকহুল আকবর – ইমাম আবু হানিফা
২১৯। আলআকীদাহ আততাহাবীয়া – ইমাম আবু যাফর আহমাদ
২২০। আলি সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষানীয় ঘটনা – আহমাদ আবদুল আলি তাহতাভী
২২১। আলেমগণ নানামতে যেতে হবে নবীর পথে – আবদুল গাফফার
২২২। আলেমগণের মধ্যে মতভেদ কারণ এবং আমাদের অবস্থান – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
২২৩। আলেমে দ্বীন সাইয়্যেদ আবুল আলা মওদুদী – আব্বাস আলী খান
২২৪। আলোকিত নারী – মাওলানা তারিক জামীল
২২৫। আলোকের ঝর্নাধারা – নুরুল মোমেন
২২৬। আলোর দীপাধার – ইমাম গাযযালী রহঃ
২২৭। আলোর পরশ – ইকবাল মুজাহিদ
২২৮। আল্লামা মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আলিবানী এর জীবনী – আব্দুল্লাহিল হাদী
২২৯। আল্লামা মুহাম্মাদ ইবন আলী আশ্ শাওকানী জীবন ও কর্ম – ড. মুহাম্মাদ ছামিউল হক
২৩০। আল্লামা সাঈদী রচনাবলী ১ম খন্ড
২৩১। আল্লামা সাঈদী রচনাবলী ২য় খন্ড
২৩২। আল্লাহ আমাদের বিজয়ের জন্য প্রস্তুত করছেন – মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক খান
২৩৩। আল্লাহ কি নিরাকার সর্বত্র বিরাজমান – হাফেয মুহাম্মদ আইয়ুব
২৩৪। আল্লাহ কোথায় আছেন – আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
২৩৫। আল্লাহ কোথায় – মুহম্মদ ইকবাল বিন ফাখরুল
২৩৬। আল্লাহ ক্ষমাশীল – রফিক আহমাদ
২৩৭। আল্লাহ তাআলা কোথায় আছেন – আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
২৩৮। আল্লাহ তাআলার নান্দনিক নাম ও গুণসমগ্র কিছু আদর্শিক নীতিমালা – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
২৩৯। আল্লাহ তায়ালার সাথে মানুষের সম্পর্ক – অধ্যাপক গোলাম আযম
২৪০। আল্লাহ তার নুরকে বিকশিত করবেনই – মাসুদা সুলতানা রুমি
২৪১। আল্লাহ পাক স্রষ্টা মহান – দেলওয়ার বিন রশিদ
২৪২। আল্লাহ মৃতদেহ নিয়ে কি করবেন – দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
২৪৩। আল্লাহকে ঋণ দান – রফিক আহমাদ
২৪৪। আল্লাহকে পেতে মাধ্যম গ্রহণ – শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
২৪৫। আল্লাহকে সম্মান দেওয়া ও তাকে গালমন্দকারীর বিধান – আব্দুল আযীয আত ত্বারীফি
২৪৬। আল্লাহর অনেক নাম – হারুন ইয়াহিয়া
২৪৭। আল্লাহর অবস্থান কোথায় – মুহম্মদ ইকবাল বিন ফাখরুল
২৪৮। আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন এবং এর পরিপন্থী বিষয় বর্জনের অপরিহার্যতা – আব্দুল আযীয বিন আব্দুল বাজ
২৪৯। আল্লাহর উপর তায়াক্কুলঃ গুরুত্ব ও তাৎপর্য – আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৫০। আল্লাহর উপর ভরসা – মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
২৫১। আল্লাহর খেলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি – অধ্যাপক গোলাম আযম
২৫২। আল্লাহর তলোয়ার – মেজর জেনারেল এ.আই আকরাম
২৫৩। আল্লাহর দল ও শয়তানের দল – মোঃ জিল্লুর রহমান হাশেমী
২৫৪। আল্লাহর দিকে আহবান – এ. কে. এম নাজির আহমদ
২৫৫। আল্লাহর দিকে আহবান ও দাঈর গুণাবলী – আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
২৫৬। আল্লাহর দিকে আহবান
২৫৭। আল্লাহর দিকে আহবান – এ. কে. এম নাজির আহমদ
২৫৮। আল্লাহর দিকে আহ্বান ও দায়ীর গুণাবলী – আব্দুল আযীয বিন আব্দুল বায
২৫৯। আল্লাহর দিকে দাওয়াতের সম্বল – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
২৬০। আল্লাহর দিকে রাসুল (সাঃ)এর দাওয়াতের বাস্তব কিছু নমুনা – সাঈদ ইবন আলি ইবন ওহাফ আল কাহতানী
২৬১। আল্লাহর দুয়ারে ধরণা – অধ্যাপক গোলাম আযম
২৬৩। আল্লাহর নামাবলী – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
২৬৪। আল্লাহর নিকট অধিক পচ্ছন্দনীয় আমল – আসমা বিনতে রাশেদ
২৬৫। আল্লাহর নৈকট্য লাভের অনন্য উপায় তাওবা – জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
২৬৬। আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায় – মতিউর রহমান নিজামী
২৬৭। আল্লাহর পথে – মুফতী মুহাম্মদ তৈয়্যেব হোসাইন
২৬৮। আল্লাহর পথে জিহাদ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
২৬৯। আল্লাহর পথে দাওয়াত – ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
২৭০। আল্লাহর পথে যাত্রা – হাফিজ ইবনে রজব আল হাম্বালী
২৭১। আল্লাহর পথের ঠিকানা – সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী
২৭২। আল্লাহর পরিচয় – এ.কে.এম. নাজির আহমদ
২৭৩। আল্লাহর প্রতি আহ্বান তা নাহলে ধ্বংস – ড. জাকির নায়েক
২৭৫। আল্লাহর ভয়ে কাঁদা – শাইখ হুসাইন আল আওয়াইশাহ
২৭৬। আল্লাহর ভালোবাসা অর্জনের ১০ উপায় – ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম
২৭৭। আল্লাহর রাসুল কিভাবে নামায পড়তেন – আল্লামা হাফিয ইবনুল কায়্যিম
২৭৮। আল্লাহর রাসূল সা. দৈনন্দিন জীবনে যে সব যিকির ও দু আ পড়তেন – মুহাম্মদ গোলাম
২৭৯। আল্লাহর রাসূলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ – জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
২৮০। আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় – মোঃ জিল্লুর রহমান হাশেমী
২৮১। আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী – ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম
২৮২। আল্লাহর সুন্দর নাম সুমহের ব্যাখ্যা – সাইয়েদ মুহাম্মদ মোস্তফা আল বাকরী
২৮৩। আল্লাহর হক বানদার হক – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম
২৮৪। আল্লাহর হক মানুষের হক – জাবেদ মুহাম্মাদ
২৮৫। আল্লাহরর উপর তাওয়াক্কুলঃ গুরুত্ব ও তাৎপর্য – আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৮৬। আল্লাহ্র দৃষ্টিতে কে ইমান্দার কে মুশরিক – খন্দকার আবুল খায়ের
২৮৭। আল্লাহ্র পরিচয় ও দ্বীন প্রতিষ্ঠার প্রয়াস – এ.কে.এম.নাজির আহমদ
২৮৮। আশ শিরক – প্রফেসর আ.ন.ম. রফীকুর রহমান
২৮৯। আশরাফুল জওয়াব – মাওলানা আশরাফ আলী থানবী
২৯০। আশারায়ে মুবাশশারাহ সহ জান্নাতি ২০ সাহাবী – পিস পাবলিকেশন্স
২৯১। আশুরা ও কারবালা – আবু আহমাদ সাইফুদ্দিন বেলাল
২৯২। আশুরাঃ করনীয় ও বর্জনীয় – আব্দুল্লাহ শহীদ আবদুর রহমান
২৯৩। আশুরায়ে মুহাররম ও আমাদের করণীয় – মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব
২৯৪। আস সুন্নাহর অপরিহার্যতা – ড. মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
২৯৫। আস-সালাত আস-সালাত – নূর মুহাম্মদ বদীউর রহমান
২৯৬। আসমা রাঃ সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষণীয় ঘটনা – আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী
২৯৭। আসমাউল হুসনা – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী
২৯৮। আসরারে খূদী – আল্লামা ইকবাল
২৯৯। আসহাবে কাহাফের কিস্সা – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম
৩০০। আসহাবে রাসুলের কাব্য প্রতিভা – ড. মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ
৩০১। আসহাবে রাসুলের জীবনকথা ১ম খণ্ড – মুহাম্মদ আব্দুল মাবুদ
৩০২। আসহাবে রাসুলের জীবনকথা ২য় খণ্ড – মুহাম্মদ আব্দুল মাবুদ
৩০৩। আসহাবে রাসুলের জীবনকথা ৩য় খণ্ড – মুহাম্মদ আব্দুল মাবুদ
৩০৪। আসহাবে রাসুলের জীবনকথা ৪র্থ খণ্ড – মুহাম্মদ আব্দুল মাবুদ
৩০৫। আসহাবে রাসুলের জীবনকথা ৫ম খণ্ড – মুহাম্মদ আব্দুল মাবুদ
৩০৬। আসহাবে রাসুলের জীবনকথা ৬ষ্ঠ খণ্ড – মুহাম্মদ আব্দুল মাবুদ
৩০৭। আসহাবে রাসুলের জীবনধারা – এ.কে.এম. নাজির আহমদ অথবা
৩০৭/১। আসহাবে রাসুলের জীবনধারা – এ.কে.এম. নাজির আহমদ
৩০৮। আসান ফেকাহ ১ম খণ্ড – মাওলানা ইউসুফ ইসলাহি
৩০৯। আসান ফেকাহ ২য় খণ্ড – মাওলানা ইউসুফ ইসলাহি
৩১০। আসান ফেকাহ সংকলিত – মাওলানা ইউসুফ ইসলাহি
৩১১। আসুন আল্লাহর সৈনিক হই – অধ্যাপক গোলাম আযম
৩১২। আসুন দ্বীনকে মানি – ছাইদুল হক মজুমদার
৩১৩। আহকামে কুরবানি – মুফতি কামালুদ্দিন
৩১৪। আহকামে জিন্দেগি – মুহাম্মদ হেমায়াত উদ্দিন
৩১৫। আহকামে হজ্জ উমরাহ – মুফতি মুহম্মদ শফী
৩১৬। আহমদ দীদাত রচনাবলী – অনুবাদ ফজলে রাব্বী
৩১৭। আহমেদ দীদাত জীবনী – আব্দুল্লাহ আল আমিন
৩১৮। আহলি সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা বা বিশ্বাস – মুহাম্মদ সালেহ আল উসাইমিন
৩১৯। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আকীদা – ইমাম আবু যাফর আহমাদ আত ত্বহাবী
৩২০। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আকীদা – ইমাম তাহাবী রহঃ
৩২১। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের আকীদা ও সংক্ষিপ্ত মূলনীতি – ড. নাসের ইবন আবদুল করীম আল আকল
১৬৬। আর নারীর ও রয়েছে অধিকার – ইকবাল হুসাইন মাছুম
১৬৭। আর রাহীকুল মাখতুম – আল্লামা ছফিউর রহমান মোবারকপুরী
১৬৮। আরকানুল ইসলাম ওয়াল ঈমান – মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনু
১৬৯। আরকানুল ঈমান বা ঈমানের স্তম্বসমূহ – অনুবাদ ইবরাহিম আবদুল হালীম আল মাদানী
১৭০। আরব বিশ্বে ইসরাইলের আগ্রাসী নীল নকশা – মাহমুদ শীছ খাত্তাব
১৭১। আরবি বাংলা ব্যবহারিক অভিধান – ড. মুহাম্মদ ফজলুর রহমান
১৭২। আরশের ছায়া – আবদুল হামীদ ফাইযী
১৭৩। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যাকাতের ভূমিকা – মোঃ এনামুল হক
১৭৪। আল আকসা মসজিদের ইতিকথা – এ এন এম সিরাজুল ইসলাম
১৭৫। আল ইসলাম বনাম কমিউনিজম – আল্লামা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী আল কোরায়শী
১৭৬। আল কুরআন এক মহাবিশ্ব ময় – ড. মরিস বুকাইল ও ড. কিথ এল. মুর
১৭৭। আল কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান – ড. জাকির নায়েক
১৭৮। আল কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান – মোহাম্মদ ওসমান গণি
১৭৯। আল কুরআন ও তার সুমহান মর্যাদা – আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ
১৮০। আল কুরআন ও মহাবিশ্ব সমন্বিত ধারায় অধ্যয়ন – ড. ত্বাহা জাবির আল আলওয়ানী
১৮১। আল কুরআন ও সুন্নাহর দৃষ্টিতে ভোট – ড. মোহাম্মাদ শফিউল আলম ভুঁইয়া
১৮২। আল কুরআন তিলাওয়াতের নিয়ম কানুন – মুহাম্মদ নাসীল শাহরুখ
১৮৩। আল কুরআন দ্য চ্যালেঞ্জ মহাকাশ ১ম খণ্ড – কাজী জাহান মিয়া
১৮৪। আল কুরআন দ্য চ্যালেঞ্জ মহাকাশ ২য় খণ্ড – কাজী জাহান মিয়া
১৮৫। আল কুরআন বুঝে পড়া উচিত – ড. জাকির নায়েক
১৮৬। আল কুরআন শিক্ষা পদ্ধতি – মুফতি সুলতান মাহমুদ
১৮৭। আল কুরআন সর্বযুগের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ – ওবায়দুল হক
১৮৮। আল কুরআনে এবং সৃষ্টির নিদর্শনে আল্লাহ তাআলার পরিচয় – ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান
১৮৯। আল কুরআনে নব্যুয়াত ও রিসালাত – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম
১৯০। আল কুরআনে নারী ১ম খন্ড – মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন
১৯১। আল কুরআনে নারী ২য় খন্ড – মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন
১৯২। আল কুরআনে রাষ্ট্র ও সরকার – মাওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম
১৯৩। আল কুরআনের ১৬০ মুজিজা ও রহস্য – ড. মাজহার কাজী
১৯৪। আল কুরআনের আলোকে আরবী শিক্ষা – মাওলানা আবু তাহের
১৯৫। আল কুরআনের গল্প – এস.এম রুহুল আমিন
১৯৬। আল কুরআনের দু আ – আবদুস শহীদ নাসিম
১৯৭। আল কুরআনের পরিচয় – মতিউর রহমান নিজামী
১৯৮। আল কুরআনের মানদন্ডে সফলতা ও ব্যর্থতা – আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
১৯৯। আল কুরআনের শিক্ষা – মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী
২০১। আল কুরআনের শিক্ষা ১ম খন্ড – আল্লামা ইউসুফ ইসলাহী
২০২। আল কুরআনের শিক্ষা ২য় খন্ড – আল্লামা ইউসুফ ইসলাহী
২০৪। আল কুরানের আলোকে উন্নত জীবনের আদর্শ – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম
২০৫। আল কুরানের আলোকে শিরক ও তওহীদ – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম
২০৬। আল জিহাদ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
২০৭। আল ফিকহুল আকবার – ইমাম আবু হানিফা
২০৮। আল মউযুআত – ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
২০৯। আল মুনীর আরবী-বাংলা অভিধান – ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান
২১০। আল হিজাব
২১১। আল হিসনুল ওয়াকি – আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল সাদহান
২১৩। আল-কুরআনে উদাহরণ – অধ্যাপক মুজীবুর রহমান
২১৪। আল-কুরআনে নারীদের ২৫ সূরা – মোরশেদা বেগম
২১৫। আল-কুরআনের দৃষ্টিতে ইবাদাতের সঠিক অর্থ – আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
২১৬। আল-কুরআনের দৃষ্টিতে মহাকাশ ও বিজ্ঞান – আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
২১৭। আল-কুরআনের ভবিষ্যদ্বাণী ও প্রতিশ্রুতির বিস্ময়কর বাস্তবায়ন – আজিজুল হক ভুঁইয়
২১৮। আল-ফিকহুল আকবর – ইমাম আবু হানিফা
২১৯। আলআকীদাহ আততাহাবীয়া – ইমাম আবু যাফর আহমাদ
২২০। আলি সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষানীয় ঘটনা – আহমাদ আবদুল আলি তাহতাভী
২২১। আলেমগণ নানামতে যেতে হবে নবীর পথে – আবদুল গাফফার
২২২। আলেমগণের মধ্যে মতভেদ কারণ এবং আমাদের অবস্থান – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
২২৩। আলেমে দ্বীন সাইয়্যেদ আবুল আলা মওদুদী – আব্বাস আলী খান
২২৪। আলোকিত নারী – মাওলানা তারিক জামীল
২২৫। আলোকের ঝর্নাধারা – নুরুল মোমেন
২২৬। আলোর দীপাধার – ইমাম গাযযালী রহঃ
২২৭। আলোর পরশ – ইকবাল মুজাহিদ
২২৮। আল্লামা মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আলিবানী এর জীবনী – আব্দুল্লাহিল হাদী
২২৯। আল্লামা মুহাম্মাদ ইবন আলী আশ্ শাওকানী জীবন ও কর্ম – ড. মুহাম্মাদ ছামিউল হক
২৩০। আল্লামা সাঈদী রচনাবলী ১ম খন্ড
২৩১। আল্লামা সাঈদী রচনাবলী ২য় খন্ড
২৩২। আল্লাহ আমাদের বিজয়ের জন্য প্রস্তুত করছেন – মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক খান
২৩৩। আল্লাহ কি নিরাকার সর্বত্র বিরাজমান – হাফেয মুহাম্মদ আইয়ুব
২৩৪। আল্লাহ কোথায় আছেন – আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
২৩৫। আল্লাহ কোথায় – মুহম্মদ ইকবাল বিন ফাখরুল
২৩৬। আল্লাহ ক্ষমাশীল – রফিক আহমাদ
২৩৭। আল্লাহ তাআলা কোথায় আছেন – আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
২৩৮। আল্লাহ তাআলার নান্দনিক নাম ও গুণসমগ্র কিছু আদর্শিক নীতিমালা – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
২৩৯। আল্লাহ তায়ালার সাথে মানুষের সম্পর্ক – অধ্যাপক গোলাম আযম
২৪০। আল্লাহ তার নুরকে বিকশিত করবেনই – মাসুদা সুলতানা রুমি
২৪১। আল্লাহ পাক স্রষ্টা মহান – দেলওয়ার বিন রশিদ
২৪২। আল্লাহ মৃতদেহ নিয়ে কি করবেন – দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী
২৪৩। আল্লাহকে ঋণ দান – রফিক আহমাদ
২৪৪। আল্লাহকে পেতে মাধ্যম গ্রহণ – শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ
২৪৫। আল্লাহকে সম্মান দেওয়া ও তাকে গালমন্দকারীর বিধান – আব্দুল আযীয আত ত্বারীফি
২৪৬। আল্লাহর অনেক নাম – হারুন ইয়াহিয়া
২৪৭। আল্লাহর অবস্থান কোথায় – মুহম্মদ ইকবাল বিন ফাখরুল
২৪৮। আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন এবং এর পরিপন্থী বিষয় বর্জনের অপরিহার্যতা – আব্দুল আযীয বিন আব্দুল বাজ
২৪৯। আল্লাহর উপর তায়াক্কুলঃ গুরুত্ব ও তাৎপর্য – আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৫০। আল্লাহর উপর ভরসা – মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
২৫১। আল্লাহর খেলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি – অধ্যাপক গোলাম আযম
২৫২। আল্লাহর তলোয়ার – মেজর জেনারেল এ.আই আকরাম
২৫৩। আল্লাহর দল ও শয়তানের দল – মোঃ জিল্লুর রহমান হাশেমী
২৫৪। আল্লাহর দিকে আহবান – এ. কে. এম নাজির আহমদ
২৫৫। আল্লাহর দিকে আহবান ও দাঈর গুণাবলী – আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
২৫৬। আল্লাহর দিকে আহবান
২৫৭। আল্লাহর দিকে আহবান – এ. কে. এম নাজির আহমদ
২৫৮। আল্লাহর দিকে আহ্বান ও দায়ীর গুণাবলী – আব্দুল আযীয বিন আব্দুল বায
২৫৯। আল্লাহর দিকে দাওয়াতের সম্বল – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
২৬০। আল্লাহর দিকে রাসুল (সাঃ)এর দাওয়াতের বাস্তব কিছু নমুনা – সাঈদ ইবন আলি ইবন ওহাফ আল কাহতানী
২৬১। আল্লাহর দুয়ারে ধরণা – অধ্যাপক গোলাম আযম
২৬৩। আল্লাহর নামাবলী – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
২৬৪। আল্লাহর নিকট অধিক পচ্ছন্দনীয় আমল – আসমা বিনতে রাশেদ
২৬৫। আল্লাহর নৈকট্য লাভের অনন্য উপায় তাওবা – জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
২৬৬। আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায় – মতিউর রহমান নিজামী
২৬৭। আল্লাহর পথে – মুফতী মুহাম্মদ তৈয়্যেব হোসাইন
২৬৮। আল্লাহর পথে জিহাদ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
২৬৯। আল্লাহর পথে দাওয়াত – ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
২৭০। আল্লাহর পথে যাত্রা – হাফিজ ইবনে রজব আল হাম্বালী
২৭১। আল্লাহর পথের ঠিকানা – সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী
২৭২। আল্লাহর পরিচয় – এ.কে.এম. নাজির আহমদ
২৭৩। আল্লাহর প্রতি আহ্বান তা নাহলে ধ্বংস – ড. জাকির নায়েক
২৭৫। আল্লাহর ভয়ে কাঁদা – শাইখ হুসাইন আল আওয়াইশাহ
২৭৬। আল্লাহর ভালোবাসা অর্জনের ১০ উপায় – ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম
২৭৭। আল্লাহর রাসুল কিভাবে নামায পড়তেন – আল্লামা হাফিয ইবনুল কায়্যিম
২৭৮। আল্লাহর রাসূল সা. দৈনন্দিন জীবনে যে সব যিকির ও দু আ পড়তেন – মুহাম্মদ গোলাম
২৭৯। আল্লাহর রাসূলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ – জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
২৮০। আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় – মোঃ জিল্লুর রহমান হাশেমী
২৮১। আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী – ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম
২৮২। আল্লাহর সুন্দর নাম সুমহের ব্যাখ্যা – সাইয়েদ মুহাম্মদ মোস্তফা আল বাকরী
২৮৩। আল্লাহর হক বানদার হক – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম
২৮৪। আল্লাহর হক মানুষের হক – জাবেদ মুহাম্মাদ
২৮৫। আল্লাহরর উপর তাওয়াক্কুলঃ গুরুত্ব ও তাৎপর্য – আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৮৬। আল্লাহ্র দৃষ্টিতে কে ইমান্দার কে মুশরিক – খন্দকার আবুল খায়ের
২৮৭। আল্লাহ্র পরিচয় ও দ্বীন প্রতিষ্ঠার প্রয়াস – এ.কে.এম.নাজির আহমদ
২৮৮। আশ শিরক – প্রফেসর আ.ন.ম. রফীকুর রহমান
২৮৯। আশরাফুল জওয়াব – মাওলানা আশরাফ আলী থানবী
২৯০। আশারায়ে মুবাশশারাহ সহ জান্নাতি ২০ সাহাবী – পিস পাবলিকেশন্স
২৯১। আশুরা ও কারবালা – আবু আহমাদ সাইফুদ্দিন বেলাল
২৯২। আশুরাঃ করনীয় ও বর্জনীয় – আব্দুল্লাহ শহীদ আবদুর রহমান
২৯৩। আশুরায়ে মুহাররম ও আমাদের করণীয় – মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব
২৯৪। আস সুন্নাহর অপরিহার্যতা – ড. মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
২৯৫। আস-সালাত আস-সালাত – নূর মুহাম্মদ বদীউর রহমান
২৯৬। আসমা রাঃ সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষণীয় ঘটনা – আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী
২৯৭। আসমাউল হুসনা – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী
২৯৮। আসরারে খূদী – আল্লামা ইকবাল
২৯৯। আসহাবে কাহাফের কিস্সা – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম
৩০০। আসহাবে রাসুলের কাব্য প্রতিভা – ড. মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ
৩০১। আসহাবে রাসুলের জীবনকথা ১ম খণ্ড – মুহাম্মদ আব্দুল মাবুদ
৩০২। আসহাবে রাসুলের জীবনকথা ২য় খণ্ড – মুহাম্মদ আব্দুল মাবুদ
৩০৩। আসহাবে রাসুলের জীবনকথা ৩য় খণ্ড – মুহাম্মদ আব্দুল মাবুদ
৩০৪। আসহাবে রাসুলের জীবনকথা ৪র্থ খণ্ড – মুহাম্মদ আব্দুল মাবুদ
৩০৫। আসহাবে রাসুলের জীবনকথা ৫ম খণ্ড – মুহাম্মদ আব্দুল মাবুদ
৩০৬। আসহাবে রাসুলের জীবনকথা ৬ষ্ঠ খণ্ড – মুহাম্মদ আব্দুল মাবুদ
৩০৭। আসহাবে রাসুলের জীবনধারা – এ.কে.এম. নাজির আহমদ অথবা
৩০৭/১। আসহাবে রাসুলের জীবনধারা – এ.কে.এম. নাজির আহমদ
৩০৮। আসান ফেকাহ ১ম খণ্ড – মাওলানা ইউসুফ ইসলাহি
৩০৯। আসান ফেকাহ ২য় খণ্ড – মাওলানা ইউসুফ ইসলাহি
৩১০। আসান ফেকাহ সংকলিত – মাওলানা ইউসুফ ইসলাহি
৩১১। আসুন আল্লাহর সৈনিক হই – অধ্যাপক গোলাম আযম
৩১২। আসুন দ্বীনকে মানি – ছাইদুল হক মজুমদার
৩১৩। আহকামে কুরবানি – মুফতি কামালুদ্দিন
৩১৪। আহকামে জিন্দেগি – মুহাম্মদ হেমায়াত উদ্দিন
৩১৫। আহকামে হজ্জ উমরাহ – মুফতি মুহম্মদ শফী
৩১৬। আহমদ দীদাত রচনাবলী – অনুবাদ ফজলে রাব্বী
৩১৭। আহমেদ দীদাত জীবনী – আব্দুল্লাহ আল আমিন
৩১৮। আহলি সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা বা বিশ্বাস – মুহাম্মদ সালেহ আল উসাইমিন
৩১৯। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আকীদা – ইমাম আবু যাফর আহমাদ আত ত্বহাবী
৩২০। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আকীদা – ইমাম তাহাবী রহঃ
৩২১। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের আকীদা ও সংক্ষিপ্ত মূলনীতি – ড. নাসের ইবন আবদুল করীম আল আকল
ই
৩১৭। ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে – ড. মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আরিফী অথবা রঙ্গিন
৩১৮। ইকামাতুস সালাত – মুফতি কাজী মুহাম্মদ ইব্রাহিম
৩১৯। ইকামাতে দ্বীন – অধ্যাপক গোলাম আযম
৩২০। ইখলাস – আব্দুল্লাহ আল মামুন আল আযহারী
৩২১। ইখলাস কেন ও কিভাবে – গবেষণা পরিষদ আল মুনতাদা আল ইসলামী
৩২২। ইখলাস মুক্তির উপায় – ফায়সাল বিন আলি আল বাদানী
৩২৩। ইছলাহুন নিসওয়ানঃ মাতৃ জাতির সংশোধন – মাওলানা আশরাফ আলী থানবী
৩২৪। ইছলাহুন মুসলিমীন – মাওলানা আশরাফ আলী থানবী
৩২৫। ইতিহাস কথা কয় – আবুল হোসেন ভট্টাচার্য
০। ইতিহাস কথা কয় – মুহমদ আবূ তালিব
৩২৬। ইতিহাসে কাঠগড়ায় হযরত মুয়াবিয়া রা. – মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
৩২৭। ইতিহাসের আলোকে আমাদের শিক্ষার ঐতিহ্য ও প্রকৃতি – অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আলমগীর
৩২৮। ইতিহাসের আলোকে দেশ বিভাগ ও কায়েদে আযম জিন্নাহ – এম. এ. মোহাইমেন
৩২৯। ইতিহাসের ইতিহাস – আল্লামা গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৩৩০। ইতিহাসের দুর্লভ তথ্যাবলী – মুহাম্মদ গোফরান রশীদি কীরানভী
৩৩১। ইত্তিবায়ে সুন্নাতের মাসায়েল – মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী
৩৩২। ইনফাক ফি সাবিলিল্লাহ – মতিউর রহমান নিজামী
৩৩৩। ইনসানে কামেল – মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব
৩৩৪। ইন্টারনেট ঈমান, আখলাক ও বুদ্ধি বিবেকের পরিক্ষা – মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহীম আল হামদ
৩৩৫। ইবাদত – ড. মুহাম্মদ শফিউল আলম ভূঁইয়া
৩৩৭। ইবাদত বন্দেগীতে মধ্যম পন্থা অবলম্বন – আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৩৩৮। ইবাদতের নামে প্রচলিত বেদাত সমূহ – হাফেয মাহমুদুল হাসান
৩৩৯। ইবাদাতের মর্মকথা – ইমাম ইবনে তাইমিয়া
৩৪০। ইমানের ৭৭ টি শাখা – ইমাম বায়হাকী
৩৪১। ইমানের দাবী মু মিনের পরিচয় – খন্দকার আবুল খায়ের
৩৪২। ইমানের মৌলিক নীতিমালা সংক্রান্ত মনিমুক্তা – ড. মুহাম্মদ ইয়োসরী
৩৪৩। ইমাম আজমের গল্প শোন – মাওলানা হাবীবুর রহমান
৩৪৪। ইমাম ইবনু তাইমিয়া ও শায়খ মুহাম্মদ ইবনু আবদিল ওয়াহহাবঃ জীবন ও কর্ম – এ.কিউ.এ
৩৪৫। ইমাম ইবনু তাইমিয়া রহ. এর জীবন ও কর্ম – এ.কিউ.এম আবদুল হাকীম আল মাদানী
৩৪৬। ইমাম ইবনে তাইমার সংগ্রামী জীবন – আবদুল মান্নান তালিব
৩৪৭। ইমাম মাহদী (আঃ)-এর আত্মপ্রকাশ – আলী আল কুরানী
৩৪৮। ইমাম মাহদীর আবির্ভাব ঈসার (আঃ) অবতারণ ও আলামতে কিয়ামত – মাওলানা আবুল কালাম
৩৪৯। ইমাম মুসলিমের জীবনী – মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান
৩৫০। ইমাম মেহদীর দোস্ত ও দুশমনঃ দেশ বড় না দ্বীন বড় – মাও আছেম ওমর
৩৫১। ইমাম হাসানুল বান্না ও সমকালীন মিশর – খলিল আহমদ হামেদী
৩৫২। ইমাম হুসাইনের রা. শাহাদাত – আকরাম ফারুক
৩৫৩। ইমাম হোসেইন এর শাহাদাতের পর মহানবী সাঃ এর বন্দী পরিবার – মুহাম্মদ ইরফানুল
৩৫৪। ইমামগণের মতবিরোধ কি ও কেন – মুহাম্মদ যাকারিয়া মুহাজিরে মাদানী
৩৫৫। ইযহারুল হকঃ সত্যের বিজয় ১ম খণ্ড – রাহমাতুল্লাহ ইবন খলিলুর রহমান
৩৫৬। ইযহারুল হকঃ সত্যের বিজয় ২য় খণ্ড – রাহমাতুল্লাহ ইবন খলিলুর রহমান
৩৫৭। ইয়ারমুকের লড়াই – আবু সাঈদ মুহাম্মদ আব্দুল হাই
৩৫৮। ইযাহুল ইসলাম – মাওলানা আবুবকর সিরাজী
৩৫৯। ইলম গোপনের পরিণতি – খন্দকার আবুল খায়ের
৩৬০। ইলম হাসিল সম্পর্কে পূর্বসূরিদের কিছু বাণী – হিসামুদ্দিন সালীম কিলানী
৩৬১। ইলমুত তাফসীর ইলমুল হাদিস ইলমুল ফিকহ – ইসলামিক সেন্টার
৩৬২। ইলমে হাদিসের গুরুত্ব ও মর্যাদা – শাইখ নাসেরুদ্দিন আল আলবানী
৩৬৩। ইসরা ও মিরাজ আল হিজাবের মর্মকথা – মাওলানা মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মুমিন
৩৬৪। ইসরাইলের আগ্রাসী নীল নকশা – মাহমুদ শীছ খাত্তাব
৩৬৫। ইসলাম ২০০০ – মুরাদ উইলফ্রেড হফম্যান
৩৬৬। ইসলাম আপনার কাছে কি চায় – সাইয়েদ হামেদ আলী
৩৬৭। ইসলাম ইউরোপকে যা শিখিয়েছে – আবদুল মওদুদ
৩৬৮। ইসলাম ঈমান ও শিক্ষা – অধ্যাপক গোলাম সারওয়ার
৩৬৯। ইসলামঃ একমাত্র পূর্ণ দ্বীন – মুহাম্মদ আল আমিন ইবন মুহাম্মদ আল মুখতার
৩৭০। ইসলাম একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা – ফুয়াদ আবদুল হামীদ আল খতীব
৩৭১। ইসলাম ও অন্যান্য মতবাদ – ড. মুহাম্মাদ নূরুল ইসলাম
৩৭২। ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ – ডঃ এম ওমর চাপরা
৩৭৩। ইসলাম ও আধুনিক অর্থনীতি ও ব্যবসায়নীতি – মুফতী তকি উসমানী
৩৭৪। ইসলাম ও আধুনিক অর্থনৈতিক মতবাদ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৩৭৫। ইসলাম ও আধুনিক মুসলিম নারী – মরিয়ম জামিলা
৩৭৬। ইসলাম ও আধুনিক রাজোনীতি – মুফতী তকি উসমানী
৩৭৭। ইসলাম ও আধুনিকতা – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৩৭৮। ইসলাম ও আধুনিকতা – মরিয়ম জামিলা
৩৭৯। ইসলাম ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন – ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়
৩৮০। ইসলাম ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ – মতিউর রহমান নিজামী
৩৮১। ইসলাম ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক –আবদুলহামিদ আহমদ আবুসুলাইমান
৩৮২। ইসলাম ও খিলাফত – ড. মফীজুল্লাহ কবীর
৩৮৩। ইসলাম ও খ্রিষ্টীয় ধর্মের মধ্যে সাদৃশ্য – ড. জাকির নায়েক
৩৮৪। ইসলাম ও গণতন্ত্র দুটি জীবনাদর্শের সংঘাত – মুহাম্মদ আজিজুর রহমান খান
৩৮৫। ইসলাম ও গনতন্ত্র – অধ্যাপক গোলাম আযম
৩৮৬। ইসলাম ও গনতন্ত্র – মাওলানা আসেম ওমর
৩৮৭। ইসলাম ও চরমপন্থা – আবদুল হালিম
৩৮৮। ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ – মরিয়ম জামিলা
৩৮৯। ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৩৯০। ইসলাম ও জাহেলিয়াত – সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদুদী
৩৯১। ইসলাম ও জাহেলিয়াতের চিরন্তন দন্দ – আব্বাস আলি খান
৩৯২। ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব – সাইয়েদ মাহমুদ শুকরী আলুসী
৩৯৩। ইসলাম ও জিহাদ – হাসানুল বান্না অথবা Desktop
৩৯৪। ইসলাম ও জ্ঞানতত্ত্ব – ড. রহমান হাবিব
৩৯৫। ইসলাম ও দর্শন – অধ্যাপক গোলাম আযম
৩৯৬। ইসলাম ও ধর্মহীন গণতন্ত্র – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৩৯৭। ইসলাম ও নয়া আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থাঃ সামাজিক প্রেক্ষাপট – এম রুহুল আমিন
৩৯৮। ইসলাম ও নারী – মুহাম্মদ কুতুব
৩৯৯। ইসলাম ও পাশ্চাত্য সভ্যতার দ্বন্দ্ব – সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদুদী
৪০০। ইসলাম ও পাশ্চাত্য সমাজে নারী – ড. মুসতাফা আস সিবায়ী
৪০১। ইসলাম ও বাস্তবতার আলোকে আরব জাতীয়তাবাদ – আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
৪০২। ইসলাম ও বিজ্ঞান – অধ্যাপক গোলাম আযম
৪০৩। ইসলাম ও বিজ্ঞান – প্রফেসর ড. নাজিবুদ্দিন এরবাকান
৪০৪। ইসলাম ও বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে জীবজগত সৃষ্টির রহস্য – মোঃ আব্দুল ওয়াহাব
৪০৫। ইসলাম ও যুক্তির নিরিখে জন্মনিয়ন্ত্রণ – মুফতি মুহম্মদ শফী
৪০৬। ইসলাম ও শিল্পকলা – আল্লামা ইউসুফ আল-কারযাভী
৪০৭। ইসলাম ও সামজিক সুবিচার – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৪০৮। ইসলাম ও সামাজিক সুবিচার – সাইয়েদ কুতুব শহীদ
৪০৯। ইসলাম ও সেকিউল্যরিজম – ড. জাকির নায়েক
৪১০। ইসলাম ও হিন্দুধর্মের মধ্যে মিল ও সাদৃশ্য – ডা. জাকির নায়েক
৪১১। ইসলাম কি ও কেন – মাওলানা মুহাম্মদ মনযুর নোমানী
৪১২। ইসলাম কি মানবতার সমাধান – ডাঃ জাকির নায়েক
৪১৩। ইসলাম জ্ঞানতত্ত্ব – ড. রহমান হাবীব
৪১৪। ইসলাম ধর্ম, সমাজ, সংস্কৃতি – সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী
৪১৫। ইসলাম ধর্মে সৎকর্ম কবুল হওয়ার শর্তাবলী – ড. মুহাম্মদ মুর্তজা বিন আয়েশ মুহাম্মদ
৪১৬। ইসলাম নামাজ ও তাসাউফ শিক্ষা – মোঃ সাইফুল ইসলাম
৪১৭। ইসলাম নির্দেশিত পানাহার পদ্ধতি – ড. মোহাম্মদ শফিউল আলম ভূঁইয়া
৪১৮। ইসলাম পরিচয় – ডঃ মুহাম্মদ হামিদুল্লাহ
৪১৯। ইসলাম পরিচিতি – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৪২০। ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা – আবদুস শহীদ নাসিম
৪২১। ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান – মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদী
৪২২। ইসলাম প্রচারক ভাই প্রথমে তাওহীদের দাওয়াত দিন – মুহাম্মদ নাসেরুদ্দিন আল আলবানী
৪২৩। ইসলাম প্রচারে মনোবিজ্ঞানের ভূমিকা – আব্দুল্লাহ আল খাতির
৪২৪। ইসলাম প্রচারের হৃদয়গ্রাহী পদ্ধতি – আল্লামা আল বাহী আল খাওলী
৪২৫। ইসলাম বিদ্বেষীদের অপপ্রচারের জবাব – আবু বকর সিদ্দিকী
৪২৬। ইসলাম বিনষ্টকারী বিষয়সমূহ – আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
৪২৭। ইসলাম বিরোধী আইন জারীর বিধান ও ফিতনাতুত তাকফীর – শাইখ নাসেরুদ্দিন আল আলবানী
৪২৮। ইসলাম সন্ত্রাস না আদর্শ – স্বামী লক্ষ্মী শংকরাচার্য
৪২৯। ইসলাম সন্ত্রাসকে নিন্দা করে – হারুন ইয়াহিয়া
৪৩০। ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদদের সাধারণ আপত্তির জবাব – ড. জাকির নায়েক
৪৩১। ইসলাম সে তো পরশ মানিক – মন্ওয়ার হোসেন
৪৩২। ইসলাম স্বীকৃত অধিকার – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন
৪৩৩। ইসলামী অনুষ্ঠানের তাৎপর্য – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৪৩৪। ইসলামী অর্থনীতি – শাহ আবদুল হান্নান
৪৩৫। ইসলামী অর্থনীতি – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৪৩৬। ইসলামী অর্থনীতি নির্বাচিত প্রবন্ধ – শাহ মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান
৪৩৭। ইসলামী অর্থনীতিতে পণ্য বিনিময় ও স্টক এক্সচেঞ্জ – এম আকরাম খান
৪৩৮। ইসলামী অর্থনীতিতে মূদ্রানীতি ও ব্যংকিং ব্যবস্থার রুপরেখা – ড. এম উমর চাপরা
৪৩৯। ইসলামী অর্থনীতির ভূমিকা – খন্দকার আবুল খায়ের
৪৪০। ইসলামী অর্থব্যবস্থায় যাকাত – জাবেদ মুহাম্মদ
৪৪১। ইসলামী অর্থব্যবস্থার মূলনীতি – সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদুদী
৪৪২। ইসলামী আইন – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৪৪৩। ইসলামী আইন ও বিচার ১/১২ বর্ষঃ ১/৪৭সংখ্যাঃ – আবদুল মান্নান তালিব
৪৪৪। ইসলামী আইন না মানার বিধানঃ কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর – ড. আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া
৪৪৫। ইসলামী আইন বনাম মানব আইন – আব্দুল কাদের আওদা
৪৪৬। ইসলামী আইনে কার কি লাভ ক্ষতি – খন্দকার আবুল খায়ের
৪৪৭। ইসলামী আইনের উৎস – মুহাম্মদ রুহুল আমিন
৪৪৮। ইসলামী আইনের মূলনীতি – ড. মুহাম্মদ হাশিম কামালী
৪৪৯। ইসলামী আকীদা – ইমাম গাযযালী রহঃ
৪৫০। ইসলামী আকীদা – ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৪৫১। ইসলামী আকীদা ও মানবপ্রকৃতি – সম্পাদনাঃ ইকবাল হোসেন মাছুম
৪৫২। ইসলামী আকীদা বিষয়ক কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মাসয়াল – শায়খ মুহাম্মদ জামীল যাইনু
৪৫৩। ইসলামী আকীদাহ – মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনু
৪৫৪। ইসলামী আদব ও দুআ শিক্ষা – মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী
৪৫৫। ইসলামী আদর্শ ও শিষ্টাচার
৪৫৬। ইসলামী আন্দোলন ও সংগঠন – মতিউর রহমান নিজামী
৪৫৭। ইসলামী আন্দোলনঃ কর্মীদের ৭ দফা – অধ্যাপক গোলাম আযম
৪৫৮। ইসলামী আন্দোলন পথ ও পাথেয় – মোস্তফা মাশহুর
৪৫৯। ইসলামী আন্দোলনঃ বিশ্ব পরিস্থিতির উপর তার সাফল্য – আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহি
৪৫০। ইসলামী আন্দোলন সংকট ও সম্ভাবনা – সাইয়েদ কুতুব শহীদ
৪৫১। ইসলামী আন্দোলন সমস্যা ও সম্ভাবনা – মতিউর রহমান নিজামী
৪৫২। ইসলামী আন্দোলন সাফল্য ও বিভ্রান্তি – অধ্যাপক গোলাম আযম
৪৫৩। ইসলামী আন্দোলনঃ সাফল্যের শর্তাবলী – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী
৪৫৪। ইসলামী আন্দোলনই দুনিয়া আখেরাতের সফলতার চাবিকাঠি – মুহিব্বুর রহমান
৪৫৫। ইসলামী আন্দোলনে বিজয়ের সরূপ – ড. নাসের বিন সোলায়মান আল ওমর
৪৫৬। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদদের পারস্পরিক সম্পর্ক – খুররাম জাহ মুরাদ
৪৫৭। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের প্রশিক্ষণ গাইড – ডঃ হিশাম ইয়াহিয়া আলতালিব
৪৫৮। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের প্রাথমিক পুঁজি – অধ্যাপক গোলাম আযম
৪৫৯। ইসলামী আন্দোলনের নৈতিক ভিত্তি – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী বা desktop
৪৬০। ইসলামী আন্দোলনের পথ ও পাথেয় – মোস্তফা মাশহুর
৪৬১। ইসলামী আন্দোলনের মেনিফেষ্টো – মরিয়ম জামিলা
৪৬২। ইসলামী আন্দোলনের সঠিক কর্মপন্থা – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী
৪৬৩। ইসলামী ইসতেহার – গবেষণা পত্র
৪৬৪। ইসলামী উত্তরাধিকার আইনে নারীর অধিকার ও ফারায়েয – মাওলানা মুহাম্মদ ফজলুর রহমান আশরাফী
৪৬৫। ইসলামী উসুলে ফিকাহঃ ইসলামি বিধান শাস্ত্রের উৎসগত পদ্ধতি বিদ্যা – তাহা জাবির আল আলওয়ানী
৪৬৬। ইসলামী এবাদাতের মর্মকথা – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৪৬৭। ইসলামী ঐক্য ইসলামী আন্দোলন – অধ্যাপক গোলাম আযম
৪৬৮। ইসলামী ঐক্যমঞ্চ চাই – অধ্যাপক গোলাম আযম
৪৬৯। ইসলামী কিন্ডারগার্টেন রূপরেখা ও বাস্তবায়ন – অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আলমগির
৪৭০। ইসলামী ক্ষুদ্রঋণঃ তত্ত্ব ও প্রয়োগ – ড. মাহমুদ আহমদ
৪৭১। ইসলামী খিলাফত ও নেতৃত্ব নির্বাচন – মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব
৪৭২। ইসলামী খিলাফত সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মডেল – গবেষণা পত্র
৪৭৩। ইসলামী খিলাফত সরকারের শিল্পায়নের মডেল – গবেষণা পত্র
৪৭৪। ইসলামী জাগরণে তিন পথিকৃৎ – এ.কে.এম নাজীর আহমদ
৪৭৫। ইসলামী জীবন ও চিন্তার পুনর্গঠন – আব্দুল মান্নান তালিব
৪৭৬। ইসলামী জীবন দর্শণ – খন্দকার আবুল খায়ের
৪৭৭। ইসলামী জীবনধারা – আব্দুল হামীদ আল ফাইযী
৪৭৮। ইসলামী জীবন পদ্ধতি – মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনু
৪৭৯। ইসলামী জীবন ব্যবস্থার মৌলিক রূপরেখা – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী
৪৮০। ইসলামী জীবনবীমাঃ বর্তমান প্রেক্ষিত – কাজী মোঃ মোরতুজা আলী
৪৮১। ইসলামী দণ্ডবিধি – খন্দকার আবুল খায়ের
৪৮২। ইসলামী দন্ডবিধি – ড. আব্দুল আযীয আমের
৪৮৩। ইসলামী দর্শন ১ম ও ২য় খণ্ড – আল্লামা শিবলী নুমানী ভিন্ন ভাবে ১ম খণ্ড ও ২য় খণ্ড
৪৮৪। ইসলামী দাওয়াত ও কর্মনীতি – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৪৮৫। ইসলামী দাওয়াত ও তার দাবী – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী
৪৮৬। ইসলামী দাওয়াতের পথ – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী
৪৮৭। ইসলামী দাওয়াতের পদ্ধতি ও আধুনিক প্রেক্ষাপট – ড. মুহাম্মদ আবদুর রহমান আনওয়ারী
৪৮৮। ইসলামী দাওয়াহ প্রসারে গণমাধ্যমের অবদান – ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৪৮৯। ইসলামী দিবস সমূহ বার চাঁন্দের ফযিলত – মুফতি মুহাম্মদ আবুল কাসেম গাজী
৪৯০। ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে অর্থশাস্ত্রের ভবিষ্যৎ – ড. এম উমর চাপরা
৪৯১। ইসলামী নীতিমালার আলোকে বরকত অর্জন – সালেহ ইবন আব্দুল আযীয
৪৯২। ইসলামী নেতৃত্ব – এ.কে.এম নাজির আহমেদ
৪৯৩। ইসলামী নেতৃত্ব – মুহাম্মদ কামরুজ্জামান
৪৯৪। ইসলামী নেতৃত্বের গুণাবলী – খুররম জাহ মুরাদ
৪৯৫। ইসলামী নৈতিকতা
৪৯৬। ইসলামী পুনর্জাগরণ সমস্যা ও সম্ভাবনা – ড. ইউসুফ আল কারজাভী
৪৯৭। ইসলামী পুনর্জাগরণে পথ ও পদ্ধতি – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
৪৯৮। ইসলামী ফিকহের ঐতিহাসিক পটভূমি – মাওলানা মুহাম্মদ তাকী আমিনী
৪৯৯। ইসলামী ফেকাহ ১ম খণ্ড – মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আত তুআইজিরী
৫০০। ইসলামী ফেকাহ ২য় খণ্ড – মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আত তুআইজিরী
৫০১। ইসলামী বাংকগুলি কি ঘুরিয়ে সুদ খায় – হামিদা মুবাশ্বেরা
৫০২। ইসলামী বিচার ব্যবস্থা – মাওলানা মোঃ আতিকুর রহমান
৫০৩। ইসলামী বিধান ও আধুনিক বিজ্ঞান – মোঃ ওসমান গণি
৫০৪। ইসলামী বিপ্লব একটি পরিপূর্ণ নৈতিক বিপ্লব – আব্বাস আলি খান
৫০৫। ইসলামী বিপ্লবের পথ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৫০৬। ইসলামী বিপ্লবের সংগ্রাম ও নারী – ডঃ সাইয়েদ আস আদ গীলানী
৫০৭। ইসলামী বিপ্লবের স্বাভাবিক পদ্ধতি – এ.কে.এম. নাজির আহমদ
৫০৮। ইসলামী বিশ্বকোষ ১ম খণ্ড – ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫০৯। ইসলামী বিশ্বকোষ ২য় খণ্ড – ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫১০। ইসলামী বিশ্বকোষ ৩য় খণ্ড – ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫১১। ইসলামী বিশ্বকোষ ৪র্থ খণ্ড – ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫১২। ইসলামী বিশ্বকোষ ৫ম খণ্ড – ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৫১৩। ইসলামী বিশ্বাস
৫১৪। ইসলামী বিষয়ক কতিপয় গুরুত্বর্পূন মাসায়েল – মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনু
৫১৫। ইসলামী বীমার মৌলিক ধারনা ও কর্মকৌশল – ড. আই.ই.ম নেছার উদ্দিন
৫১৬। ইসলামী ব্যাংকব্যবস্থা – মোহাম্মদ আবদুল মান্নান
৫১৭। ইসলামী ব্যাংকিং – আবদুর রকীব
৫১৮। ইসলামী ব্যাংকিং ও অর্থায়ন পদ্ধতি সমস্যা ও সমাধান – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৫১৯। ইসলামী ব্যাংকিং পূর্বশর্ত ইসলামী ব্যক্তিত্ব – কাজী ওমর ফারুক
৫২০। ইসলামী ব্যাংকিং বৈশিষ্ট্য ও কর্ম পদ্ধতি – শাহ মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান
৫২১। ইসলামী মিডিয়ার সরূপ ও তাৎপর্য – ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৫২২। ইসলামী মূল আকীদাহর বিশ্লেষণ – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন
৫২৩। ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে আদম সন্তানেরর পরিচয় ও দায়িত্ব – ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান
৫২৪। ইসলামী রাষ্ট্র ও নেতৃত্ব – নূর হোসেন মজিদী
৫২৫। ইসলামী রাষ্ট্র ও সংবিধান – সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদুদী
৫২৬। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম
৫২৭। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব – মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম
৫২৮। ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা – ড. আবদুল করিম জায়দান
৫২৯। ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থাঃ তত্ত্ব ও প্রয়োগ – আল্লামা ইউসূফ আল-কারযাভী
৫৩০। ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার পতন ও পুনরুত্থান – নোয়াহ ফেল্ডম্যান
৫৩১। ইসলামী রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা – ড. আহমদ আলি
৫৩২। ইসলামী রাষ্ট্রে অমুসলিমদের অধিকার – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৫৩৩। ইসলামী রেনেসাঁ আন্দোলন – সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদুদী
৫৩৪। ইসলামী শরিয়া মূলনীতি বিভ্রান্তি ও সঠিক পথ – আবদুস শহীদ নাসিম
৫৩৫। ইসলামী শরিয়াহঃ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ১ম খন্ড – ড. ইউসুফ হামিদ আল আলিম
৫৩৬। ইসলামী শরীয়াতে দাড়ির পদমর্যাদা – সংকলন সরল পথ
৫৩৭। ইসলামী শরীয়াতে শাস্তির বিধান – ড. আব্দুল কারীম যাইদান
৫৩৮। ইসলামী শরীয়াতের উৎস – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহীম
৫৩৯। ইসলামী শরীয়াহর বাস্তবায়ন ও উম্মাহর উপর এর প্রভাব – আব্দুল্লাহ ইবন সউদ আল হুয়াইমিল
৫৪০। ইসলামী শাসন ব্যবস্থা মৌলিক দর্শন ও শর্তাবলী – জিয়াউল হক
৫৪১। ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রণয়ন – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৫৪২। ইসলামী শিক্ষা সংস্কৃতি – এ.কে.এম নাজির আহমেদ
৫৪৩। ইসলামী শিক্ষা সিরিজ – ড. জামাল আল বাদাবী
৫৪৪। ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার রুপরেখা
৫৪৫। ইসলামী শিক্ষার মূলনীতি – অধ্যাপক খুরশীদ আহমদ
৫৪৬। ইসলামী সংগঠন – এ.কে.এম নাজির আহমেদ
৫৪৭। ইসলামী সংগঠন ও প্রশিক্ষণ – অধ্যাপক আব্দুল মতিন
৫৪৮। ইসলামী সংগঠনে আনুগত্য পরামর্শ ইহতিসাব – মাওলানা দেলওয়ার হোসন সাইদী
৫৪৯। ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতি – আবুল কালাম আযাদ আনোয়ার ও আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
৫৫০। ইসলামী সভ্যতা বনাম পাশ্চাত্ত্য সভ্যতা – অধ্যাপক গোলাম আযম
৫৫১। ইসলামী সমাজ বিপ্লবের ধারা – সাইয়্যেদ কুতুব শহীদ
৫৫২। ইসলামী সমাজ ব্যবস্থায় নারীর মর্যাদা – গবেষণা পত্র
৫৫৩। ইসলামী সমাজে উশরের গুরুত্ব – মাওলানা মোফাজ্জল হক
৫৫৪। ইসলামী সমাজে নারী – সাইয়েদ জালালুদ্দিন আনসার উমরী
৫৫৫। ইসলামী সমাজে মজুরের অধিকার – মাওলানা আবদুর রহীম
৫৬০। ইসলামী স্বাস্থ্যনিতি – ফযল করিম ফারানী
৫৬১। ইসলামী হিজাব বা পর্দা – শেখ আব্দুল আজীজ বিন বায
৫৬২। ইসলামীক ফাউন্ডেশন পত্রিকাঃ ৪২বর্ষ ৪র্থ সংখ্যা
৫৬৩। ইসলামীক ফাউন্ডেশন পত্রিকাঃ ৪৫বর্ষ ৪র্থ সংখ্যা
৫৬৪। ইসলামীক লেবেল – ড. জাকির নায়েক
৫৬৫। ইসলামে অমুসলিমদের অধিকার – মুহাম্মদ শরীফ চৌধুরী
৫৬৬। ইসলামে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা – আল্লামা ইউসূফ আল-কারযাভী
৫৬৭। ইসলামে ইবাদতঃ ভাব ও তাৎপর্য – ইকবাল হোছেন মাছুম
৫৬৮। ইসলামে উত্তরাধিকার আইন কতটা গাণিতিক ব্যবহারিক আইন
৫৬৯। ইসলামে এবাদতের পরিধি – আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভী
৫৭০। ইসলামে গান, ছবি ও প্রতিকৃতির বিধান – মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনু
৫৭১। ইসলামে জিহাদের বিধান – ড. মুহাম্মাদ নজীবুর রহমান
৫৭২। ইসলামে দর্শন চিন্তার পটভূমি – ড. মুঈনুদ্দীন আহমদ খান
৫৭৩। ইসলামে দায়ীদের প্রতি পয়গাম – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
৫৭৪। ইসলামে দারিদ্র বিমোচন – আল্লামা ইউসূফ আল-কারযাভী
৫৭৫। ইসলামে দাস বিধি – আব্দুল্লাহ নাসেহ উলওয়ান
৫৭৬। ইসলামে ধর্মীয় চিন্তার পুনর্গঠন – আল্লামা ড. মুহম্মদ ইকবাল
৫৭৭। ইসলামে নারী বনাম ইহুদী ও খৃষ্ট্রান ধর্মে নারী - ড. শরীফ আব্দুল আজীম
৫৭৮। ইসলামে নারীর অধিকার সেকেলে নাকি আধুনিক – ড. জাকির নায়েক
৫৭৯। ইসলামে নারীর উত্তরাধিকার – নুরুল ইসলাম
৫৮০। ইসলামে নৈতিকতা আচরণ – ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল কায়েসী
৫৮১। ইসলামে পর্দা – ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৫৮২। ইসলামে পোশাকের বিধান – ড. জামাল আল বাদাবী
৫৮৩। ইসলামে প্রশিক্ষণ পদ্ধতি – সাইয়েদ কুতুব শহীদ
৫৮৪। ইসলামে বন্ধুত্ব ও শত্রুতা – ড. সালেহ ইবন ফাওযান
৫৮৫। ইসলামে বাইয়াত – মাওলানা মোঃ আবু তাহের
৫৮৬। ইসলামে মত প্রকাশের স্বাধীনতা – মুহাম্মদ হাশিম কামালী
৫৮৭। ইসলামে মসজিদের ভূমিকা – এ এন এম সিরাজুল ইসলাম
৫৮৮। ইসলামে মানবাধিকার – মুহাম্মদ সালাহুদ্দিন
৫৮৯। ইসলামে মানবাধিকার – শাইখ সালেহ বিন আব্দুল আযীয আলুশ শাইখ
৫৯০। ইসলামে মানবাধিকার কিছু ভ্রান্তধারনা – আবু সালমান দিয়া উদ্দীন ইবারলি
৫৯১। ইসলামে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং এর বিধান – মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
৫৯২। ইসলামে মুসলিম চিন্তার পুনর্গঠন – আল্লামা ইকবাল
৫৯৩। ইসলামে মৌলিক মানবাধিকার – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী
৫৯৪। ইসলামে যুদ্ধ ও বিশ্ব শান্তি – অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আলমগীর
৫৯৫। ইসলামে শিক্ষা সংস্কৃতি – আবুল হোসেন
৫৯৬। ইসলামে সন্তান গঠনের পদ্ধতি – এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
৫৯৭। ইসলামে সমাজ বিজ্ঞান – ড. এম মোসলেহ উদ্দিন
৫৯৮। ইসলামে সম্পদ অর্জন ব্যয় ও বণ্টন – মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম
৫৯৯। ইসলামে সর্বোত্তম – ড. বেলাল ফিলিপস্
৬০০। ইসলামে সার্বভৌমত্বের সরূপ – ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৬০১। ইসলামে সুন্নাহর অবস্থান – ড. সালেহ ইবন ফাওযান
৬০২। ইসলামে হাদীসের গুরুত্ব ও মর্যাদা – শাইখ নাসেরুদ্দিন আল আলবানী
৬০৩। ইসলামে হালাল ও হারাম – এ. বি. এম. এ. খালেক মজুমদার
৬০৪। ইসলামে হালাল হারামের বিধান – আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভী
৬০৫। ইসলামের অর্থনীতি – মাওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম
৬০৬। ইসলামের অর্থনৈতিক বিপ্লব – শাহ মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান
৬০৭। ইসলামের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা – মাওলানা আবদুল আলী
৬০৮। ইসলামের অর্থনৈতিক মডেল – গবেষণা পত্র
৬০৯। ইসলামের আইন দর্শন – মাওলানা আবদুল আলী
৬১০। ইসলামের আলোকে চিকিৎসা বিজ্ঞান – ড. মুহাম্মদ মুশাররফ হোসাইন
৬১১। ইসলামের আলোকে বাসস্থানের অধিকার ও নিরাপত্তা – ড. আহমদ আলী
৬১২। ইসলামের ইতিহাস ১ম খণ্ড – মাওলানা আকবর শাহ খান নজীবাবাদী
৬১৩। ইসলামের ইতিহাস ২য় খণ্ড – মাওলানা আকবর শাহ খান নজীবাবাদী
৬১৪। ইসলামের ইতিহাস ৩য় খণ্ড – মাওলানা আকবর শাহ খান নজীবাবাদী
৬১৫। ইসলামের উত্তরাধিকার আইন ও সাক্ষ্য আইন – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহমান
৬১৬। ইসলামের ঐতিহাসিক ভুমিকা – এম. এন. রায়
৬১৭। ইসলামের ওপর অভিযোগ এবং দলিল ভিত্তিক জবাব – ড. জাকির নায়েক
৬১৮। ইসলামের কিছু আলোচিত বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য বিভ্রান্তি – সালেহ ইবন আব্দুল্লাহ আল হুমাইদ
৬১৯। ইসলামের কেন্দ্রবিন্দু – ড. জাকির নায়েক
৬২০। ইসলামের চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় – এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
৬২১। ইসলামের জীবন পদ্ধতি – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী অথবা Desktop
৬২৩। ইসলামের ডাক – প্রফেসর মুহাম্মাদ হামীদুর রহমান
৬২৪। ইসলামের দন্ডবিধি – ড. আব্দুল হামিদ আহমদ আবু সোলাইমান
৬২৫। ইসলামের দায়ীদের প্রতি পয়গাম – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
৬২৬। ইসলামের দৃষ্টিতে এইডস রোগের উৎস ও প্রতিকার – এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
৬২৭। ইসলামের দৃষ্টিতে কন্যার মর্যাদা – ড. ফযলে ইলাহী
৬২৮। ইসলামের দৃষ্টিতে কাদিয়ানী ও বাহাই মতবাদ – মাওলানা মোহাম্মদ ছামির উদ্দিন
৬২৯। ইসলামের দৃষ্টিতে গান বাজনা – মাওলানা মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মুমিন
৬৩০। ইসলামের দৃষ্টিতে চিকিতসা ও স্বাস্থ বিজ্ঞান – মাওলানা আব্দুর রঊফ শামীম
৬৩১। ইসলামের দৃষ্টিতে জন্মনিয়ন্ত্রণ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৬৩২। ইসলামের দৃষ্টিতে নারী – ফরিদ বেজদী আফেন্দী
৬৩৩। ইসলামের দৃষ্টিতে নারী – বি. আইশা লেমু
৬৩৪। ইসলামের দৃষ্টিতে পরিবার ও পারিবারিক জীবন – মুহাম্মাদ নূরুল ইসলাম
৬৩৫। ইসলামের দৃষ্টিতে মিত্রতা ও বৈরতা – শায়খ সালেহ বিন ফাউযান আল ফাউযান
৬৩৬। ইসলামের দৃষ্টিতে রাজনৈতিক সংঘাত ও সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ – আবদুলহামিদ আহমদ আবুসু
৬৩৭। ইসলামের দৃষ্টিতে শান্তি ও যুদ্ধ – মজিদ কাদদুরী
৬৩৮। ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পদ আহরণ ভোগ ব্যবহার ও বিকেন্দ্রিকরণ – ড. মুহাম্মদ ছামিউল হক ফারুকি
৬৩৯। ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পদ বণ্টন – মুফতি মুহাম্মদ শফী
৬৪০। ইসলামের দৃষ্টিতে সুখী পরিবার – আয়াতুল্লাহ ইবরাহিম আমিনি
৬৪১। ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাহ্য ও চিকিৎসা বিজ্ঞান – আব্দুর রঊফ শামীম
৬৪২। ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ – ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৬৪৩। ইসলামের নৈতিক দৃষ্টিক্ষণ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৬৪৪। ইসলামের পারিবারিক আইন ১ম খণ্ড – প্রকাশনায় ইসলামিক ল রিসার্চ
৬৪৫। ইসলামের পারিবারিক আইন ২য় খণ্ড – প্রকাশনায় ইসলামিক ল রিসার্চ
৬৪৬। ইসলামের পুনরুজ্জীবনে মাওলানা মওদুদীর অবদান – অধ্যাপক গোলাম আযম
৬৪৭। ইসলামের পুনর্জাগরণে ইখওয়ানুল মুসলিমুনের ভূমিকা – খলিল আহমদ হামেদী
৬৪৮। ইসলামের পূর্ণাঙ্গ রুপ – মাওলানা সদরূদ্দীন ইসলাহী
৬৪৯। ইসলামের প্রথম মুয়াযযিন হযরত বিলাল রা. – হেলেনা খান
৬৫০। ইসলামের বাস্তবতা – আব্দুল হামীদ বিন সিদ্দিকী হুসাইন
৬৫১। ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষা – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৬৫২। ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন ১ম খণ্ড – প্রকাশনায় বি আই এল আর
৬৫৩। ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন ২য় খণ্ড – প্রকাশনায় বি আই এল আর
৬৫৪। ইসলামের মৌলিক আকীদা ও বিধান – ড. জামাল আল বাদাবী
৬৫৫। ইসলামের মৌলিক নীতিমালা – মুহাম্মদ বিন সুলায়মান তামীমী
৬৫৬। ইসলামের যাকাতের বিধান ১ম খণ্ড – আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভী
৬৫৭। ইসলামের যাকাতের বিধান ২য় খণ্ড – আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভী
৬৫৮। ইসলামের রাজদণ্ড – খন্দকার আবুল খায়ের
৬৫৯। ইসলামের রাজনৈতিক মতবাদ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৬৬০। ইসলামের রাষ্ট্রব্যবস্থা – মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম
৬৬১। ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা –কতিপয় ছাত্র
৬৬২। ইসলামের শক্তির উৎস – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৬৬৩। ইসলামের শাস্তি আইন – ড.আহমদ আলি
৬৬৪। ইসলামের সচিত্র গাইড – আই এ ইবরাহীম
৬৬৫। ইসলামের সমাজ দর্শন – মাওলানা সদরূদ্দীন ইসলাহী
৬৬৬। ইসলামের সমালোচনা ও তার জবাব – ড. সাঈদ ইসমাঈল চীনী
৬৬৭। ইসলামের সহজ পরিচয় – অধ্যাপক গোলাম আযম
৬৬৮। ইসলামের সামজিক আচরণ – হাসান আউব
৬৬৯। ইসলামের সামজিক বিধান – আল্লামা জামাল আল বাদাবী
৬৭০। ইসলামের সোনালী যুগ – এ.কে.এম.নাজির আহমদ
৬৭১। ইসলামের স্বর্ণযুগে সামাজিক ন্যায়নীতি – সাইয়্যেদ কুতুব শহীদ
৬৭২। ইসলামের হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৬৭৩। ইসলাহি খুতুবাত ১ম খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৭৪। ইসলাহি খুতুবাত ২য় খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৭৫। ইসলাহি খুতুবাত ৩য় খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৭৬। ইসলাহি খুতুবাত ৪র্থ খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৭৭। ইসলাহি খুতুবাত ৫ম খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৭৮। ইসলাহি খুতুবাত ৬ষ্ঠ খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৭৯। ইসলাহি খুতুবাত ৭ম খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৮০। ইসলাহি খুতুবাত ৮ম খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৮১। ইসলাহি খুতুবাত ৯ম খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৮২। ইসলাহি খুতুবাত ১০ম খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৮৩। ইহিতাসাবত সম্পর্কে কোরানে অবতীর্ণ আয়াত সমূহ – নুমান আবুল বাশার
৫৬১। ইসলামী হিজাব বা পর্দা – শেখ আব্দুল আজীজ বিন বায
৫৬২। ইসলামীক ফাউন্ডেশন পত্রিকাঃ ৪২বর্ষ ৪র্থ সংখ্যা
৫৬৩। ইসলামীক ফাউন্ডেশন পত্রিকাঃ ৪৫বর্ষ ৪র্থ সংখ্যা
৫৬৪। ইসলামীক লেবেল – ড. জাকির নায়েক
৫৬৫। ইসলামে অমুসলিমদের অধিকার – মুহাম্মদ শরীফ চৌধুরী
৫৬৬। ইসলামে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা – আল্লামা ইউসূফ আল-কারযাভী
৫৬৭। ইসলামে ইবাদতঃ ভাব ও তাৎপর্য – ইকবাল হোছেন মাছুম
৫৬৮। ইসলামে উত্তরাধিকার আইন কতটা গাণিতিক ব্যবহারিক আইন
৫৬৯। ইসলামে এবাদতের পরিধি – আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভী
৫৭০। ইসলামে গান, ছবি ও প্রতিকৃতির বিধান – মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনু
৫৭১। ইসলামে জিহাদের বিধান – ড. মুহাম্মাদ নজীবুর রহমান
৫৭২। ইসলামে দর্শন চিন্তার পটভূমি – ড. মুঈনুদ্দীন আহমদ খান
৫৭৩। ইসলামে দায়ীদের প্রতি পয়গাম – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
৫৭৪। ইসলামে দারিদ্র বিমোচন – আল্লামা ইউসূফ আল-কারযাভী
৫৭৫। ইসলামে দাস বিধি – আব্দুল্লাহ নাসেহ উলওয়ান
৫৭৬। ইসলামে ধর্মীয় চিন্তার পুনর্গঠন – আল্লামা ড. মুহম্মদ ইকবাল
৫৭৭। ইসলামে নারী বনাম ইহুদী ও খৃষ্ট্রান ধর্মে নারী - ড. শরীফ আব্দুল আজীম
৫৭৮। ইসলামে নারীর অধিকার সেকেলে নাকি আধুনিক – ড. জাকির নায়েক
৫৭৯। ইসলামে নারীর উত্তরাধিকার – নুরুল ইসলাম
৫৮০। ইসলামে নৈতিকতা আচরণ – ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল কায়েসী
৫৮১। ইসলামে পর্দা – ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৫৮২। ইসলামে পোশাকের বিধান – ড. জামাল আল বাদাবী
৫৮৩। ইসলামে প্রশিক্ষণ পদ্ধতি – সাইয়েদ কুতুব শহীদ
৫৮৪। ইসলামে বন্ধুত্ব ও শত্রুতা – ড. সালেহ ইবন ফাওযান
৫৮৫। ইসলামে বাইয়াত – মাওলানা মোঃ আবু তাহের
৫৮৬। ইসলামে মত প্রকাশের স্বাধীনতা – মুহাম্মদ হাশিম কামালী
৫৮৭। ইসলামে মসজিদের ভূমিকা – এ এন এম সিরাজুল ইসলাম
৫৮৮। ইসলামে মানবাধিকার – মুহাম্মদ সালাহুদ্দিন
৫৮৯। ইসলামে মানবাধিকার – শাইখ সালেহ বিন আব্দুল আযীয আলুশ শাইখ
৫৯০। ইসলামে মানবাধিকার কিছু ভ্রান্তধারনা – আবু সালমান দিয়া উদ্দীন ইবারলি
৫৯১। ইসলামে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং এর বিধান – মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
৫৯২। ইসলামে মুসলিম চিন্তার পুনর্গঠন – আল্লামা ইকবাল
৫৯৩। ইসলামে মৌলিক মানবাধিকার – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদুদী
৫৯৪। ইসলামে যুদ্ধ ও বিশ্ব শান্তি – অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আলমগীর
৫৯৫। ইসলামে শিক্ষা সংস্কৃতি – আবুল হোসেন
৫৯৬। ইসলামে সন্তান গঠনের পদ্ধতি – এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
৫৯৭। ইসলামে সমাজ বিজ্ঞান – ড. এম মোসলেহ উদ্দিন
৫৯৮। ইসলামে সম্পদ অর্জন ব্যয় ও বণ্টন – মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম
৫৯৯। ইসলামে সর্বোত্তম – ড. বেলাল ফিলিপস্
৬০০। ইসলামে সার্বভৌমত্বের সরূপ – ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৬০১। ইসলামে সুন্নাহর অবস্থান – ড. সালেহ ইবন ফাওযান
৬০২। ইসলামে হাদীসের গুরুত্ব ও মর্যাদা – শাইখ নাসেরুদ্দিন আল আলবানী
৬০৩। ইসলামে হালাল ও হারাম – এ. বি. এম. এ. খালেক মজুমদার
৬০৪। ইসলামে হালাল হারামের বিধান – আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভী
৬০৫। ইসলামের অর্থনীতি – মাওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম
৬০৬। ইসলামের অর্থনৈতিক বিপ্লব – শাহ মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান
৬০৭। ইসলামের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা – মাওলানা আবদুল আলী
৬০৮। ইসলামের অর্থনৈতিক মডেল – গবেষণা পত্র
৬০৯। ইসলামের আইন দর্শন – মাওলানা আবদুল আলী
৬১০। ইসলামের আলোকে চিকিৎসা বিজ্ঞান – ড. মুহাম্মদ মুশাররফ হোসাইন
৬১১। ইসলামের আলোকে বাসস্থানের অধিকার ও নিরাপত্তা – ড. আহমদ আলী
৬১২। ইসলামের ইতিহাস ১ম খণ্ড – মাওলানা আকবর শাহ খান নজীবাবাদী
৬১৩। ইসলামের ইতিহাস ২য় খণ্ড – মাওলানা আকবর শাহ খান নজীবাবাদী
৬১৪। ইসলামের ইতিহাস ৩য় খণ্ড – মাওলানা আকবর শাহ খান নজীবাবাদী
৬১৫। ইসলামের উত্তরাধিকার আইন ও সাক্ষ্য আইন – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহমান
৬১৬। ইসলামের ঐতিহাসিক ভুমিকা – এম. এন. রায়
৬১৭। ইসলামের ওপর অভিযোগ এবং দলিল ভিত্তিক জবাব – ড. জাকির নায়েক
৬১৮। ইসলামের কিছু আলোচিত বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য বিভ্রান্তি – সালেহ ইবন আব্দুল্লাহ আল হুমাইদ
৬১৯। ইসলামের কেন্দ্রবিন্দু – ড. জাকির নায়েক
৬২০। ইসলামের চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় – এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
৬২১। ইসলামের জীবন পদ্ধতি – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী অথবা Desktop
৬২৩। ইসলামের ডাক – প্রফেসর মুহাম্মাদ হামীদুর রহমান
৬২৪। ইসলামের দন্ডবিধি – ড. আব্দুল হামিদ আহমদ আবু সোলাইমান
৬২৫। ইসলামের দায়ীদের প্রতি পয়গাম – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
৬২৬। ইসলামের দৃষ্টিতে এইডস রোগের উৎস ও প্রতিকার – এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
৬২৭। ইসলামের দৃষ্টিতে কন্যার মর্যাদা – ড. ফযলে ইলাহী
৬২৮। ইসলামের দৃষ্টিতে কাদিয়ানী ও বাহাই মতবাদ – মাওলানা মোহাম্মদ ছামির উদ্দিন
৬২৯। ইসলামের দৃষ্টিতে গান বাজনা – মাওলানা মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মুমিন
৬৩০। ইসলামের দৃষ্টিতে চিকিতসা ও স্বাস্থ বিজ্ঞান – মাওলানা আব্দুর রঊফ শামীম
৬৩১। ইসলামের দৃষ্টিতে জন্মনিয়ন্ত্রণ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৬৩২। ইসলামের দৃষ্টিতে নারী – ফরিদ বেজদী আফেন্দী
৬৩৩। ইসলামের দৃষ্টিতে নারী – বি. আইশা লেমু
৬৩৪। ইসলামের দৃষ্টিতে পরিবার ও পারিবারিক জীবন – মুহাম্মাদ নূরুল ইসলাম
৬৩৫। ইসলামের দৃষ্টিতে মিত্রতা ও বৈরতা – শায়খ সালেহ বিন ফাউযান আল ফাউযান
৬৩৬। ইসলামের দৃষ্টিতে রাজনৈতিক সংঘাত ও সহিংসতা নিয়ন্ত্রণ – আবদুলহামিদ আহমদ আবুসু
৬৩৭। ইসলামের দৃষ্টিতে শান্তি ও যুদ্ধ – মজিদ কাদদুরী
৬৩৮। ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পদ আহরণ ভোগ ব্যবহার ও বিকেন্দ্রিকরণ – ড. মুহাম্মদ ছামিউল হক ফারুকি
৬৩৯। ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পদ বণ্টন – মুফতি মুহাম্মদ শফী
৬৪০। ইসলামের দৃষ্টিতে সুখী পরিবার – আয়াতুল্লাহ ইবরাহিম আমিনি
৬৪১। ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাহ্য ও চিকিৎসা বিজ্ঞান – আব্দুর রঊফ শামীম
৬৪২। ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ – ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৬৪৩। ইসলামের নৈতিক দৃষ্টিক্ষণ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৬৪৪। ইসলামের পারিবারিক আইন ১ম খণ্ড – প্রকাশনায় ইসলামিক ল রিসার্চ
৬৪৫। ইসলামের পারিবারিক আইন ২য় খণ্ড – প্রকাশনায় ইসলামিক ল রিসার্চ
৬৪৬। ইসলামের পুনরুজ্জীবনে মাওলানা মওদুদীর অবদান – অধ্যাপক গোলাম আযম
৬৪৭। ইসলামের পুনর্জাগরণে ইখওয়ানুল মুসলিমুনের ভূমিকা – খলিল আহমদ হামেদী
৬৪৮। ইসলামের পূর্ণাঙ্গ রুপ – মাওলানা সদরূদ্দীন ইসলাহী
৬৪৯। ইসলামের প্রথম মুয়াযযিন হযরত বিলাল রা. – হেলেনা খান
৬৫০। ইসলামের বাস্তবতা – আব্দুল হামীদ বিন সিদ্দিকী হুসাইন
৬৫১। ইসলামের বুনিয়াদী শিক্ষা – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৬৫২। ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন ১ম খণ্ড – প্রকাশনায় বি আই এল আর
৬৫৩। ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন ২য় খণ্ড – প্রকাশনায় বি আই এল আর
৬৫৪। ইসলামের মৌলিক আকীদা ও বিধান – ড. জামাল আল বাদাবী
৬৫৫। ইসলামের মৌলিক নীতিমালা – মুহাম্মদ বিন সুলায়মান তামীমী
৬৫৬। ইসলামের যাকাতের বিধান ১ম খণ্ড – আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভী
৬৫৭। ইসলামের যাকাতের বিধান ২য় খণ্ড – আল্লামা ইউসুফ আল কারযাভী
৬৫৮। ইসলামের রাজদণ্ড – খন্দকার আবুল খায়ের
৬৫৯। ইসলামের রাজনৈতিক মতবাদ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৬৬০। ইসলামের রাষ্ট্রব্যবস্থা – মুহাম্মদ নূরুল ইসলাম
৬৬১। ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা –কতিপয় ছাত্র
৬৬২। ইসলামের শক্তির উৎস – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৬৬৩। ইসলামের শাস্তি আইন – ড.আহমদ আলি
৬৬৪। ইসলামের সচিত্র গাইড – আই এ ইবরাহীম
৬৬৫। ইসলামের সমাজ দর্শন – মাওলানা সদরূদ্দীন ইসলাহী
৬৬৬। ইসলামের সমালোচনা ও তার জবাব – ড. সাঈদ ইসমাঈল চীনী
৬৬৭। ইসলামের সহজ পরিচয় – অধ্যাপক গোলাম আযম
৬৬৮। ইসলামের সামজিক আচরণ – হাসান আউব
৬৬৯। ইসলামের সামজিক বিধান – আল্লামা জামাল আল বাদাবী
৬৭০। ইসলামের সোনালী যুগ – এ.কে.এম.নাজির আহমদ
৬৭১। ইসলামের স্বর্ণযুগে সামাজিক ন্যায়নীতি – সাইয়্যেদ কুতুব শহীদ
৬৭২। ইসলামের হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৬৭৩। ইসলাহি খুতুবাত ১ম খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৭৪। ইসলাহি খুতুবাত ২য় খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৭৫। ইসলাহি খুতুবাত ৩য় খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৭৬। ইসলাহি খুতুবাত ৪র্থ খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৭৭। ইসলাহি খুতুবাত ৫ম খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৭৮। ইসলাহি খুতুবাত ৬ষ্ঠ খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৭৯। ইসলাহি খুতুবাত ৭ম খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৮০। ইসলাহি খুতুবাত ৮ম খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৮১। ইসলাহি খুতুবাত ৯ম খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৮২। ইসলাহি খুতুবাত ১০ম খণ্ড – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
৬৮৩। ইহিতাসাবত সম্পর্কে কোরানে অবতীর্ণ আয়াত সমূহ – নুমান আবুল বাশার
ঈ
২। ঈদুল ফিতর ও যাকাতুল ফিতর এর সংক্ষিপ্ত বিধি বিধান – গবেষণা বিভাগ দুরারুস সানিয়্য ফাউন্ডেশন
৩। ঈদের তাকদীর – মুযাফফার বিন মুহসিন
৪। ঈদের সালাত ঈদগাহে পড়তে হবে কেন – আল্লামা নাসিরুদ্দিন আলবানী
৫। ঈদের সালাতে বারো তাকবীরের প্রমাণ ও ছয় তাকবীরের বিশ্লেষণ – আব্দুর রহমান মুবারকপুরী
৬। ঈমান ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস – মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনু
৭। ঈমান ও ইসলাম – ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮। ঈমান সবার আগে – মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মালেক
৯। ঈমানী দুর্বলতা – মুহাম্মদ সালেহ আল মুনজিদ
১০। ঈমানী মৃত্যু – মাওলানা ফখরুদ্দীন আহমাদ
১১। ঈমানের ৭৭ টি শাখা – ইমাম বায়হাকী
১২। ঈমানের দাবী – আব্বাস আলি খান
১৩। ঈমানের দাবী – সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী
১৪। ঈমানের মূলনীতি সমূহের ব্যাখ্যা – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
১৫। ঈমানের মৌলিক নীতিমালা সংক্রান্ত মণিমুক্তা – মুহাম্মাদ ইয়োসরী ইবরাহীম
১৬। ঈমানের মৌলিক বিষয় সমূহঃ কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে – বিশিষ্ট ওলামাবর্গ
১৭। ঈমানের রুকন সমূহ – ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মদীনা মুনাওয়রা
১৮। ঈমানের স্তম্ভ সূমহ – ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মদীনা মুনাওয়রা
১৯। ঈমানের হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
২০। ঈসা আঃ বান্দাহ না প্রভু – ড. মুহাম্মদ তাকিউদ্দীন হেলালী
২১। ঈসা মসীহ ইসলামের এক নবী – মুহাম্মদ আতাউর রহীম
২। উপদেশ – আবদুর রাযযক বিন ইউসুফ
৩। উপদেশতত্ত্ব – আকিল ইবন মুহাম্মদ আল মাকতিরী
৪। উপমহাদেশর স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুসলমান ২ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৫। উপমহাদেশে ইংরেজ বিরোধী সংগ্রামের সূচনায় উলামায়ে কেরাম – আবদুল মান্নান তালিব
৬। উপমহাদেশে ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাস – মাওলানা মাসউদ আলম নদভী
৭। উপমহাদেশের আলিম সমাজের বিপ্লবী ঐতিহ্য ২য় খণ্ড – মাওলানা মুহাম্মদ মিয়াঁ
৮। উপার্জন ইসলামী দৃষ্টিকোণ – হাবিবুল্লাহ মুহাম্মদ ইকবাল
৯। উমরায় করণীয় কাজসমূহ – মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১০। উমরাহ ও হজ্জের বিধান – আব্দুল হামীদ আল ফাইযী
১১। উমরাহ করার নিয়ম – ড. আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া
১২। উমরাহ নির্দেশিকা – আব্দুল হামীদ আল ফাইযী
১৩। উম্মতের উপর নবী মুহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ) এর অধিকার – ড. আহমাদ আল মাযইয়াদ ও আদেল আশ শিদ্দী
১৪। উম্মতের উপর প্রিয় নবীজির হক – মাওলানা মুফতি মাহমুদ গাঙ্গুহী
১৫। উম্মতের উপর সাহাবীগণের অধিকার সমূহ – ড. সালিহ ইবনে আব্দুল আযীয ইবনে উসমান
১৬। উম্মাহর ঐক্য পথ ও পন্থা – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মালেক
১৭। উলামার মতানৈক্য – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
১৮। উলামার মতানৈক্য আমাদের করণীয় – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
১৯। উশর – অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
২০। উশর – সাইয়েদ মুহাম্মদ আলি
২০/১। উসমান ইবনু আফফান রা. – ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক
২১। উসমানী খেলাফতের ইতিকথা – এ. কে. এম. নাজির আহমদ
২২। উসীলা গ্রহণঃ বৈধ ও অবৈধ পন্থা – আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল হামীদ আল-আসারী
২৩। উসূলুল ফিকহঃ ফিকহ শাস্ত্রের মূলনীতি – শাহ আবদুল হান্নান
২৪। উহুদ থেকে কাসিয়ুন – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
২৫। উহুদের যুদ্ধ – ইবনে হিশাম
২৬। ঋতুবতী নারীর রোজা ত্যাগ ও কাজা প্রসঙ্গ – আলী হাসান তৈয়ব
২। এ এক অন্য ইতিহাস ২য় খণ্ড – আল্লামা গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৩। এ ওয়ার্ল্ড উইদাউট ইসলাম – গ্রাহাম ই ফুলার
৪। এইডস প্রতিরোধে তরুণদের করণীয় – ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৫। এক হাতে মুসাফা – আব্দুর রহমান মুবারকপুরী
৬। এক হাতে যদি চাঁদ এনে দাও – শহীদ সিরাজী
৭। একই দিনে সকল মুসলিমকে অবশ্যই স্বওম ও ঈদ পালন করতে হবে – মুহাম্মদ ইকবাল বিন ফাখরুল
৮। একগুচ্ছা মুক্তাদানাঃ দ্বীনে ইসলামীর সৌন্দর্য – আবদুর রহমান ইবন নাসের ইবন সাদী
৯। একজন ঈমানদার দাঈর গুণাবলী – মুহাম্মদ শাহিদুল ইসলাম
১০। একজন মানুষঃ যিনি দুনিয়া ও আখিরাতে অত্যাবশ্যক – অধ্যাপক গোলাম আযম
১১। একজন মুসলিমের দৈনন্দিন জীবন – মোঃ মোশফিকুর রহমান
১২। একটি আত্মার মৃত্যু – আবদুল মোহাইমেন
১৩। একটি আদর্শবাদী দলের পতনের কারণঃ তার থেকে বাঁচার উপায় – আব্বাস আলি খান
১৪। একটি পত্রের জবাব – মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী আল কোরায়শী
১৫। একটি মজলুম ফরজ – মোল্লা ইয়ার মুহাম্মদ
১৬। একটি সত্যনিষ্ঠ দলের প্রয়োজন – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
১৭। একটি স্বচ্ছ জবাবদিহিমূলক আদর্শ গণতান্ত্রিক দল – আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ
১৮। একটু খানি মিষ্টি হাসি ও ইসলামী আন্দোলন – সিরাজুল ইসলাম মতলিব
১৯। একত্রিত তিন তালাক – ইসা ইবনে আঃ সাত্তার
২০। একমাত্র ধর্ম – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
২১। একমাত্র বার্তা – ড. নাজী ইবন ইবরাহিম আল আরফাজ
২২। একশো বছরের রাজনীতি – আবুল আসাদ
২৩। একাধিক বিবাহ – সাইয়েদ হামীদ আলী
২৪। একান্তে অবস্থান ও মোহাবিষ্ট মেলামেশা
২৫। একুশ শতকের এজেন্ডা – আবুল আসাদ
২৬। এখলাস কেন ও কিভাবে – গবেষণা পরিষদ আল মুনতাদা আল ইসলামী
২৭। এখলাস মুক্তির উপায় – ফয়সাল বিন আলী আল বাদানী
২৮। এখলাসে নিয়ত
২৯। এতিম প্রতিপালন – মোঃ ওসমান গণি
৩০। এসো এক আল্লাহর দাসত্ব করি – আবদুস শহীদ নাসিম বা Desktop
৩১। এসো কলম মেরামত করি – আবু তাহের মিছবাহ
৩২। এসো জানি নবীর বানী – মাওলানা আব্দুস শহীদ নাসিম
৩৩। এসো জান্নাতের পথে – জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৩৪। এসো জীবন গড়ি ২য় খণ্ড – আব্দুল মান্নান তালিব
৩৫। এসো নামাজ পড়ি – আবদুস শহীদ নাসিম বা desktop
৩৬। এসো নামাজ শিখি – মুফতী মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
৩৭। এসো ফিকাহ শিখি – আবু তাহের মিসবাহ
৩৮। এহইয়াউ উলুমিদ্দীন ১ম - ৫ম খণ্ড – ইমাম গাযযালী রহঃ
৩৯। এহইয়াউস সুনান বা সুন্নাতের পুনরুজ্জীবন ও বিদআতের বিসর্জন – ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গী
২। ওমর ইবনে আব্দুল আজিজঃ ইসলামি শাসনের বাস্তব চিত্র – রশীদ আখতার নদভী
৩। ওমর তিলমসনী ও ইখওয়ান – অনুবাদঃ এম আমীর হোসাইন আল মাদানী
৪। ওমর রাঃ সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষানীয় ঘটনা – আহমাদ আব্দুল আলি তাহতাভী
৫। ওয়াসিলা – অধ্যক্ষ এ.কিউ.এম আবদুল হাকীম আল মাদানী
৬। ওরা কাফের কেন – আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশ্মীরি
৭। ওলামাদের মতনৈক্যে আমাদের কর্তব্য – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
৮। ওল্টা বুঝিল রাম ও সাধু সাবধান – মাওলানা আবু তাহের বর্দ্ধমানী
৯। ওসমান রাঃ সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষানীয় ঘটনা – আহমাদ আব্দুল আলি তাহতাভী
১০। ওসমানী খলিফাদের ইতিহাস – এ.এম. নাজির আহমদ
১১। ওহহাবী আন্দোলন সম্পর্কিত এক ঐতিহাসিক ভ্রান্তির নিরসন – ড. মোহাম্মদ বিন সাদ আল শুয়াইইর
১২। ওহাবী আন্দোলন – আবদুল মওদুদ
১৩। ওহী ও আধুনিক বিজ্ঞান – মাওলানা ওয়াহিদুদ্দিন খান
৬। কবর যিয়ারত সংক্রান্ত কতিপয় জাল ও দুর্বল হাদীস – হাম্মাদ ইবন মুহাম্মদ আল আনসারি
৭। কবরের তিন প্রশ্ন ও বর্তমান বাস্তবতা – মুহাম্মদ আজিজুর রহমান খান
৮। কবরের বর্ণনা – মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী
৯। কবীর গুনাহ – ইমাম আযযাহারী
১০। কবীরা গুনাহ – ঈমাম যাহাবী রহঃ
১১। কবে আসবে সেই শুভদিন – মাসুদা সুলতানা রুমী
১২। কমিউনিস্ট শাসনামলে ইসলাম – অধ্যাপক ড. হাসান জামান
১৩। কর্মের ফলাফল – মাওলানা আশরাফ আলী থানবী
১৪। কসর ও জমা করে সালাত আদায় সম্পর্কে কিছু বিধান – ড. আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া
১৫। কাদিয়ানী কাহানী – অধ্যাপক শেখ আইনুল বারী আলীয়াভী
১৬। কাদিয়ানী মতবাদ – এহসান এলাহি জহীর
১৭। কাদিয়ানী সমস্যা – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
১৮। কাদিয়ানী সমস্যা বনাম ইসলামী দুনিয়ার অবস্থান – আবুল কাসেম ভূঁইয়া
১৯। কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন – ড. রফী উওনলা বাসীরী ইজিবুঈ
২০। কাফন দাফন জানাযা – মাওলানা শাববীর আহমাদ শিবলী
২১। কাফের বলার মৌলনীতি – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
২২। কাবাঘরে ৩৬০ মূর্তি – মোহাম্মদ মূসা
২৩। কাবুল থেকে আম্মান – সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী
২৪। কারবালা ও ইমাম বংশের ইতিবৃত্ত – মুহম্মদ বরকতুল্লাহ
২৫। কারবালা ও হযরত ইমাম হোসাইন এর শাহাদাত – সাইয়েদ ইবনে তাউস
২৬। কারবালায় কি ঘটেছিল – শাইখ আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী
২৭। কারাগার থেকে আদালতে অধ্যাপক গোলাম আযম – অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
২৮। কারাগারের রাতদিন – জয়নব আল গাজালী
২৯। কালজয়ী আদর্শ ইসলাম – সাইয়েদ কুতুব শহীদ
৩০। কালিমাতুশ শাহাদাহ – গাজী মুহাম্মদ তানজীল
৩১। কালিমার মর্মকথা – আকরামুজ্জামান বিন আব্দুস সালাম
৩২। কালেমা তাইয়েবাঃ একটি জীবন আদর্শের দাওয়াত – মুহাম্মদ আজিজুর রহমান খান
৩৩। কালেমা তাইয়্যেবা – মুহাম্মদ নাসীন শাহরুখ
৩৪। কালেমা ত্যাইয়েবা – মাওলানা আবদুর রহিম
৩৫। কালেমা ত্যাইয়েবা – মুহাম্মদ আব্দুল্লাহহেল কাফী
৩৬। কালেমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ – আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
৩৭। কালেমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এর অর্থ শর্তসমূহ এবং ব্যাক্তি ও সমাজ জীবনে তার প্রভাব – ড. সালেহ বিন ফাওযান
৩৮। কালেমা শাহাদাতের হাকীকত – আতিয়্যা মোহাম্মদ সাঈদ
৩৯। কালেমার মর্মকথা – মুহাম্মদ মতিউল ইসলাম বিন আলি আহমাদ
৪০। কালেমারর হাকিকত – খন্দকার আবুল খায়ের
৪১। কাশফুশ শুবহাত (সংশয় নিরসন) – শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব
৪২। কাশ্মীর ইতিহাস ও রাজনীতি – জাকারিয়া পলাশ
৪২/১। কাসাসুল আম্বিয়া – আল্লামা ইবনে কাসীর
৪৩। কাসাসুল কোরআনঃ নবী-রাসুল সিরিজ ১ম থেকে ১০ম খণ্ড
৪৪। কাসীদা ই বুরদা – ইমাম বুসিরী রহঃ
৪৫। কি ঘটেছিল কারবালায় কারা হুসাইন (রাঃ) কে হত্যা করেছে – আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী
৪৬। কিছু সত্য বাচন – মাসুদা সুলতানা রুমী
৪৭। কিতাবুত তাওহিদ ও এর ব্যাখ্যা – মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আত তামীমী
৪৮। কিতাবুত তাওহীদ – মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াব
৪৯। কিতাবুত তাওহীদের ব্যাখ্যা – সালেহ বিন আব্দুল আযীয
৫০। কিতাবুল কাবায়েরঃ কবীরা গুনাহ – ইমাম হাফিজ শামসুদ্দিন যাহাবী
৫১। কিতাবুল জিহাদ – আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক
৫২। কিতাবুল মোকাদ্দস ইঞ্জিল শরীফ ঈসায়ী ধর্ম – ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৫৩। কিভাবে আপনি জান্নাত লাভ করবেন – ইউসুফ ইবন মুহাম্মদ আল উয়াইদ
৫৪। কিভাবে তাওহীদের দিশা পেলাম – মুহাম্মদ বিন জামীল যায়নু
৫৫। কিভাবে নামাজ পড়িতে হয় – মাওলানা আব্দুল আলী
৫৬। কিয়ামত দিনের প্রস্ততি – আল্লামা ইবনে হাজার আসকালিনী
৫৭। কিয়ামতের আলামত – আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী
৫৮। কিয়ামতের আলমত – মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী
৫৯। কিয়ামতের আলামত – হারুন ইয়াহইয়া
৬০। কিয়ামতের আলামত ও তার বর্ণনাঃ মৃত্যুর পর অন্নত যে জীবন – ইকবাল কিলানী
৬১। কিয়ামতের ছোটবড় নিদর্শন সমূহ –সাইখ মোস্তাফিজুর রহমান
৬২। কিয়ামতের পরীক্ষা – মোহাম্মদ ইলইয়াস আত্তার কাদেরী রযবী
৬৩। কিয়ামতের বর্ণনা – মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী
৬৪। কিয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর – আব্দুল মালেক আলি আল কুলাইব
৬৫। কিশোর মনে ভাবনা জাগে – অধ্যাপক গোলাম আযম
৬৬। কুইজ প্রশ্নোত্তর – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
৬৭। কুফরি ফতোয়া ও তার কুপ্রভাব – আবু আহমাদ সাইফুদ্দিন বেলাল
৬৮। কুরআন অধ্যয়ন সহায়িকা – খুররাম মুরাদ
৬৯। কুরআন আপনার পক্ষে কিংবা বিপক্ষের দলিল – মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল ইম্মারী
৭০। কুরআন এবং আধুনিক বিজ্ঞান – ড. জাকির নায়েক
৭১। কুরআন এবং আধুনিক বিজ্ঞানঃ সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপপূর্ণ – ডাঃ জাকির নায়েক
৭২। কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান – ডক্টর মরিস বুকাইলী
৭৩। কুরআন ও বাইবেল – ড. জাকির নায়েক
৭৪। কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে জামা‘আতে সালাত আদায় – মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দ
৭৫। কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে ব্যভিচার ও সমকামিতার ভয়াবহ পরিণতি – মোস্তাফিজুর রহমান
৭৬। কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে সদকা-খায়রাত – মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয
৭৭। কুরআন ও সুন্নাহঃ স্থান কাল পাত্র – তাহা জাবির আল আলওয়ানী
৭৮। কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে পর্দা – মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৭৯। কুরআন ও সুন্নাহর দৃষ্টিকোণে স্বপ্ন ও তার ব্যাখ্যা – আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৮০। কুরআন ও হাদীস সংকলন ১ম খণ্ড – মোঃ রফিকুল ইসলাম
৮১। কুরআন ও হাদীস সঞ্চয়ন ১ম, ২য় ও ৩য় – অধ্যাপক মাওলানা আতিকুর রহমান ভূঁইয়া
৮২। কুরআন ও হাদীসের আলোকে ইসরাঈল – অনুবাদঃ মাওলানা হাবিবুর রহমান
৮৩। কুরআন ও হাদীসের আলোকে ইসলামী আকীদা – এ এন এম সিরাজুল ইসলাম
৮৪। কুরআন ও হাদীসের আলোকে এতিম প্রতিপালন – মোঃ ওসমান গণি
৮৫। কুরআন ও হাদীসের আলোকে জন্মনিয়ন্ত্রণ গর্ভপাত বন্ধ্যাত্বকরণ ও গর্ভাশয় ভাড়া খাটানো
৮৬। কুরআন ও হাদীসের আলোকে মানব বংশ গতিধারাঃ জ্বিন তত্ত্ব – প্রফেসর মুহাম্মদ আবদ
৮৭। কুরআন ও হাদীসের আলোকে মানব সৃষ্টির ক্রমবিকাশ – ডাঃ মুহাম্মাদ আলী আলবার
৮৮। কুরআন ও হাদীসের আলোকে শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চা – আবদুস শহীদ নাসিম
৯০। কুরআন ও হাদীসের মানদণ্ডে সূফীবাদ – আবদুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৯১। কুরআন করিমে নবী চরিত – ডঃ তাহের আল কাদেরী
৯২। কুরআন কি আল্লাহর বাণী – ড. জাকির নায়েক
৯৩। কুরআন কি আল্লাহর বাণী নয় – আতাউর রহমান সিকদার
৯৪। কুরআন কিয়ামত পরকাল – মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন
৯৫। কুরআন কোয়াসার শিঙ্গায় ফুৎকার – মুহাম্মাদ আনওয়ার হুসাইন
৯৬। কুরআন গবেষণার মূলনীতি – মাওলানা আমিন আহসান
৯৭। কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত – মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৯৮। কুরআন পড়ি কুরআন বুঝি আল কুরআনের সমাজ গড়ি – মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী
৯৯। কুরআন পড়ো জীবন গড়ো – আব্দুস শহীদ নাসিম
১০০। কুরআন বুঝা সহজ – অধ্যাপক গোলাম আযম
১০১। কুরআন বোঝার পথ ও পাথেয় – আবদুস শহীদ নাসিম
১০২। কুরআন ব্যাখ্যার মুলনীতি – শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী
১০৩। কুরআন মজীদের দোয়া ও মোনাজাত ইতিহাস দর্শন ফজিলত – মোঃ শহীদুল্লাহ যুবাইর
১০৪। কুরআন মহাবিশ্ব মহাধ্বংস – মুহাম্মাদ আনওয়ার হুসাইন
১০৫। কুরআন মহাবিশ্ব মূলতত্ত্ব – মুহাম্মদ আনওয়ার হোসেন
১০৬। কুরআন মাজীদের কিছু গোপণ রহস্য – হারুন ইয়াহইয়া
১০৭। কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, এর মর্যাদা, মাহাত্ম ও ফযিলত
১০৮। কুরআন শিক্ষাঃ বিধান পদ্ধতি ও ফযিলত – হাবীবুল্লাহ মুহাম্মদ ইকবাল
১০৯। কুরআন শিক্ষার সহজ পদ্ধতি – আবু আহমাদ সাইফুদ্দিন বেলাল
১১০। কুরআন সম্পর্কে কুরআন কি বলে – মাওলানা আব্দুর রহমান
১১১। কুরআন সৃষ্টিতত্ত্ব বিগ-ব্যাংগ – মুহাম্মদ আনওয়ার হোসেন
১১২। কুরআন হাদিস সংকলনের ইতিহাস – এ কে এম এনামুল হক
১১৩। কুরআন হাদীসের আলোকে শহীদ কারা – মাওলানা আবদুল মতিন বিক্রমপুরী
১১৪। কুরআন হাদীসের আলোকে সহজ আকীদা – ড.আহমাদ ইবন আব্দুর রহমান আল কাযী
১১৫। কুরআন হাদীসের পঁইত্রিশটি ভবিষ্যদ্বাণী – খন্দকার শাহরিয়ার সুলতান
১১৬। কুরআন-সুন্নাহর আলকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা – আস সালেহ আল উসাইমিন
১১৭। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা – ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
১১৮। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে পোশাক পর্দা ও দেহসজ্জা – ড. খোন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর
১১৯। কুরআন-হাদীস ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে রাসুল সাঃ এর মিরাজ – মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
১২০। কুরআন-হাদীসের আলোকে সৃষ্টি ও আবিষ্কার – প্রফেসর মুহাম্মদ আবদুল হক
১২১। কুরআনে আঁকা আখিরাতের ছবি – এ. বি. এম. এ. খালেক মজুমদার
১২২। কুরআনে কারীম ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে গুনাহ মাফের আমল – সালাম ইবন ঈদ আল হেলালী
১২৩। কুরআনে কিয়ামত ও শেষ বিচার এবং জান্নাত ও জাহান্নামের চিত্র – মুহাম্মদ শামসুল হক চৌধুরী
১২৪। কুরআনে ঘোষিত মুসলিম শাসকদের ৪ দফা কর্মসূচি – অধ্যাপক গোলাম আযম
১২৫। কুরআনে নৈতিক মূল্যবোধ
১২৬। কুরআনে বর্ণিত লোকমান এর উপদেশ হে আমার সন্তান – মোঃ আব্দুল আলীম
১২৭। কুরআনে বিজ্ঞান – ড. মুহাম্মদ গোলাম মুয়াযযাম
১২৮। কুরআনের অভিধান – হাফেয মুনির উদ্দিন আহমদ
১২৯। কুরআনের অর্থ বুঝার সহজ অভিধান – আব্দুল হালিম
১৩০। কুরআনের অলৌকিকত্ব – হারুন ইয়াহিয়া
১৩১। কুরআনের আদর্শ বাস্তবায়নেই আছে সব সমস্যার সমাধান – হারুন ইয়াহইয়া
১৩২। কুরআনের আলোকে নাস্তিকের মনস্তত্ত – এস এম জাকির হুসাইন
১৩৩। কুরআনের আলোকে মুমিনের জীবন – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী
১৩৪। কুরআনের আলোয় নারী – মুহাম্মদ জামালুদ্দীন
১৩৫। কুরআনের গল্প – বন্দে আলি মিয়া
১৩৬। কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
১৩৭। কুরআনের চিরন্তন মু জিযা – ডঃ মুহাম্মদ মুজীবুর রহমান
১৩৮। কুরআনের দেশে মাওলান মওদুদী – মুহাম্মদ আসেম
১৩৯। কুরআনের বাণী ও আমাদের করণীয় – কাজী মোঃ মোরতুজা আলী
১৪০। কুরআনের মর্মকথা – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
১৪১। কুরআনের মহত্ত্ব ও মর্যাদা – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
১৪২। কুরআনের মু জিযাহ – নুর হোসেন মজিদী
১৪৩। কুরআনের শিক্ষা সংস্কৃতি – আবদুল মতীন জালালাবাদী
১৪৪। কুরআনের শ্রেষ্ঠ কাহিনী – আলহাজ্জ মাওলানা লুৎফুল আলম
১৪৫। কুরআনের সঙ্গে পূর্বসূরিদের সম্পর্ক – খালেদ বিন আব্দুল্লাহ আল মুসলিম
১৪৬। কুরবানির ইতিহাস উদ্দেশ্য ও কতিপয় বিধান – ড. মুহাম্মদ আব্দুল কাদের
১৪৭। কুরবানী ও জাবীহুল্লাহ – ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
১৪৮। কুরবানীর তাৎপর্য – সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদুদী
১৪৯। কুরবানীর বিধান – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
১৫০। কুরবানীর শিক্ষা – খন্দকার আবুল খায়ের
১৫১। কুসংস্কার সংশোধন – মাওলানা আশরাফ আলী থানবী
১৫২। কুসংস্কারাচ্ছন্ন ঈমান ১ম খণ্ড – মাসুদা সুলতানা রুমী
১৫৩। কুসংস্কারাচ্ছন্ন ঈমান ২য় খণ্ড – মাসুদা সুলতানা রুমী
১৫৪। কে বড় ক্ষতিগ্রস্ত – আব্দুর রাযযক বিন ইউসুফ
১৫৫। কে বড় লাভবান – আব্দুর রাযযক বিন ইউসুফ
১৫৬। কে সে জন – মাওলানা তারিক জামিল
১৫৮। কেন ধূমপান করেন – শাইখ মুহাম্মাদ ইবরাহিম আল হামদ
১৬০। কোয়ান্টাম মেথডঃ কুরআন সুন্নাহর আলোকে একটি পর্যালোচনা – মুফতি শরীফুল আজম
১৬১। কোরানিক সেলফ কন্ট্রোল এবং মৃত্যুহীন জীবন – এস. এম. জাকির হুসাইন
১৬২। ক্যারিয়ার বিকশিত জীবনের দ্বার – সম্পাদকঃ আবু জিহাদ
১৬৩। ক্রীতদাস থেকে সাহবী – এ.জেড. এম শামসুল আলম
খ
৩। ঈদের তাকদীর – মুযাফফার বিন মুহসিন
৪। ঈদের সালাত ঈদগাহে পড়তে হবে কেন – আল্লামা নাসিরুদ্দিন আলবানী
৫। ঈদের সালাতে বারো তাকবীরের প্রমাণ ও ছয় তাকবীরের বিশ্লেষণ – আব্দুর রহমান মুবারকপুরী
৬। ঈমান ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস – মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনু
৭। ঈমান ও ইসলাম – ইসলামিক ফাউন্ডেশন
৮। ঈমান সবার আগে – মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মালেক
৯। ঈমানী দুর্বলতা – মুহাম্মদ সালেহ আল মুনজিদ
১০। ঈমানী মৃত্যু – মাওলানা ফখরুদ্দীন আহমাদ
১১। ঈমানের ৭৭ টি শাখা – ইমাম বায়হাকী
১২। ঈমানের দাবী – আব্বাস আলি খান
১৩। ঈমানের দাবী – সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী
১৪। ঈমানের মূলনীতি সমূহের ব্যাখ্যা – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
১৫। ঈমানের মৌলিক নীতিমালা সংক্রান্ত মণিমুক্তা – মুহাম্মাদ ইয়োসরী ইবরাহীম
১৬। ঈমানের মৌলিক বিষয় সমূহঃ কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে – বিশিষ্ট ওলামাবর্গ
১৭। ঈমানের রুকন সমূহ – ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মদীনা মুনাওয়রা
১৮। ঈমানের স্তম্ভ সূমহ – ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মদীনা মুনাওয়রা
১৯। ঈমানের হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
২০। ঈসা আঃ বান্দাহ না প্রভু – ড. মুহাম্মদ তাকিউদ্দীন হেলালী
২১। ঈসা মসীহ ইসলামের এক নবী – মুহাম্মদ আতাউর রহীম
উ
১। উদাত্ত আহবান – মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল গালিব২। উপদেশ – আবদুর রাযযক বিন ইউসুফ
৩। উপদেশতত্ত্ব – আকিল ইবন মুহাম্মদ আল মাকতিরী
৪। উপমহাদেশর স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুসলমান ২ – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
৫। উপমহাদেশে ইংরেজ বিরোধী সংগ্রামের সূচনায় উলামায়ে কেরাম – আবদুল মান্নান তালিব
৬। উপমহাদেশে ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাস – মাওলানা মাসউদ আলম নদভী
৭। উপমহাদেশের আলিম সমাজের বিপ্লবী ঐতিহ্য ২য় খণ্ড – মাওলানা মুহাম্মদ মিয়াঁ
৮। উপার্জন ইসলামী দৃষ্টিকোণ – হাবিবুল্লাহ মুহাম্মদ ইকবাল
৯। উমরায় করণীয় কাজসমূহ – মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১০। উমরাহ ও হজ্জের বিধান – আব্দুল হামীদ আল ফাইযী
১১। উমরাহ করার নিয়ম – ড. আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া
১২। উমরাহ নির্দেশিকা – আব্দুল হামীদ আল ফাইযী
১৩। উম্মতের উপর নবী মুহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ) এর অধিকার – ড. আহমাদ আল মাযইয়াদ ও আদেল আশ শিদ্দী
১৪। উম্মতের উপর প্রিয় নবীজির হক – মাওলানা মুফতি মাহমুদ গাঙ্গুহী
১৫। উম্মতের উপর সাহাবীগণের অধিকার সমূহ – ড. সালিহ ইবনে আব্দুল আযীয ইবনে উসমান
১৬। উম্মাহর ঐক্য পথ ও পন্থা – মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মালেক
১৭। উলামার মতানৈক্য – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
১৮। উলামার মতানৈক্য আমাদের করণীয় – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
১৯। উশর – অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
২০। উশর – সাইয়েদ মুহাম্মদ আলি
২০/১। উসমান ইবনু আফফান রা. – ড. যুবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক
২১। উসমানী খেলাফতের ইতিকথা – এ. কে. এম. নাজির আহমদ
২২। উসীলা গ্রহণঃ বৈধ ও অবৈধ পন্থা – আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল হামীদ আল-আসারী
২৩। উসূলুল ফিকহঃ ফিকহ শাস্ত্রের মূলনীতি – শাহ আবদুল হান্নান
২৪। উহুদ থেকে কাসিয়ুন – মুফতি মুহম্মদ তকী উসমানী
২৫। উহুদের যুদ্ধ – ইবনে হিশাম
২৬। ঋতুবতী নারীর রোজা ত্যাগ ও কাজা প্রসঙ্গ – আলী হাসান তৈয়ব
এ
৩। এ ওয়ার্ল্ড উইদাউট ইসলাম – গ্রাহাম ই ফুলার
৪। এইডস প্রতিরোধে তরুণদের করণীয় – ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৫। এক হাতে মুসাফা – আব্দুর রহমান মুবারকপুরী
৬। এক হাতে যদি চাঁদ এনে দাও – শহীদ সিরাজী
৭। একই দিনে সকল মুসলিমকে অবশ্যই স্বওম ও ঈদ পালন করতে হবে – মুহাম্মদ ইকবাল বিন ফাখরুল
৮। একগুচ্ছা মুক্তাদানাঃ দ্বীনে ইসলামীর সৌন্দর্য – আবদুর রহমান ইবন নাসের ইবন সাদী
৯। একজন ঈমানদার দাঈর গুণাবলী – মুহাম্মদ শাহিদুল ইসলাম
১০। একজন মানুষঃ যিনি দুনিয়া ও আখিরাতে অত্যাবশ্যক – অধ্যাপক গোলাম আযম
১১। একজন মুসলিমের দৈনন্দিন জীবন – মোঃ মোশফিকুর রহমান
১২। একটি আত্মার মৃত্যু – আবদুল মোহাইমেন
১৩। একটি আদর্শবাদী দলের পতনের কারণঃ তার থেকে বাঁচার উপায় – আব্বাস আলি খান
১৪। একটি পত্রের জবাব – মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী আল কোরায়শী
১৫। একটি মজলুম ফরজ – মোল্লা ইয়ার মুহাম্মদ
১৬। একটি সত্যনিষ্ঠ দলের প্রয়োজন – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
১৭। একটি স্বচ্ছ জবাবদিহিমূলক আদর্শ গণতান্ত্রিক দল – আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ
১৮। একটু খানি মিষ্টি হাসি ও ইসলামী আন্দোলন – সিরাজুল ইসলাম মতলিব
১৯। একত্রিত তিন তালাক – ইসা ইবনে আঃ সাত্তার
২০। একমাত্র ধর্ম – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
২১। একমাত্র বার্তা – ড. নাজী ইবন ইবরাহিম আল আরফাজ
২২। একশো বছরের রাজনীতি – আবুল আসাদ
২৩। একাধিক বিবাহ – সাইয়েদ হামীদ আলী
২৪। একান্তে অবস্থান ও মোহাবিষ্ট মেলামেশা
২৫। একুশ শতকের এজেন্ডা – আবুল আসাদ
২৬। এখলাস কেন ও কিভাবে – গবেষণা পরিষদ আল মুনতাদা আল ইসলামী
২৭। এখলাস মুক্তির উপায় – ফয়সাল বিন আলী আল বাদানী
২৮। এখলাসে নিয়ত
২৯। এতিম প্রতিপালন – মোঃ ওসমান গণি
৩০। এসো এক আল্লাহর দাসত্ব করি – আবদুস শহীদ নাসিম বা Desktop
৩১। এসো কলম মেরামত করি – আবু তাহের মিছবাহ
৩২। এসো জানি নবীর বানী – মাওলানা আব্দুস শহীদ নাসিম
৩৩। এসো জান্নাতের পথে – জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৩৪। এসো জীবন গড়ি ২য় খণ্ড – আব্দুল মান্নান তালিব
৩৫। এসো নামাজ পড়ি – আবদুস শহীদ নাসিম বা desktop
৩৬। এসো নামাজ শিখি – মুফতী মুহাম্মদ আবদুল মান্নান
৩৭। এসো ফিকাহ শিখি – আবু তাহের মিসবাহ
৩৮। এহইয়াউ উলুমিদ্দীন ১ম - ৫ম খণ্ড – ইমাম গাযযালী রহঃ
৩৯। এহইয়াউস সুনান বা সুন্নাতের পুনরুজ্জীবন ও বিদআতের বিসর্জন – ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গী
ও
১। ওমর ইবনুল খাত্তাব রাঃ – সাইয়েদ ওমর তেলমেসানী২। ওমর ইবনে আব্দুল আজিজঃ ইসলামি শাসনের বাস্তব চিত্র – রশীদ আখতার নদভী
৩। ওমর তিলমসনী ও ইখওয়ান – অনুবাদঃ এম আমীর হোসাইন আল মাদানী
৪। ওমর রাঃ সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষানীয় ঘটনা – আহমাদ আব্দুল আলি তাহতাভী
৫। ওয়াসিলা – অধ্যক্ষ এ.কিউ.এম আবদুল হাকীম আল মাদানী
৬। ওরা কাফের কেন – আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশ্মীরি
৭। ওলামাদের মতনৈক্যে আমাদের কর্তব্য – মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমীন
৮। ওল্টা বুঝিল রাম ও সাধু সাবধান – মাওলানা আবু তাহের বর্দ্ধমানী
৯। ওসমান রাঃ সম্পর্কে ১৫০ টি শিক্ষানীয় ঘটনা – আহমাদ আব্দুল আলি তাহতাভী
১০। ওসমানী খলিফাদের ইতিহাস – এ.এম. নাজির আহমদ
১১। ওহহাবী আন্দোলন সম্পর্কিত এক ঐতিহাসিক ভ্রান্তির নিরসন – ড. মোহাম্মদ বিন সাদ আল শুয়াইইর
১২। ওহাবী আন্দোলন – আবদুল মওদুদ
১৩। ওহী ও আধুনিক বিজ্ঞান – মাওলানা ওয়াহিদুদ্দিন খান
ক
৭। কবরের তিন প্রশ্ন ও বর্তমান বাস্তবতা – মুহাম্মদ আজিজুর রহমান খান
৮। কবরের বর্ণনা – মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী
৯। কবীর গুনাহ – ইমাম আযযাহারী
১০। কবীরা গুনাহ – ঈমাম যাহাবী রহঃ
১১। কবে আসবে সেই শুভদিন – মাসুদা সুলতানা রুমী
১২। কমিউনিস্ট শাসনামলে ইসলাম – অধ্যাপক ড. হাসান জামান
১৩। কর্মের ফলাফল – মাওলানা আশরাফ আলী থানবী
১৪। কসর ও জমা করে সালাত আদায় সম্পর্কে কিছু বিধান – ড. আবু বকর মুহাম্মদ যাকারিয়া
১৫। কাদিয়ানী কাহানী – অধ্যাপক শেখ আইনুল বারী আলীয়াভী
১৬। কাদিয়ানী মতবাদ – এহসান এলাহি জহীর
১৭। কাদিয়ানী সমস্যা – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
১৮। কাদিয়ানী সমস্যা বনাম ইসলামী দুনিয়ার অবস্থান – আবুল কাসেম ভূঁইয়া
১৯। কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন – ড. রফী উওনলা বাসীরী ইজিবুঈ
২০। কাফন দাফন জানাযা – মাওলানা শাববীর আহমাদ শিবলী
২১। কাফের বলার মৌলনীতি – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
২২। কাবাঘরে ৩৬০ মূর্তি – মোহাম্মদ মূসা
২৩। কাবুল থেকে আম্মান – সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী
২৪। কারবালা ও ইমাম বংশের ইতিবৃত্ত – মুহম্মদ বরকতুল্লাহ
২৫। কারবালা ও হযরত ইমাম হোসাইন এর শাহাদাত – সাইয়েদ ইবনে তাউস
২৬। কারবালায় কি ঘটেছিল – শাইখ আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী
২৭। কারাগার থেকে আদালতে অধ্যাপক গোলাম আযম – অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
২৮। কারাগারের রাতদিন – জয়নব আল গাজালী
২৯। কালজয়ী আদর্শ ইসলাম – সাইয়েদ কুতুব শহীদ
৩০। কালিমাতুশ শাহাদাহ – গাজী মুহাম্মদ তানজীল
৩১। কালিমার মর্মকথা – আকরামুজ্জামান বিন আব্দুস সালাম
৩২। কালেমা তাইয়েবাঃ একটি জীবন আদর্শের দাওয়াত – মুহাম্মদ আজিজুর রহমান খান
৩৩। কালেমা তাইয়্যেবা – মুহাম্মদ নাসীন শাহরুখ
৩৪। কালেমা ত্যাইয়েবা – মাওলানা আবদুর রহিম
৩৫। কালেমা ত্যাইয়েবা – মুহাম্মদ আব্দুল্লাহহেল কাফী
৩৬। কালেমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ – আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
৩৭। কালেমা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এর অর্থ শর্তসমূহ এবং ব্যাক্তি ও সমাজ জীবনে তার প্রভাব – ড. সালেহ বিন ফাওযান
৩৮। কালেমা শাহাদাতের হাকীকত – আতিয়্যা মোহাম্মদ সাঈদ
৩৯। কালেমার মর্মকথা – মুহাম্মদ মতিউল ইসলাম বিন আলি আহমাদ
৪০। কালেমারর হাকিকত – খন্দকার আবুল খায়ের
৪১। কাশফুশ শুবহাত (সংশয় নিরসন) – শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব
৪২। কাশ্মীর ইতিহাস ও রাজনীতি – জাকারিয়া পলাশ
৪২/১। কাসাসুল আম্বিয়া – আল্লামা ইবনে কাসীর
৪৩। কাসাসুল কোরআনঃ নবী-রাসুল সিরিজ ১ম থেকে ১০ম খণ্ড
৪৪। কাসীদা ই বুরদা – ইমাম বুসিরী রহঃ
৪৫। কি ঘটেছিল কারবালায় কারা হুসাইন (রাঃ) কে হত্যা করেছে – আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী
৪৬। কিছু সত্য বাচন – মাসুদা সুলতানা রুমী
৪৭। কিতাবুত তাওহিদ ও এর ব্যাখ্যা – মুহাম্মদ বিন সুলাইমান আত তামীমী
৪৮। কিতাবুত তাওহীদ – মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াব
৪৯। কিতাবুত তাওহীদের ব্যাখ্যা – সালেহ বিন আব্দুল আযীয
৫০। কিতাবুল কাবায়েরঃ কবীরা গুনাহ – ইমাম হাফিজ শামসুদ্দিন যাহাবী
৫১। কিতাবুল জিহাদ – আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক
৫২। কিতাবুল মোকাদ্দস ইঞ্জিল শরীফ ঈসায়ী ধর্ম – ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৫৩। কিভাবে আপনি জান্নাত লাভ করবেন – ইউসুফ ইবন মুহাম্মদ আল উয়াইদ
৫৪। কিভাবে তাওহীদের দিশা পেলাম – মুহাম্মদ বিন জামীল যায়নু
৫৫। কিভাবে নামাজ পড়িতে হয় – মাওলানা আব্দুল আলী
৫৬। কিয়ামত দিনের প্রস্ততি – আল্লামা ইবনে হাজার আসকালিনী
৫৭। কিয়ামতের আলামত – আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী
৫৮। কিয়ামতের আলমত – মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী
৫৯। কিয়ামতের আলামত – হারুন ইয়াহইয়া
৬০। কিয়ামতের আলামত ও তার বর্ণনাঃ মৃত্যুর পর অন্নত যে জীবন – ইকবাল কিলানী
৬১। কিয়ামতের ছোটবড় নিদর্শন সমূহ –সাইখ মোস্তাফিজুর রহমান
৬২। কিয়ামতের পরীক্ষা – মোহাম্মদ ইলইয়াস আত্তার কাদেরী রযবী
৬৩। কিয়ামতের বর্ণনা – মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী
৬৪। কিয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর – আব্দুল মালেক আলি আল কুলাইব
৬৫। কিশোর মনে ভাবনা জাগে – অধ্যাপক গোলাম আযম
৬৬। কুইজ প্রশ্নোত্তর – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
৬৭। কুফরি ফতোয়া ও তার কুপ্রভাব – আবু আহমাদ সাইফুদ্দিন বেলাল
৬৮। কুরআন অধ্যয়ন সহায়িকা – খুররাম মুরাদ
৬৯। কুরআন আপনার পক্ষে কিংবা বিপক্ষের দলিল – মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল ইম্মারী
৭০। কুরআন এবং আধুনিক বিজ্ঞান – ড. জাকির নায়েক
৭১। কুরআন এবং আধুনিক বিজ্ঞানঃ সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপপূর্ণ – ডাঃ জাকির নায়েক
৭২। কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান – ডক্টর মরিস বুকাইলী
৭৩। কুরআন ও বাইবেল – ড. জাকির নায়েক
৭৪। কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে জামা‘আতে সালাত আদায় – মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দ
৭৫। কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে ব্যভিচার ও সমকামিতার ভয়াবহ পরিণতি – মোস্তাফিজুর রহমান
৭৬। কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে সদকা-খায়রাত – মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয
৭৭। কুরআন ও সুন্নাহঃ স্থান কাল পাত্র – তাহা জাবির আল আলওয়ানী
৭৮। কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে পর্দা – মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৭৯। কুরআন ও সুন্নাহর দৃষ্টিকোণে স্বপ্ন ও তার ব্যাখ্যা – আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৮০। কুরআন ও হাদীস সংকলন ১ম খণ্ড – মোঃ রফিকুল ইসলাম
৮১। কুরআন ও হাদীস সঞ্চয়ন ১ম, ২য় ও ৩য় – অধ্যাপক মাওলানা আতিকুর রহমান ভূঁইয়া
৮২। কুরআন ও হাদীসের আলোকে ইসরাঈল – অনুবাদঃ মাওলানা হাবিবুর রহমান
৮৩। কুরআন ও হাদীসের আলোকে ইসলামী আকীদা – এ এন এম সিরাজুল ইসলাম
৮৪। কুরআন ও হাদীসের আলোকে এতিম প্রতিপালন – মোঃ ওসমান গণি
৮৫। কুরআন ও হাদীসের আলোকে জন্মনিয়ন্ত্রণ গর্ভপাত বন্ধ্যাত্বকরণ ও গর্ভাশয় ভাড়া খাটানো
৮৬। কুরআন ও হাদীসের আলোকে মানব বংশ গতিধারাঃ জ্বিন তত্ত্ব – প্রফেসর মুহাম্মদ আবদ
৮৭। কুরআন ও হাদীসের আলোকে মানব সৃষ্টির ক্রমবিকাশ – ডাঃ মুহাম্মাদ আলী আলবার
৮৮। কুরআন ও হাদীসের আলোকে শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চা – আবদুস শহীদ নাসিম
৯০। কুরআন ও হাদীসের মানদণ্ডে সূফীবাদ – আবদুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৯১। কুরআন করিমে নবী চরিত – ডঃ তাহের আল কাদেরী
৯২। কুরআন কি আল্লাহর বাণী – ড. জাকির নায়েক
৯৩। কুরআন কি আল্লাহর বাণী নয় – আতাউর রহমান সিকদার
৯৪। কুরআন কিয়ামত পরকাল – মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন
৯৫। কুরআন কোয়াসার শিঙ্গায় ফুৎকার – মুহাম্মাদ আনওয়ার হুসাইন
৯৬। কুরআন গবেষণার মূলনীতি – মাওলানা আমিন আহসান
৯৭। কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত – মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৯৮। কুরআন পড়ি কুরআন বুঝি আল কুরআনের সমাজ গড়ি – মুহাম্মদ ইকবাল কিলানী
৯৯। কুরআন পড়ো জীবন গড়ো – আব্দুস শহীদ নাসিম
১০০। কুরআন বুঝা সহজ – অধ্যাপক গোলাম আযম
১০১। কুরআন বোঝার পথ ও পাথেয় – আবদুস শহীদ নাসিম
১০২। কুরআন ব্যাখ্যার মুলনীতি – শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী
১০৩। কুরআন মজীদের দোয়া ও মোনাজাত ইতিহাস দর্শন ফজিলত – মোঃ শহীদুল্লাহ যুবাইর
১০৪। কুরআন মহাবিশ্ব মহাধ্বংস – মুহাম্মাদ আনওয়ার হুসাইন
১০৫। কুরআন মহাবিশ্ব মূলতত্ত্ব – মুহাম্মদ আনওয়ার হোসেন
১০৬। কুরআন মাজীদের কিছু গোপণ রহস্য – হারুন ইয়াহইয়া
১০৭। কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, এর মর্যাদা, মাহাত্ম ও ফযিলত
১০৮। কুরআন শিক্ষাঃ বিধান পদ্ধতি ও ফযিলত – হাবীবুল্লাহ মুহাম্মদ ইকবাল
১০৯। কুরআন শিক্ষার সহজ পদ্ধতি – আবু আহমাদ সাইফুদ্দিন বেলাল
১১০। কুরআন সম্পর্কে কুরআন কি বলে – মাওলানা আব্দুর রহমান
১১১। কুরআন সৃষ্টিতত্ত্ব বিগ-ব্যাংগ – মুহাম্মদ আনওয়ার হোসেন
১১২। কুরআন হাদিস সংকলনের ইতিহাস – এ কে এম এনামুল হক
১১৩। কুরআন হাদীসের আলোকে শহীদ কারা – মাওলানা আবদুল মতিন বিক্রমপুরী
১১৪। কুরআন হাদীসের আলোকে সহজ আকীদা – ড.আহমাদ ইবন আব্দুর রহমান আল কাযী
১১৫। কুরআন হাদীসের পঁইত্রিশটি ভবিষ্যদ্বাণী – খন্দকার শাহরিয়ার সুলতান
১১৬। কুরআন-সুন্নাহর আলকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা – আস সালেহ আল উসাইমিন
১১৭। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা – ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
১১৮। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে পোশাক পর্দা ও দেহসজ্জা – ড. খোন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর
১১৯। কুরআন-হাদীস ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে রাসুল সাঃ এর মিরাজ – মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
১২০। কুরআন-হাদীসের আলোকে সৃষ্টি ও আবিষ্কার – প্রফেসর মুহাম্মদ আবদুল হক
১২১। কুরআনে আঁকা আখিরাতের ছবি – এ. বি. এম. এ. খালেক মজুমদার
১২২। কুরআনে কারীম ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে গুনাহ মাফের আমল – সালাম ইবন ঈদ আল হেলালী
১২৩। কুরআনে কিয়ামত ও শেষ বিচার এবং জান্নাত ও জাহান্নামের চিত্র – মুহাম্মদ শামসুল হক চৌধুরী
১২৪। কুরআনে ঘোষিত মুসলিম শাসকদের ৪ দফা কর্মসূচি – অধ্যাপক গোলাম আযম
১২৫। কুরআনে নৈতিক মূল্যবোধ
১২৬। কুরআনে বর্ণিত লোকমান এর উপদেশ হে আমার সন্তান – মোঃ আব্দুল আলীম
১২৭। কুরআনে বিজ্ঞান – ড. মুহাম্মদ গোলাম মুয়াযযাম
১২৮। কুরআনের অভিধান – হাফেয মুনির উদ্দিন আহমদ
১২৯। কুরআনের অর্থ বুঝার সহজ অভিধান – আব্দুল হালিম
১৩০। কুরআনের অলৌকিকত্ব – হারুন ইয়াহিয়া
১৩১। কুরআনের আদর্শ বাস্তবায়নেই আছে সব সমস্যার সমাধান – হারুন ইয়াহইয়া
১৩২। কুরআনের আলোকে নাস্তিকের মনস্তত্ত – এস এম জাকির হুসাইন
১৩৩। কুরআনের আলোকে মুমিনের জীবন – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী
১৩৪। কুরআনের আলোয় নারী – মুহাম্মদ জামালুদ্দীন
১৩৫। কুরআনের গল্প – বন্দে আলি মিয়া
১৩৬। কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
১৩৭। কুরআনের চিরন্তন মু জিযা – ডঃ মুহাম্মদ মুজীবুর রহমান
১৩৮। কুরআনের দেশে মাওলান মওদুদী – মুহাম্মদ আসেম
১৩৯। কুরআনের বাণী ও আমাদের করণীয় – কাজী মোঃ মোরতুজা আলী
১৪০। কুরআনের মর্মকথা – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
১৪১। কুরআনের মহত্ত্ব ও মর্যাদা – সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদী
১৪২। কুরআনের মু জিযাহ – নুর হোসেন মজিদী
১৪৩। কুরআনের শিক্ষা সংস্কৃতি – আবদুল মতীন জালালাবাদী
১৪৪। কুরআনের শ্রেষ্ঠ কাহিনী – আলহাজ্জ মাওলানা লুৎফুল আলম
১৪৫। কুরআনের সঙ্গে পূর্বসূরিদের সম্পর্ক – খালেদ বিন আব্দুল্লাহ আল মুসলিম
১৪৬। কুরবানির ইতিহাস উদ্দেশ্য ও কতিপয় বিধান – ড. মুহাম্মদ আব্দুল কাদের
১৪৭। কুরবানী ও জাবীহুল্লাহ – ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
১৪৮। কুরবানীর তাৎপর্য – সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদুদী
১৪৯। কুরবানীর বিধান – আব্দুল হামীদ আল মাদানী
১৫০। কুরবানীর শিক্ষা – খন্দকার আবুল খায়ের
১৫১। কুসংস্কার সংশোধন – মাওলানা আশরাফ আলী থানবী
১৫২। কুসংস্কারাচ্ছন্ন ঈমান ১ম খণ্ড – মাসুদা সুলতানা রুমী
১৫৩। কুসংস্কারাচ্ছন্ন ঈমান ২য় খণ্ড – মাসুদা সুলতানা রুমী
১৫৪। কে বড় ক্ষতিগ্রস্ত – আব্দুর রাযযক বিন ইউসুফ
১৫৫। কে বড় লাভবান – আব্দুর রাযযক বিন ইউসুফ
১৫৬। কে সে জন – মাওলানা তারিক জামিল
১৫৮। কেন ধূমপান করেন – শাইখ মুহাম্মাদ ইবরাহিম আল হামদ
১৬০। কোয়ান্টাম মেথডঃ কুরআন সুন্নাহর আলোকে একটি পর্যালোচনা – মুফতি শরীফুল আজম
১৬১। কোরানিক সেলফ কন্ট্রোল এবং মৃত্যুহীন জীবন – এস. এম. জাকির হুসাইন
১৬২। ক্যারিয়ার বিকশিত জীবনের দ্বার – সম্পাদকঃ আবু জিহাদ
১৬৩। ক্রীতদাস থেকে সাহবী – এ.জেড. এম শামসুল আলম
খ
গ
ঘ
চ
১৮। চেপে রাখা ইতিহাস – গোলাম আহমেদ মোর্তজা
প্রথম অংশের লিঙ্ক - https://collectionislamicbd.blogspot.com/2018/09/pdf.html
দ্বিতীয় অংশের লিঙ্ক - https://collectionislamicbd.blogspot.com/2018/09/blog-post_8.html
তৃতীয় অংশের লিঙ্ক - https://collectionislamicbd.blogspot.com/2019/07/blog-post.html
সব বই এক পোস্টে দেখতে চাইলে - https://justpaste.it/collectionislamicbd
বোনাস লিঙ্কঃ https://collectionislamicbd.blogspot.com/2018/09/blog-post_46.html
ছ
জ
ট
ড
ত
দ
ধ
৭। ধর্ম পালনে একজন মুসলমানের জন্য যা জানা অবশ্যই প্রয়োজনীয় – মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয
৮। ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আসল চেহারা – মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন
৮। ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আসল চেহারা – মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন
দ্বিতীয় অংশ এখানে পাবেন -
https://collectionislamicbd.blogspot.com/2018/09/blog-post_8.html
কয়েক হাজার বাংলা বইয়ের পিডিএফ লিঙ্ক (১-৩ অংশের লিঙ্ক একসাথে)
প্রথম অংশের লিঙ্ক - https://collectionislamicbd.blogspot.com/2018/09/pdf.html
দ্বিতীয় অংশের লিঙ্ক - https://collectionislamicbd.blogspot.com/2018/09/blog-post_8.html
তৃতীয় অংশের লিঙ্ক - https://collectionislamicbd.blogspot.com/2019/07/blog-post.html
সব বই এক পোস্টে দেখতে চাইলে - https://justpaste.it/collectionislamicbd
বোনাস লিঙ্কঃ https://collectionislamicbd.blogspot.com/2018/09/blog-post_46.html
>> আপনাদের কাছে একটা অনুরোধ থাকবে পুরো পোস্টটি কপি করে একটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইলে সংরক্ষণ করবেন
Labels:
bangla books,
free download,
Islamic books,
pdf books,
ইসলামী বই,
ফ্রি ডাউনলোড,
বই নিয়ে,
বাংলা বই
Subscribe to:
Posts (Atom)